TMC Leader Arrested: তোলাবাজিতে জিরো টলারেন্স নীতি সরকারের, এবার জালে কামারপুকুরের পঞ্চায়েত প্রধান রাজদীপ দে
Extorsion Allegation: ধ্ররত পঞ্চায়েত প্রধান তৃণমূলের আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তথা তারকেশ্বরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রামেন্দু সিংহ রায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।

বাপন সাঁতরা, হুগলি : প্রভাব খাটিয়ে তোলাবাজি, হুমকি, মারধর-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানকে। ধৃত হুগলির কামারপুকুর পঞ্চায়েতের প্রধান রাজদীপ দে-এর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ছিল। এমনকী তিনি তৃণমূলের আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তথা তারকেশ্বরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রামেন্দু সিংহ রায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন। শনিবার রাতে তারকেশ্বর থেকে গোঘাটের দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত প্রধানকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই পঞ্চায়েত প্রধানকে এলাকায় দেখা যায়নি। রবিবার গোঘাট থানার পুলিশ রাজদীপকে আরামবাগ মহকুমা আদালতে পেশ করে। যদিও ধৃত আদালতে যাওয়ার সময় বলেন, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। রাজ্যজুড়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের এভাবে হেনস্তা করা চলছে।
BDO অফিসের ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে 'কাটমানি' নেওয়ার অভিযোগ ! ধাপে ধাপে নেওয়া হয়েছে প্রায় ৫ লাখ
গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতা বলছেন, 'তৃণমূল কংগ্রেস করার জন্য যেভাবে রাজ্যে সবাইকে হেনস্থা করা হচ্ছে... এটা নতুন কিছু নয়... কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করছে গণতন্ত্রের...।' পাল্টা গোঘাটের বিজেপি নেত্রী দোলন দাস বলছেন, 'উনি কামারপুকুরের বুকে যে সিন্ডিকেট, তোলাবাজির রাজনীতি করেছেন, কোটি কোটি টাকা যে দুর্নীতি করেছেন, তার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছে। আইন ব্যবস্থা নিয়েছে। আইন আইনের মতো সাজা দেবে। কিন্তু এ তো ছেলে গ্রেফতার হয়েছে? বাবা কোথায়? রামেন্দু সিংহ রায় কোথায়? রামেন্দু সিংহ রায় তো পঞ্চায়েত প্রধানের বাবা ছিলেন। এই কামারপুকুর থেকে কোটি কোটি টাকা, তোলাবাজির, দুর্নীতির, সিন্ডিকেটের টাকার ভাগ তো উনিও নিতেন। রামেন্দু সিংহ রায়কে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। আর এই পঞ্চায়েত প্রধানের ধনেখালিতে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি, তারকেশ্বরে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি, ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স, গাড়ি - সব বাজেয়াপ্ত করতে হবে। জনগণের টাকা জনগণকে ফিরিয়ে দিতে হবে এবং তার ব্যবস্থা প্রশাসনকেই করতে হবে।'
ক্ষমতায় এসেই দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্সের বার্তা দিয়েছিলেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। জেলার প্রথম প্রশাসনিক বৈঠক থেকেও তোলাবাজি, কাটমানির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যজুড়ে চলছে অ্যাকশন, ব্যাপক ধরপাকড়। তোলাবাজি বন্ধে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তার পর অ্যাকশন। কোচবিহার থেকে কৃষ্ণনগর-তারকেশ্বর, পরপর গ্রেফতার তৃণমূলের নেতা-নেত্রী। কোথাও তোলাবাজি, কোথাও হুমকি, কোথাও মারধরের অভিযোগ। পরপর গ্রেফতার তৃণমূল নেতা। তোলাবাজি থেকে দুর্নীতি। জিরো টলারেন্স নীতি সরকারের। চাপের মুখে কোথাও তোলাবাজির টাকা ফেরত। কোথাও টাকা ফেরতের দাবি। জেলায় জেলায় গ্রেফতারি। কাটমানির প্রতিবাদে জনরোষ।






















