কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের মতে, প্রতিটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের উচিত কন্টেন্ট নির্মাতাদের সঙ্গে ন্যায্যভাবে রাজস্ব শেয়ার করা।
Social Media Content Creator: আপনি কনটেন্ট ক্রিয়েটর? সোশাল মিডিয়ার জন্য কনটেন্ট বানান? 'ইনকাম' নিয়ে এবার বড় ভাবনা কেন্দ্রের
IT Minister Ashwini Vaishnaw: সরকার যখন একাধিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের চারদিকে নিয়মের একটা বেড়াজাল তৈরি করছে, তখনই উল্লেখযোগ্য মন্তব্য করেছেন দেশের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী।

কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের (Ashwini Vaishnaw) মুখে সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media) প্ল্যাটফর্মগুলোর বিরুদ্ধে শোনা গেল কড়া বার্তা। ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি বলেন, প্রতিটা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের উচিত যাঁরা কন্টেন্ট তৈরি করেন তাঁদের সঙ্গে ন্যায্য ভাবে রেভেনিউ শেয়ার করা। এর মধ্যে যেমন রয়েছে একাধিক মিডিয়া হাউস, তেমনই রয়েছেন অধ্যাপক বা গবেষক আবার রয়েছেন সংবাদিকও।
তিনি বলেন, এই ক্ষেত্রে যে কোনও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম যে রাজস্ব পায়, তা সঠিক ভাবে বাগ করার জন্য একটা স্পষ্ট নীতি ও স্পষ্ট ইকোসিস্টেম তৈরি করা দরকার। তাঁর মতে যাঁরা অনেক দূর্গম কোথাও বসে কোনও কন্টেন্ট তৈরি করছেন, সে তাঁরা পেশায় সাংবাদিক হন বা কোনও শিক্ষাবিদ, তাঁদের প্রত্যেকেরই সঠিক পরিমাণ রাজস্ব প্রাপ্য।
এর কারণ হিসাবে বলতে গিয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) বলেন, ব্যক্তি বা সংস্থা যায় হোক না কেন, এই আপলোড করা কন্টেন্টগুলো থেকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোও উপকৃত হয়। আর সেই কারণেই কন্টেন্ট নির্মাতাদের ন্যায্য লভ্যাংশ পাওয়া উচিত। আর এই প্রক্রিয়ার একাধারে অনেকগুলো সুবিধাও পাবে অবশ্য আমাদের দেশ। প্রথমত, কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের উপার্জন বাড়লে তার একটা প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে। দ্বিতীয়ত, কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে পেশা হিসাবে এখন অনেকেই বেছে নেন, আগামীতে এর সংখ্যা বাড়তেও পারে। আর এমন হলে ভারতের ডিজিটাল কন্টেন্ট ভিত্তিক যে অর্থনীতি, সেটা আরও শক্তিশালী হবে।
সরকার যখন একাধিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের চারদিকে নিয়মের একটা বেড়াজাল তৈরি করছে, তখনই এই মন্তব্য করেছেন দেশের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী। উল্লেখ্য, গত বছর দেশের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক ২০২১ সালের তথ্য প্রযুক্তি বিধিতে একটা সংশোধনের কথা বলেছিল। যার লক্ষ্য ডিপফএক ও এআই থেকে প্রাপ্ত ভুল তথ্যকে খুঁজে বের করে তার মোকাবিলা করা।
সেই সংশোধনে বলা হয়েছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি কন্টেন্টের ক্ষেত্রে লেবেল দিয়ে মার্ক করতে হবে। এর সঙ্গে একটা শক্তিশালী মেটাডেটা (Meta Data) বা শনাক্তকারী কোডও এমবেড করতে হবে। এ ছাড়াও এই প্রক্রিয়া যে করা হয়েছে তা দেশের প্রধান সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো, যেমন ফেসবুক, ইউটিউব বা স্ন্যাপ চ্যাটয়ের মতো প্ল্যাটফর্মদের নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছিল।
তথ্যসূত্র: IANS
Frequently Asked Questions
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর উচিত কন্টেন্ট নির্মাতাদের সঙ্গে কী শেয়ার করা?
কন্টেন্ট নির্মাতাদের রাজস্ব ভাগের জন্য কী প্রয়োজন?
রাজস্ব সঠিক ভাবে ভাগ করার জন্য একটি স্পষ্ট নীতি এবং একটি স্পষ্ট ইকোসিস্টেম তৈরি করা প্রয়োজন।
কন্টেন্ট নির্মাতাদের ন্যায্য লভ্যাংশ পাওয়ার কারণ কী?
ব্যক্তি বা সংস্থা নির্বিশেষে, আপলোড করা কন্টেন্ট থেকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো উপকৃত হয়, তাই কন্টেন্ট নির্মাতাদের ন্যায্য লভ্যাংশ প্রাপ্য।
কন্টেন্ট নির্মাতাদের উপার্জন বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে?
কন্টেন্ট নির্মাতাদের উপার্জন বাড়লে তা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং ভারতের ডিজিটাল কন্টেন্ট ভিত্তিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।























