Malda News: স্ত্রী-সন্তানের দেহ মর্গে রেখেই SIR শুনানিতে হাজিরা শিক্ষকের
SIR Hearing: SIR শুনানিতে হাজিরা দিতে যাওয়ার পথেই টোটো দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন ওই শিক্ষকের স্ত্রী এবং সন্তান। হাসপাতালে নিয়ে গেলে ২ জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

সোমক লাহিড়ি, মালদা : দুর্ঘটনায় স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর পরও SIR শুনানিতে হাজিরা। মর্গে দেহ রেখেই SIR শুনানিতে হাজিরা মাদ্রাসা শিক্ষকের। মর্মান্তিক ঘটনা মালদার কালিয়াচকের সুজাপুরে। সুজাপুরের মাদ্রাসা শিক্ষক মহম্মদ ইয়াসিন আনসারিকে শুনানিতে ডাক। হাজিরা দিতে সপরিবারে টোটোয় ইংরেজবাজারে যাচ্ছিলেন মাদ্রাসা শিক্ষক। ইংরেজবাজার যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে টোটো। গুরুতর আহত হন ইয়াসিনের স্ত্রী ও সন্তান। মালদা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেলে ২ জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। তাঁদের দেহ মর্গে রেখেই শুনানি কেন্দ্রে হাজিরা দেন শিক্ষক।
দুর্ঘটনা কেড়েছে স্ত্রী ও ন'মাসের সন্তানকে। মর্গে দেহ রেখে SIR-এর শুনানিতে হাজির মালদহের কালিয়াচকের সুজাপুর নয়মৌজা হাই মাদ্রাসার শিক্ষক মহম্মদ ইয়াসিন আনসারি। এমনই দাবি তাঁর। SIR-এর শুনানিতে হাজিরা দিতে বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারকে সঙ্গে করে টোটোতে করে বেরলে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনায় মৃত্য়ু হয় স্ত্রী ও একরত্তি সন্তানের। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা।
ন মাসের ফুটফুটে ছেলেটা আর নেই। দুর্ঘটনা কেড়েছে স্ত্রীর প্রাণও। SIR-এর শুনানিতে হাজিরা দিতে এসে পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে স্ত্রী-সন্তানকে হারিয়েছেন সুজাপুর নয়মৌজা হাই মাদ্রাসার শিক্ষক মহম্মদ ইয়াসিন আনসারি। তাঁর দাবি, স্ত্রী সন্তাুনের দেহ মর্গে রেখে পরদিনই SIR-এর শুনানিতে আসতে হয়েছে তাঁকে। কালিয়াচকের সুজাপুর নয়মৌজা হাই মাদ্রাসার শিক্ষক মহম্মদ ইয়াসিন আনসারি। কর্মসূত্রে সুজাপুরেই থাকেন তিনি। নামের বানান ভুল থাকায় শুক্রবার গাজোলে শুনানিতে ডাক পড়েছিল ওই শিক্ষকের। বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে টোটো করে বের হন তিনি। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের সুস্থানী মোড়ে টোটোর সঙ্গে গাড়ির ধাক্কা হয়। দুর্ঘটনার জেরে মৃত্য়ু হয় তাঁর স্ত্রী হালিমা খাতুন ও ন'মাসের সন্তান আরিফ হোসেনের।
এদিকে, এই মর্মান্তিক এই ঘটনা সামনে আসতেই এ নিয়ে সরব হয়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক্স পোস্টে লেখা হয়েছে, শিক্ষক মহম্মদ ইয়াসিন আনসারি SIR-এর শুনানিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর স্ত্রী ও নয় মাস বয়সী সন্তানকে হারান। তাদের নিথর দেহ মর্গে পাঠানো হয়। তিনি আহত অবস্থায় বেঁচে যান, কিন্তু শোকে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন। পরদিনই, এই শোকাহত মানুষটিকে SIR-এর শুনানিতে হাজির হতে বাধ্য করা হল। এই ঘটনা ঘিরে একদিকে যেমন তুঙ্গে উঠেছে রাজনীতি, অন্যদিকে, এদিনই মালদার ইংরেজবাজারে শুনানি কেন্দ্রগুলিতে শেষ দিনে লম্বা লাইনের ছবি ধরা পড়েছে।























