Bengal Government Job: চাকরিতে বয়সের উর্ধ্বসীমা, ৫ বছর বাড়ানোর ঘোষণায় ‘সাধুবাদ’, রাজ্যের নতুন সরকারের কাছে কী দাবি চাকরি প্রার্থীদের ? " শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়.."
Job Candidate Reaction On Bengal Govt Job: চাকরির ক্ষেত্রে বয়সের উর্ধ্বসীমা, ৫ বছর বাড়ানো হবে ঘোষণা হতেই, কী প্রতিক্রিয়া চাকরি প্রার্থীদের ?

কলকাতা: বিজেপির সংকল্পপত্রে আগেই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। চাকরির ক্ষেত্রে বয়সের উর্ধ্বসীমা, ৫ বছর বাড়ানো হবে, সেই সমস্ত শিক্ষিত যুবক যুবতীদের জন্য, যারা বঞ্চিত হয়েছেন দীর্ঘদিন। ৫ বছরের বয়সের উর্ধ্বসীমায় ছাড় পাবেন তাঁরা। আজ সেই সিদ্ধান্তে, প্রথম মন্ত্রীসভার বৈঠকে ছাড়পত্র দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই, প্রতিক্রিয়া দিলেন চাকরি প্রার্থী চিন্ময় মণ্ডল এবং প্রাইমারি টেট পাস চাকরি প্রার্থী অচিন্ত্য সামন্ত।
আরও পড়ুন, গ্রেফতারির পরই 'অসুস্থ' সুজিত বসু, ED অফিসারদের জানালেন "শ্বাসকষ্ট হচ্ছে.."
চাকরি প্রার্থী চিন্ময় মণ্ডল বলেন, বেকার যুবক-যুবতীরা বিগত দশ থেকে পনেরো বছর ধরে, পূর্বতন সরকারের উপরে এতটাই ক্ষুব্ধ ছিল, যে তাঁরা নতুন চাকরির দিশা দেখতে পাচ্ছিল না। পরীক্ষায় বসার সুযোগটুকু পাচ্ছিল না। পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে বিভিন্ন কাজে তাঁরা নিযুক্ত হয়ে যাচ্ছিল। আজকে তাঁদের জন্য একটা নতুন পদক্ষেপ এই পরিবর্তনের সরকার করল। যেটাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। ৫ বছরের বয়সের ছাড় দিয়ে, তাঁদেরকে যখনই সরকারি চাকরির পরীক্ষার কোনও আবেদন বেরোবে, সেই সুযোগটুকু অন্তত দিল। পরীক্ষায় বসতে পারবে, এবং সরকারি চাকরির যে আশাটা, আকাঙ্খাটা, সেটা পূরণ করার সুয়োগ নিশ্চয়ই পাবে।আমরা সাধুবাদ জানাই, এই প্রচেষ্টাকে সরকারের। এবং আগামী দিনে আমরা এটাও চাইব, ২০১৬ যারা যোগ্য চাকরিহারা, যারা রাস্তায় দিনের পর দিন রাস্তায় শুয়ে থেকেছে, আন্দোলন করেছে, কিন্তু বিগত সরকার তাঁদের দিকে তাঁকায়নি। শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়, যিনি এখন আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী, তিনি আমাদের কথা দিয়েছিলেন, যোগ্য চাকরিহারা যারা, তাঁদের চাকরি, ২০১৬ ,সালের প্যানেল ফেরানোর চেষ্টা তিনি করবেন। আমরা আশাবাদী, এবং আমরা চাইব, যেন এই পরিবর্তনের সরকার, যাদের পাশে সমস্ত যোগ্য চাকরিহারারা ছিল, তাঁরা যেন সেই ব্যবস্থাটা দ্রুতই করে।
প্রাইমারি টেটপাস চাকরিপার্থী অচিন্ত সামন্ত বলেছেন, খুব ভাল উদ্যোগ। ওনারা এই চাকরি প্রার্থীদের কথা ভাবছেন। এটা আমাদের চাকরি প্রার্থীদের জন্য পজিটিভ দিক। কিন্তু আমাদের আজকে যে, বয়েসটা প্রায় শেষের দিকে চলে গিয়েছে, এর জন্য তো আমরা দায়ী নই। দায়ী পূর্বতন সরকার। এবং তাঁদের দুর্নীতি। তাঁদের দুর্নীতির কারণে অযোগ্যগুলি এখনও চাকরি করছে। তাঁদের দুর্নীতির কারণে আমরা যোগ্যরা রাস্তায় বা বাড়িতে বসে আছি। এই জায়গাটা নিয়ে সরকার কী ভাবছেন, আমরা চাকরি প্রার্থীরা সরকারকে অনুরোধ করব, এই জায়গাটা বিশেষভাবে ভাবার। কারণ আমাদের যে অধিকার, আমরা যোগ্য হয়েও আমরা চাকরি পাইনি। সেই অধিকারটা আমাদের ফিরিয়ে দিতে হবে।





















