Russian Oil Import: ইরানের সঙ্গে সংঘাতে ফের কি রাশিয়ান তেলের মুখাপেক্ষী হতে হবে ভারতকে?
Crude Oil Imports: তেলের জন্য এই মুহূর্তে ভারতের রাশিয়া নির্ভরতা কমে গিয়েছে অনেকখানি। হিসাব বলছে জানুয়ারিতে ভারত ১৯.৩ শতাংশ তেল আমদানি করেছে রাশিয়া থেকে।

ভারত যে তেল ব্যবহার করে এই মুহূর্তে তার বেশিরভাগটাই আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের দেওয়া তথ্য বলছে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ভারতের তেল আমদানির প্রায় ১৬.৬ শতাংশ এসেছে ইরাক থেকে। এ ছাড়াও ১০.৪ শতাংশ তেল এসেছে ইউএই বা সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে। ১৭.৫ শতাংশ ভারতের আমদানিকৃত তেল এসেছে সৌদি আরব থেকে। আবার কুয়েত থেকে এসেছে ৬.১ শতাংশ তেল।
তেলের জন্য এই মুহূর্তে ভারতের রাশিয়া নির্ভরতা কমে গিয়েছে অনেকখানি। যেখানে ২০২৫ সালের মে মাসে রাশিয়া থেকে ৩৩ শতাংশ তেল আমদানি করেছিল আমাদের দেশ, সেখানে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে তা নেমে এসেছে ২০ শতাংশেরও নীচে। হিসাব বলছে জানুয়ারিতে ভারত ১৯.৩ শতাংশ তেল আমদানি করেছে রাশিয়া থেকে।
হিসাব বলছে ভারত এই মুহূর্তে হরমুজ প্রণালী দিয়ে দিনে ২৫ থেকে ২৭ লক্ষ ব্যারেল তেল আমদানি করে। অন্যদিকে, ভারতের দৈনিক প্রায় ৬০ লক্ষ ব্যারেল তেলের প্রয়োজন হয়। ফলে এই মুহূর্তে ভারতের তেল আমদানির অনেকটাই নির্ভর করে হরমুজ প্রণালীর উপর। ফলে, ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় বিরাট চাপের মুখে পড়েছে ভারত। সরকারি সূত্র বলছে ভারতে যে পরিমানে তেল রয়েছে তাতে হয়তো ২৫ দিন চলে যাবে। তারপরও যদি এই উত্তেজনা না কমে তাহলে কী হবে?
একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর কথা ভাবছে নয়া দিল্লি। আর তাই যদি হয় তাহলে অন্য একটি সমস্যায় পড়বে ভারত। কারণ, ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের যে চুক্তি হয়েছিল তাতে এই কথা স্পষ্ট করেই বলা হয়েছিল যে ভারত ধীরে ধীরে মস্কোর উপর থেকে তেলের যে নির্ভরতা, সেটা কমিয়ে ফেলবে।
In view of ongoing geopolitical developments in the Middle East, the Minister of Petroleum & Natural Gas reviewed the supply situation for crude oil, LPG, and other petroleum products with senior officials from the Ministry and PSUs.
— Ministry of Petroleum and Natural Gas #MoPNG (@PetroleumMin) March 2, 2026
We are continuously monitoring the evolving… pic.twitter.com/N4tZHktXSM
সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, কাতার লিক্যুইফায়েড ন্যাচরাল গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। আর তারপরই ভারতীয় তেল সংস্থাগুলো শিল্পক্ষেত্রে এই প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। সূত্র বলছে, ভারত ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত এলএনজি সরবরাহ কমিয়ে দিতে পারে। কারণ, প্রয়োজনীয় এলএনজির প্রায় ৬০ শতাংশ আর প্রায় সমস্ত এলপিজিই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আমদানি করে আমাদের দেশ।























