Indian Rupee Fall: যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ডলারের সাপেক্ষে দাম পড়েছে ভারতীয় মুদ্রার, ছুঁয়ে ফেলেছে ৯২.১৭ টাকা!
INR: এর আগে টাকার দাম সবচেয়ে খারাপ জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল যখন ডলারের সাপেক্ষে ভারতীয় মুদ্রার দাম দাঁড়িয়েছিল ৯১.৯৮ টাকা। এদিন সেই দামকেও ছাপিয়ে যায় টাকার দাম। ১ ডলারের দাম গিয়ে দাঁড়ায় ৯২.১৭ টাকায়।

পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি ক্রমশই জটিল হচ্ছে। ইরানের (Iran) সঙ্গে এক প্রকার যুদ্ধে জড়িয়ে গিয়েছে ইজরায়েল (Israel) ও আমেরিকা (USA)। আর তার ফলেই বেড়েছে তেলের দাম (Petroleum Price Hike)। একই সঙ্গে ভারতের বাজারে বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীরাও (FII) তাদের বিনিয়োগ তুলে নিচ্ছে। এমনকি মধ্যপ্রাচ্য থেকে রেমিট্যান্স পৌঁছানো নিয়েও কিছুটা চিন্তায় নয়া দিল্লি। আর এই সবের মধ্যেই হুহু করে কমেছে ভারতীয় টাকার দাম। ডলার প্রতি ভারতীয় মুদ্রার দাম নেমে এসেছে ৯২ টাকা ১৭ পয়সায়।
এর আগে টাকার দাম সবচেয়ে খারাপ জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল যখন ডলারের (USD) সাপেক্ষে ভারতীয় মুদ্রার (INR) দাম দাঁড়িয়েছিল ৯১ টাকা ৯৮ পয়সা। এদিন সেই দামকেও ছাপিয়ে যায় টাকার দাম। ১ ডলারের দাম গিয়ে দাঁড়ায় ৯২ টাকা ১৭ পয়সায়।
হঠাৎ কেন এমন অবস্থা?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হওয়ায় একাধিক ইস্যু ভারতের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। যেমন, আমাদের দেশ প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেলের ৮০ শতাংশেরও বেশি আমদানি করে। আবার এই যুদ্ধের কারণে ইতিমধ্যেই ক্রুড অয়েলের (Crude Oil) দাম বেড়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দাম বাড়তে পারে প্রায় ৪০ শতাংশ। আর এর ফলে, চাপ বাড়বে গোটা বিশ্বেই। আর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আরও পড়তে পারে ভারতের টাকার দাম।
বাজার পড়লে ঝুঁকি বাড়ে। আর সেই ঝুঁকি থেকে নিজের সম্পদকে বাঁচাতে অনেক বিনিয়োগকারীই তাঁদের পোর্টফোলিও বিক্রি করে দেন। অনেক বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারী যেমন তাঁদের ভারতের বাজারের বিনিয়োগ বিক্রি করে দেন। আর এমন ঘটনা ঘটলে চাপ বাড়বে ভারতের অর্থনীতিতে। ফলে আরও কমতে পারে টাকার দাম। ইতিমধ্যেই এমন ঘটনা ঘটে গিয়েছে, আর সেই কারণেই টাকার দাম পড়ে গিয়েছে এতখানি।
উল্লেখ, গত ১ মাসে টাকার দাম পড়ে গিয়েছে প্রায় ২.৫ শতাংশ। আর টাকার দামের এই পতন ভারত বাজারকে পৃথিবীর উদীয়মান বাজারগুলোর (Emerging Market) মধ্যে সবথেকে খারাপ পার্ফরম্যান্স করা বাজারগুলোর মধ্যে ১টা করে তুলেছে। ভারতের থেকেও খারাপ অবস্থা একমাত্র পোল্যান্ডের। ব্রাজিলের রিয়াল (Brazilian Real), আর্জেন্টিনার পেসো (Argentine Peso), রাশিয়ার রুবল (Russian Ruble), চিনের ইউয়ান (Chinese Yuan) এই দৌড়ে পিছনে ফেলে দিয়েছে আমেরিকান ডলারকেও। এবার দেখার আগামীতে কোন দিকে এগোয় পরিস্থিতি।























