News Live Updates: নির্বাচনের পরেও চাঁচলে অব্যাহত কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, ইশা খান চৌধুরী, মৌসম নুরদের সামনেই হাতাহাতি, ধস্তাধস্তি
West Bengal News Live Updates: জেনে নিন খবরের প্রতি মুহূর্তের আপডেট।

প্রেক্ষাপট
কালীঘাট তৃণমূলে আরও ভাঙন। এবার রাজ্য় সভানেত্রী পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। দায়িত্ব পাওয়ার মাস খানেকের মধ্যেই ইস্তফা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন মন্ত্রীর। (Mamata Banerjee) দলীয় পদের পাশাপাশি অন্যান্য দায়িত্বও ছাড়লেন চন্দ্রিমা...More
রাস্তা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ। তৃণমূল কাউন্সিলর ও তাঁর স্বামীকে ভাঙা রাস্তায় হাঁটিয়ে প্রতিবাদ। নদিয়ার শান্তিপুরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ঘটনা। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভের মুখ তৃণমূল কাউন্সিলর পুষ্প দাস ও তাঁর স্বামী সত্যনারায়ণ দাস। দু-জনকে প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তা হাঁটাল এলাকাবাসী।
এক গাড়িচালকের এক কোটি টাকা জেতা লটারি টিকিট আত্মসাৎ করার অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ, তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষ ও গ্রেফতার হওয়া পানিহাটি পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জয়ন্ত দাসের বিরুদ্ধে। ঘটনায় সুশান্ত সরকার নামে এক হোটেল মালিককে গ্রেফতার করেছে খড়দা থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে একটি হোটেলের মালিক সুশান্তর গাড়ি চালাতেন এক ব্যক্তি। তিনি লটারিতে এক কোটি টাকা জেতেন। তা জানতে পেরে তাঁকে নির্মল ঘোষের বাড়িতে নিয়ে যান সুশান্ত। সেখানে আগ্নেয়স্ত দেখিয়ে এবং মারধর করে লটারির টিকিটটি কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পালা বদলের পর পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন গাড়িচালক।
পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করুন, ফের শিল্প-বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। 'শিল্পের প্রথম শর্ত সুষ্ঠু আইনশৃঙ্খলা। আগের সরকারের আমলে গুন্ডা, সিন্ডিকেট-রাজ চলত। BGBS নিয়ে আগের তৃণমূল সরকারের মিথ্যাচার। পশ্চিমবঙ্গের কাছে সবরকম সম্পদ আছে, এখানে বিনিয়োগ করুন। বিনিয়োগের জন্য সবরকম সাহায্য় করবে রাজ্য সরকার। পরিস্থিতি বদলাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করুন। বিনিয়োগকারীদের জন্য শিল্প-বান্ধব পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। লগ্নিকারীদের জন্য ইনসেনটিভ দেবে রাজ্য সরকার', পশ্চিমবঙ্গে লগ্নি টানতে বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।
পালাবদলের পর ফের পশ্চিমবঙ্গে আসছেন অমিত শাহ। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী সোমবার এরাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সোমবার দুপুর ৩টে ৫০ মিনিটে কলকাতা বিমানবন্দরে নামবেন অমিত শাহ। সেখান থেকে প্রথমেই তিনি যাবেন ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে। এরপর ইকো পার্কে যাবেন অমিত শাহ। সেখানে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তি উন্মোচন করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর যোগ দেবেন মিলন মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে। সোমবার রাতেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
নির্বাচনের পরেও চাঁচলে অব্যাহত কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। জেলা সভাপতি সহ নেতৃত্বের সামনেই দলীয় কার্যালয় দখল নিয়ে দু'পক্ষের সংঘর্ষ। জেলা সভাপতি ইশা খান চৌধুরী, মৌসম নুরদের সামনেই হাতাহাতি, ধস্তাধস্তি।
