Indian Rupee Depreciation: পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনার ধাক্কায় প্রতিবারই টালমাটাল হয়েছে ভারতীয় মুদ্রা! কী হবে এবার?
Indian Economy in Middle East Conflict: আগেও দেখা গিয়েছে পশ্চিম এশিয়ায় কোনও উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হলে তার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে ভারতের টাকায়। তার একটা কারণ তো অবশ্যই তেল।

ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে (Middle East) শুরু হয়েছে সংঘাত। ইরান ও ইজরায়েলের (Iran Vs Israel) মধ্যে শুরু হওয়া এই সংঘাতে পেরিয়ে গিয়েছে ৫ দিন। আপাতত কোনও তৈলবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) পার করতে পারছে না। ফলে, চাহিদা বাড়ছে তেলের। আবার ভারতের আমদানিকৃত তেলের বেশিরভাগটাই এখন আসে মধ্যপ্রাচ্যের ইরাক, সৌদি আরব, কুয়েতের মতো দেশ থেকে। আমেরিকার (United States Of America) সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সই হওয়ার পর থেকেই কমেছে রাশিয়া থেকে তেল কেনা। ফলে, এই মুহূর্তে একটু হলেও চাপে পড়েছে আমাদের দেশ।
আগেও দেখা গিয়েছে পশ্চিম এশিয়ায় কোনও উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হলে তার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে ভারতের টাকায়। তার একটা কারণ তো অবশ্যই তেল। আর তেলের দাম বাড়লে দেশের মুদ্রাস্ফীতি হওয়া স্বাভাবিক। ফলে, ট্রেড ডেফিসিট বা বাণিজ্যে ঘাটতি বাড়তে থাকে আর দেশের মুদ্রাভান্ডার থেকে খরচ অনেকটা বেড়ে যায়।
তেল আমদানিকারক দেশ হিসাবে
ভারত তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও এলপিজি আমদানি করে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে কোনও উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রথমেই এই সেক্টরগুলো পড়ে চাপের মুখে। তা ভারতের উপর একটা তাৎক্ষণিক চাপ সৃষ্টি করে।
ভারতীয় টাকার মূল্যহ্রাস
তেলের দাম বাড়লে বেশি ডলার খরচ হতে থাকে। ফলে, ডলারের চাহিদা বাড়ে। আর এমন হলে দুর্বল হয়ে পড়ে ভারতের মুদ্রা।
সাপ্লাই চেনে সমস্যা
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে এই অঞ্চল ও সংলগ্ন অঞ্চলে বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগর অঞ্চলে পণ্য পরিবহনের খরচ বা বিমার খরচ বেড়ে যায়। যা বাণিজ্যকে প্রভাবিত করে ও আমদানির খরচ বাড়িয়ে দেয়।
রেমিট্যান্সে ঝুঁকি
প্রচুর ভারতীয় পশ্চিম এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলে কাজ করতে যান। তাঁরা প্রচুর পরিমাণে বিদেশি মুদ্রা ভারতে পাঠান। যাকে রেমিট্যান্স বলা হয়। কিন্তু ওই অঞ্চলে এমন উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হলে সেই রেমিট্যান্সের উপর একটা প্রভাব পড়ে। আর যার ধাক্কা ঘুরে এসে লাগে ভারতের মুদ্রায়।
বাজারের অস্থিরতা
ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হলে বিনিয়োগকারীরা তাদের সম্পদ স্থানান্তর করেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা সোনায় বিনিয়োগের দিকেই ঝোঁকেন। ফলে, ভারতের বাজার থেকে বিদেশি বিনিয়োগ বেরিয়ে যেতে থাকে। আর এর প্রভাব পড়ে ভারতীয় মুদার উপর।























