Bengal SIR: "CEO-কে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে হবে..", SIR ইস্যুতে রাতভর ধর্নার পর এখনও অবস্থান-বিক্ষোভ বামেদের
Bengal SIR Left Front Agitation: SIR ইস্যুতে CEO অফিসের বাইরে রাতভর ধর্নার পর এখনও অবস্থান-বিক্ষোভ বামেদের।

কলকাতা: SIR ইস্যুতে CEO অফিসের বাইরে রাতভর ধর্নার পর এখনও অবস্থান-বিক্ষোভ বামেদের। CEO-কে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে হবে, ডেপুটেশন জমা নিতে হবে, দাবি বামেদের। CEO অফিসের বাইরে লাগাতার অবস্থান-বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন বাম নেতাকর্মীরা। দুপুরে বামেদের জমায়েত কর্মসূচিও রয়েছে। দাবি মানা না হলে, অবস্থান-বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি বাম নেতৃত্বর।
আরও পড়ুন, অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য, যুদ্ধের আজ ষষ্ঠ দিন, ইরানে এখনও পর্যন্ত ১ হাজার ১৪৫ জনের মৃত্যু !
একদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা, আর এদিকে, ভোটযুদ্ধের জোরদার প্রস্তুতি...! নির্বাচন কমিশনের কড়া বার্তার পরই কলকাতার স্পর্শকাতর বুথ এলাকায় টহলদারি শুরু করল কেন্দ্রীয় বাহিনী। নজিরবিহীনভাবে এবার ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে এসে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুরু হয়ে গিয়েছে রুটমার্চ। সকালে চারুচন্দ্র কলেজ থেকে বেরিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রাসবিহারী অ্যাভিনিউ থেকে লেক রোড সহ একাধিক রাস্তায় রুটমার্চ করে। টালিগঞ্জ থানা এলাকাতেও এদিন এরিয়া ডমিনেশন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। অন্যদিকে, তালতলা থানা এলাকায় রুটমার্চ করে বুথে বুথে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বিগত নির্বাচনে কলকাতার যে সব বুথ স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল, তারই একটি হল তালতলার রানি রাসমণি হাইস্কুল। সেই কথা মাথায় রেখে এদিন পুলিশের সঙ্গে রানি রাসমণি স্কুলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। লোকসভা হোক বা বিধানসভা - ভোট এলেই অশান্ত হয়ে ওয়ে ওঠে কলকাতা পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের শহিদ স্মৃতি এলাকা।
এদিন সকালে পঞ্চসায়র থানা এলাকার চকগড়য়া থেকে শহিদ স্মৃতি -বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট করানো। সেই জন্যই আমরা এসেছি। বেহালার বুড়ো শিবতলা মেন রোড, রায়বাহাদুর রোডেও দেখা যায় এক ছবি। এখানে রুটমার্চ করেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর মহিলা জওয়ানরা। সঙ্গে ছিল বেহালা থানার পুলিশ। এই আবহে এদিন, SIR ইস্যুতে CEO অফিসের বাইরে রাতভর অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করে বামফ্রন্ট। চলবে আজ দুপুর পর্যন্ত। ভোটারদের হয়রানির প্রতিবাদ, নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্তের অভিযোগকে সামনে রেখে টি বোর্ডের সামনে থেকে মিছিল করে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসের সামনে আসেন বামফ্রন্ট নেতা-কর্মীরা। মিছিলে হাঁটেন বিমান বসু, মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তীরা। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, CEO এদিন অফিসে আসেননি।