দেবরাজ চক্রবর্তীর গ্রেফতারির পর, এবার তদন্তকারীদের আতসকাচের নীচে তাঁর ঘনিষ্ঠরা। তোলাবাজির অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আজ তলব করা হয় বিধাননগর পুরসভার ৬ প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরকে। নোটিস দেওয়া হয় দেবরাজ চক্রবর্তীর ছায়াসঙ্গী তৃণমূল নেতা রতন মৃধাকেও। যদিও কেউই আজ হাজিরা দেননি বাগুইআটি থানায়।
একযোগে তৃণমূল ও বামেদের নিশানা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। বললেন, 'বাম আমলে পিছিয়ে পড়েছিল পশ্চিমবঙ্গ। তৃণমূল আমলে ১৫ বছর ধরে তোষণের রাজনীতি। অনুপ্রবেশকারীদের কেন পশ্চিমবঙ্গে রাখব? কেন অনুপ্রবেশকারীদের জন্য পয়সা খরচ করব? সবাই সবার মতো ধর্ম পালন করুন, কিন্তু রাস্তা আটকে নয়। গুন্ডাদমন বিলের পর অভিন্ন দেওয়ানি বিধিও লাগু হবে। ধীরে ধীরে সব পদক্ষেপ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বদলাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করুন। বিনিয়োগকারীদের জন্য শিল্প-বান্ধব পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। লগ্নিকারীদের জন্য ইনসেনটিভ দেবে রাজ্য সরকার।'
'সব শেষ। দল ছেড়ে চলেযাচ্ছে। তৃণমূলের এখন একমাত্র জায়গা হচ্ছে মডার্ন ইসলামিক হিস্ট্রির সিলেবাসে', বললেন শমীক ভট্টাচার্য।
ভাল করে খোঁজ নিন, যাদের নাম ঘোষণা হচ্ছে। সপ্তাহদুয়েক আগে যদি বেরোয় যে, 'বিধানসভায় শপথগ্রহণের আগে থেকে কোথায় মেসেজ পাঠিয়েছেন, আমার সঙ্গে সাত জন আছে'। আমি আজ আর একটা কথা দায়িত্ব নিয়ে বলছি, কার টাকা কোথায়, কোন দেশে, কোন সাংবাদিকের ভাইয়ের কাছে আছে, এগুলো কিন্তু এবার ধীরে ধীরে সামনে আসবে। কোন টাকা, সারদার টাকা, না অন্য কিছুর টাকা, কোন সাংবাদিকের বিদেশে কর্মরত ভাই, তার কাছে ইউরোপে পাচার হয়েছে, আমরা কিন্তু তদন্তের দাবি জানাব: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
'চন্দ্রিমার পদত্যাগ, বার বার মুখ পুড়ছে কালীঘাট-তৃণমূলের। রাজ্য সভানেত্রীও ইস্তফা দিলেন, যাঁদের নাম ঘোষণা করছেন, খোঁজ নিয়ে করুন। কমিটিতে যাঁদের নাম ঘোষণা করছেন, তাঁরা আদৌ থাকবেন তো?', 'কালীঘাট-তৃণমূল'-এ ভাঙন নিয়ে জল্পনা বাড়ালেন ঋতব্রত। বললেন, 'প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে মালিক ছাড়া আর কাউকে ভরসা করা যায় না। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মানসিকতা কী চন্দ্রিমার কথায় স্পষ্ট। কাচের ঘরে বসে ঢিল মারবেন না', কটাক্ষ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
ভেঙে খান খান তৃণমূল। বিধায়ক তাপস মাইতির বিরুদ্ধে পোস্টার ডোমজুড়ে। 'ঋতব্রত-তৃণমূল'-এর তাপস মাইতির বিরুদ্ধে পোস্টার। 'মীরজাফর', 'বেইমান', 'গদ্দার' লেখা পোস্টার। প্রতিক্রিয়া দিতে নারাজ বিধায়ক তাপস মাইতি। পোস্টারে পরানো জুতোর মালাও।
শক্তিপুর থানায় হাজিরা এড়িয়ে রেজিনগর থানায় হুমায়ুন কবীর। রেজিনগরে উস্কানি-ভাষণ মামলায় হুমায়ুন কবীরকে জিজ্ঞাসাবাদ। প্রায় ৪ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদের পরে ফের ১৪ জুলাই হুমায়ুনকে তলব। নির্ধারিত সময়ের ৩ মিনিট আগে রেজিনগর থানায় এলেন হুমায়ুন কবীর। সকাল সাড়ে ১১টায় তলব করা হয়েছিল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ককে। রেজিনগরের কাশীপুরে এক সভায় উস্কানিমূলক মন্তব্য মামলায় তলব করা হয়েছে হুমায়ুনকে। প্রকাশ্যে শক্তিপুর থানার ওসি-র উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দেওয়ার মামলায় কাল হাজিরা দেননি হুমায়ুন। গতকাল হাজিরা না দেওয়ায় পুলিশ হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে কী কোনও পদক্ষেপ করবে?
