Goghat Trinamool: মাটির বাড়ি থেকে তিনতলা অট্টালিকা, এবার টাকা ফেরত চেয়ে পোস্টার পড়ল ওই তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে
Hooghly TMC: শাহাবুদ্দিন খান একসময় গোঘাট-২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি ব্লক তৃণমূলের সভাপতির পদও পান। তার পরের কয়েক বছর কার্যত গোঘাট ২ নং ব্লকে শাসন করতে থাকেন শাহাবুদ্দিন।

বাপন সাঁতরা, গোঘাট, হুগলি: একসময় থাকতেন জরাজীর্ণ মাটির বাড়িতে। তারপর মাত্র ১০ বছরে উল্কার গতিতে উত্থান। তৃণমূল আমলে সেই মাটির বাড়ি পরিণত হয় তিনতলা অট্টালিকায়। আর এরই মধ্যে গোঘাটের ত্রাস হয়ে ওঠেন দুই ভাই, গিয়াসউদ্দিন খান ও শাহাবুদ্দিন খান।
এবার রাজ্যে পালা বদল হয়েছে। নির্বাচনে হেরে রাজ্যের শাসক থেকে বিধানসভার প্রধান বিরোধী দলে পরিণত তৃণমূল। পশ্চিমবঙ্গের শাসন ক্ষমতা এসেছে বিজেপির হতে। আর তারপরই কাটমানি ও দুর্নীতির টাকা ফেরত চেয়ে এবার ওই দুই তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে পড়ল পোস্টার। এমনকী দুই ভাইয়ের অত্যাচারের কাহিনি শোনাতে গিয়ে ফিরে এল সন্দেশখালির স্মৃতিও।
দুই ভাইয়ের মধ্যে বড়, শাহাবুদ্দিন খান একসময় গোঘাট-২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি ব্লক তৃণমূলের সভাপতির পদও পান। তার পরের কয়েক বছর কার্যত গোঘাট ২ নং ব্লকে শাসন করতে থাকেন শাহাবুদ্দিন। আর সেই দাদার হাত ধরেই রাজনীতিতে পা রাখেন ছোট ভাই গিয়াসউদ্দিন। তারপর শুরু হয় উল্কার গতিতে উত্থান।
আরও পড়ুন: হাওয়া দিলেই 'দুলছে' মেসির মূর্তি! যে কোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা!
২০১৮ সালে শ্যামবাজার পঞ্চায়েতের প্রধান হন গিয়াসউদ্দিন। আর তারপরই তিনি পৌঁছে যান ধরাছোঁয়ার বাইরে। মাটির বাড়ি ছেড়ে তৈরি করেন পেল্লাই তিনতলা বাড়ি। এলাকার এলাকার মানুষ আরও অভিযোগ করেন এই গিয়াসউদ্দিনের বিরুদ্ধে যে তিনি নিজের বাড়ির পাশেই নিজের এক নিকট আত্মীয়কেও প্রাসাদপম বাড়ি তৈরি করে দিয়েছেন। গিয়াসউদ্দিনের দাদা শাহাবুদ্দিনেরও রয়েছে ২ টো বাড়ি। গ্রামে একটি একতলা পাকা বাড়ির পাশাপাশি তাঁর আরামবাগ শহরেও একটি বাড়ি রয়েছে।
গোঘাটের মানুষের দাবি, শাহাবুদ্দিন ও গিয়াসউদ্দিন এই দুই ভাইয়ের প্রতিপত্তির মূল উৎস কাটমানি, তোলাবাজি ও দুর্নীতি। গোঘাটের শ্যামবাজার পঞ্চায়েতের শান্তিপুর থেকে পিচ রাস্তা ধরে কিছুটা এগলেই চোখে পড়বে অট্টালিকা সম এই বাড়িগুলি। অভিযোগ, শুধু প্রভাব-প্রতিপত্তিই নয়, তৃণমূল নেতা ও তার দলবলের লালসার শিকার হতে হয়েছে বহু মহিলাকেও। কোনও মহিলার উপর তাদের নজর পড়লেই রাতে তাদের জন্য ঘরের দরজা খুলে রাখতে হত বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন এলাকার মানুষ।
এ ছাড়াও, এই নেতারা বাজারের ব্যাগ নিয়ে গেলে বিনা পয়সায় সব্জির ব্যাগ ভরে দিতে হতো বিক্রেতাদের। প্রতিবাদ করলেই মারধর, ঘর ভাঙচুর করা হত। আগুন লাগিয়েও দেওয়া হত বাড়ি-ঘরে। রাজ্যে পালাবদল হতেই এবার মুখ খুলছেন এলাকার মানুষ। তবে দুই তৃণমূল নেতাই এলাকায় নেই। ফোনে দাবি করেন, তাঁদের নামে মিথ্যা অভিযোগ তুলে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
Before You Go
Ritabrata Banerjee: 'অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংগঠনে সং আছে গঠন নেই', আক্রমণ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের





















