PM Modi Rally : গ্যাসের হাহাকারের মধ্য়েই মোদির সভার আগে ঢালাও খাবারের আয়োজন, মেন্যুতে চিকেন, পাঁঠার মাংস
West Bengal Assembly Election: জঙ্গলমহল, গড়বেতা থেকে প্রচুর মানুষ এসেছেন এই ব্রিগেডে। ব্রিগেডের কিছুটা দূরেই রান্নার আয়োজন করা হয়েছে। পাঁঠার মাংস, চিকেন কোনও কিছুই বাদ যাচ্ছে না।

কলকাতা: নরেন্দ্র মোদি বাংলায় আসছে। আর তাতে চমক থাকবে না, তা আবার হয় না কি! দুপুরে মোদির ব্রিগেড সমাবেশ। আর সেই সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়ার আগে তো ভাল মত পেটপুজো দরকার। সেই জন্য বিজপি কর্মী-সমর্থকদের জন্য দলের পক্ষ থেকে ধর্মতলায় ঢালাও আয়োজন। একেবারে যেন পিকনিকের মুড দেখা দিয়েছে ইডেন গার্ডেন্সের সামনে।
জঙ্গলমহল, গড়বেতা থেকে প্রচুর মানুষ এসেছেন এই ব্রিগেডে। ব্রিগেডের কিছুটা দূরেই রান্নার আয়োজন করা হয়েছে। পাঁঠার মাংস, চিকেন কোনও কিছুই বাদ যাচ্ছে না। এরমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে যে যখন চারিদিকে গ্যাসের হাহাকার, সেই পরিস্থিতিতে এভাবে ঢালাও খাবারের আয়োজন? বিজেপি কর্মীরা জানাচ্ছেন অর্ধেক গ্যাস নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়া অনেকেই বলছেন অর্ধেক সিলন্ডার নিয়ে এসেছেন। কেউ কমার্সিয়াল সিলিন্ডার এনেছেন তো কেউ বাড়ি থেকেই গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে এসেছেন।
অনেক বিজেপি সমর্থকদের জন্য ডিমভাত রান্নার আয়োজনও দেখা গেল ঢালাওভাবে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ বিভিন্ন এলাকা থেকে সমর্থকরা এসেছেন। নদিয়া থেকে অনেকে এসেছেন। সকালে মুড়ি-ঘুগনি দিয়ে টিফিন ও দুপুরে চিকেন থাকছে মেন্যুতে।
এদিকে, দেশজুড়ে গ্যাস সঙ্কটের মধ্যে গ্যাসের সিলিন্ডারের দেদার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সোশ্য়াল মিডিয়ায় পোস্ট করে কুণাল লিখেছেন, ''যাঁরা গ্যাসের জন্যে লাইনে দাঁড়িয়ে, তাঁরা জেনে রাখুন। আজ ব্রিগেডে প্রচুর গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে।''
এদিকে, কুণাল ঘোষের পোস্টের পাল্টা বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলছেন, ''মানুষকে ভয় দেখিয়ে রাজনীতি করছে তৃণমূল কংগ্রেস। মানুষকে ভুল বুঝিয়ে এরা রাজনীতি করছে। মানুষ এটা বুঝতে শুরু করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় যখন সিলিন্ডার মাথায় নিয়ে রাজনীতি করবেন, তখন সবাই বুঝতে পারবে এর পেছনে আসলে কে দায়ী। কালোবাজারিদের তৃণমূল উৎসাহিত করছে। ফলে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে।''
ভোটের মুখে বিজেপির শক্তি পরীক্ষা বলাই যায় এই ব্রিগেড। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়া যেখানে কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা, সেখান প্রধানমন্ত্রী শহরে আসছেন। ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের ছোঁয়া। ৮০ ফুট চওড়া মূল মঞ্চে থাকছে দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের ছবি। দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের পাশাপাশি ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে। দার্জিলিঙের চা বাগান থেকে বাঁকুড়ার টেরাকোটা শিল্পের ছবি ঠাঁই পেয়েছে মঞ্চে। সভার আগেই মঞ্চ ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
























