Kolkata News: মদ্য়পান ও উচ্চস্বরে গান বাজানোর প্রতিবাদে ভয়াবহ 'মার' ! রক্তাক্ত প্রতিবেশী, মর্মান্তিক ঘটনা নিউটাউনে, গ্রেফতার ৭
Newtown Incident: নিউটাউনে উত্তেজনা, মদ্য়পান ও উচ্চস্বরে গান বাজানোর প্রতিবাদে হামলা

কলকাতা: মদ্য়পান ও উচ্চস্বরে গান বাজানোর প্রতিবাদ, আক্রান্ত প্রতিবাদী, গ্রেফতার ৭। নিউটাউনের যাত্রাগাছিতে রক্তাক্ত প্রতিবেশী। মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ যুবক-যুবতীর বিরুদ্ধে।
ফের প্রতিবাদ জানিয়ে আক্রমণের শিকার হতে হল বলে অভিযোগ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছিল নিউটাউনে। আক্রান্ত যাত্রাগাছির বাসিন্দা সওকত আলি। ঘটনাস্থলে ইকোপার্ক থানার পুলিশ, গ্রেফতার ৭। গত কয়েক বছর আগে প্রতিবাদ করে আক্রান্ত হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছিল। সল্টলেকের মহিষবাথানে ঘটনাটির সূত্রপাত। মহিলাদের কটূক্তির প্রতিবাদ করায় স্থানীয় ক্লাব সদস্যকে মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। বাড়িতে গিয়ে মায়ের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ছেলেকে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছিল। ওই যুবকের বাড়ি ও ক্লাবেও ভাঙচুর চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় গ্রেফতার ২ দুষ্কৃতী। রাত ১টা নাগাদ মহিষবাথানে বাড়ি ফিরছিলেন বেশ কয়েকজন তথ্যপ্রযুক্তিকর্মী।
অভিযোগ, সেইসময় কয়েকজন দুষ্কৃতী মত্ত অবস্থায় মহিলা তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের কটূক্তি করে। এর প্রতিবাদ করেন স্থানীয় ক্লাব সদস্য কার্তিক সাউ ও তাঁর সঙ্গীরা। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা পরে ক্লাবে চড়াও ভাঙচুর চালিয়েছিল। ক্লাব সদস্যদের দাবি, কয়েক রাউন্ড গুলিও চলেছিল। এরপর কার্তিকের বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁর মায়ের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ছেলেকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। গ্রেফতার করা হয়েছিল দুইজনকে।
অন্যায়ের প্রতিবাদের আরও একাধিক ব্যাতিক্রমী ঘটনার উদাহরণ রয়েছে এরাজ্যে। এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে ট্যাংরাখালির এক দম্পতি, বাড়ির সামনে মদ্যপান ও গালিগালাজের প্রতিবাদ করে আক্রান্ত হয়েছিলেন। প্রতিবাদী ওই দম্পতিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল এলাকারই তিন প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে। মূলত ওই দম্পতির বাড়ির সামনে মদ্যপান করছিল ৩ প্রতিবেশী। এই ঘটনা দেখে দম্পতি প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তারপরেই ঘটনা মোড় নেয়। বাড়ির একেবারে ভিতরে ঢুকে প্রথমে মহিলাকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন স্বামী। লোহার রড দিয়ে মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছিল। গুরুতর আহত অবস্থায় দম্পতিকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারাই।
এখানেই শেষ নয়, গতবছর একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় রায় দিয়েছিল আদালত। দত্তপুকুরে মদের আসরে স্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন স্বামী। অভিযুক্তকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করেছিলেন তিনি। ঘটনার এক বছর পর পঁচিশ সালে রায় দান করেছিল বারাসাত আদালত। স্বামীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা জরিমানা করেছিল আদালত।























