Gold Price Hike: আমেরিকার সঙ্গে ইরানের সংঘাতের কারণে MCX-এ বাড়ছে সোনা-রুপোর দাম!
MCX Gold-Silver Price: সোনার এপ্রিল ফিউচারের প্রতি ১০ গ্রামের দাম হয়েছে ১ লক্ষ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা। অন্যদিকে, ০.৯ শতাংশের বেশি দাম বেড়েছে রুপোর মে মাসের ফিউচারেরও।

পশ্চিম এশিয়ায় (Middle East) আমেরিকা ও ইরানের (US vs Iran War) সংঘাতের সঙ্গে সঙ্গেই বাড়তে শুরু করেছিল সোনা ও রুপোর (Gold and Silver Price Surges) মতো ধাতুর দাম। গতকাল এই দামে কিছুটা বদল আসার পর আজ ৬ মার্চ ফের বেড়েছে সোনার দাম। এ ছাড়াও ডলার সূচকে (Dollar Index) কিছুটা পতন হওয়াতেও বেড়েছে সোনা আর রুপোর দাম।
হিসাব বলছে এমসিএক্স বা মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (MCX or Multi Commodity Exchange) দাম বেড়েছে সোনা ও রুপোর ফিউচারের। সোনার এপ্রিল ফিউচারের প্রতি ১০ গ্রামের দাম হয়েছে ১ লক্ষ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা। যা গতকালের তুলনায় প্রায় ৫.২ শতাংশ বৃদ্ধি। অন্যদিকে, ০.৯ শতাংশের বেশি দাম বেড়েছে রুপোর মে মাসের ফিউচারেরও। আপাতত প্রতি কেজি হিসাবে ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকার উপর ট্রেড করছে এই মূল্যবান ধাতু।
দিনের শুরুতে এমসিএক্সে সোনার দাম বেশ কিছুটা বাড়লেও অনেকেই সোনা ও রুপো বিক্রি করে নিজের লাভ তুলে নিয়েছেন। আর সেই কারণেই কিছুটা হলেও ফিউচারের দাম পড়ে যায়।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ইতিমধ্যেই ৭ নম্বর দিনে ঢুকে পড়েছে। আর সেই কারণেই বিনিয়োগকারীরা অনেক কিছু বিষয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। ইতিমধ্যেই কমেছে ডলারের দাম। আর সেই কারণে অনেক ক্ষেত্রে ফিজিক্যাল সোনার দাম কমে গিয়েছে। তবে, আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ জানিয়েছেন যে আমেরিকার কাছে দীর্ঘদিন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র মজুত রয়েছে।
এই সবের মধ্যেই তেল নিয়েও একটা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। যুদ্ধ শুরু থেকে গতকালের মধ্যে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল প্রায় ১৫ শতাংশ। যদিও আজ শুক্রবার কিছুটা হলেও দাম কমেছে ক্রুড অয়েলের। এ ছাড়াও আমেরিকা জানিয়েছে ভারতীয় রিফাইনারিগুলোকে রাশিয়ান তেল কিনতে ৩০ দিনের ছাড় দেবে তারা।
ইতিমধ্যেই ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে এপ্রিল মাসের ক্রুড অয়েল প্রতি ব্যারেলে ৮৪.২১ ডলারে বিকিকিনি হয়েছে। যা গতকালের তুলনায় ১.৫২ শতাংশ কম।
আর এই সবের মধ্যেই এক পুরনো নির্দেশিকা ভারতের হাতে থাকা তেল ও গ্যাসের স্টক নিয়ে একটা প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। ইরানের কারণে ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালীতে আটকে রয়েছে একাধিক জাহাজ। সূত্রের খবর, ডিস্ট্রিবিউটারদের হাতে মাত্র ৪ থেকে ৫ দিনের স্টক রয়েছে। আর সেই কারণেই এবার হয়তো নতুন নির্দেশিকা দিয়েছে দেশের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। ২১ দিনের আগে দ্বিতীয় বুকিং করা যাবে না, এমনই দাবি করছেন ডিস্ট্রিবিউটররা। এমনকি নতুন করে স্টক না এলে কমার্শিয়াল গ্যাসেও সঙ্কটের আশঙ্কা।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আগামীতে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির পুর্বাভাস দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। আর এর ফলে মুদ্রাস্ফীতি ধেয়ে আসতে পারে গোটা বিশ্বের দিকেই।
সেরা শিরোনাম
