সেবাশ্রয় নিয়ে এবার স্বতঃপ্রণোদিত তদন্ত শুরু করল রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে কোনও সরকারি অর্ডার কি হয়েছিল? নাকি মুখের কথায় স্বাস্থ্য কর্তারা উপস্থিত ছিলেন সেবাশ্রয়ে? স্বাস্থ্য দফতরের কে এবং কারা সেবাশ্রয়-এর সঙ্গে জড়িত ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেবাশ্রয়ে যে মেশিনগুলি ছিল, সেগুলো কোথা থেকে এসেছিল? সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের সেবাশ্রয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল কে? সেবাশ্রয় পরিচালনা করা বা তার বাস্তবায়নের জন্য কোনও লাইসেন্সিং অথরিটি ছিল কি ? রেডিয়েশন সেফটি অপারেশন এর লাইসেন্স দিল কে? প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হবে তদন্তে
তৃণমূলের হাঁড়িতে মধু নাই, তাই ছাড়তে হবে। এর থেকে আর পরিষ্কার কী হতে পারে! আদর্শহীন মানুষ, মৃত মানুষের ন্যায়! এদের আদর্শ আছে! সারা ভারতের অঙ্গরাজ্যে একটাও মহিলা অর্থমন্ত্রী ছিল না। অর্থনীতিবিদ না হওয়া সত্ত্বেও আইনজীবীকে অর্থমন্ত্রীর আসনে বসিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চরম বিরোধী। আমি ওঁর চরম সমালোচনা করি। কিন্তু তাঁর কাছ থেকে সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আজ যাঁরা এমন আচরণ করছেন, তাঁরা আমার কাছে আদর্শহীন: নৌশাদ সিদ্দিকি।
আমি সর্বভারতীয় তৃণমূলের চেয়ারপার্সন হিসেবে বলি, আমি সর্বভারতীয় তৃণমূল যেমন দেখব, তেমনই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য তৃণমূলও দায়িত্ব নিয়ে দেখব। এখন আর অন্য কোনও কাজ নেই। আমি দলের কাজটাই ভাল করে করব। প্রতিদিন কর্মীদের সঙ্গে দেখা করি। আমি দলটাকে আরও ভাল করের দেখার সুযোগ পাব। যে কমিটি ছিল, দু'জনকে যুক্ত করছি। জেনারেল সেক্রেটারি অ্যাড করছি, মদন মিত্র আর কুণাল ঘোষ। বাকি কমিটি যেমন ছিল তেমন থাকবে। শুধু রাজ্য সভাপতির কাজটা আমি নিজে দেখে নেব। সুব্রত বক্সিকে কাল দেখতে গিয়েছিলাম আমি। তিনি অসুস্থ। যতদিন না সুস্থ হন, তিনি রাজ্য সভাপতি ছিলেন। অসুস্থ হওয়ার পর অস্থায়ী ভাবে দেওয়া হয়েছিল কাউকে। আজ থেকে দায়িত্ব আমি নিজে নিচ্ছি। সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় আছে। সর্বভারতীয় কমিটিতে মহুয়া, ডেরেক, শোভনদারা আছে। আমি নিজে দায়িত্ব নিয়ে দেখব। নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন। চিন্তা করবেন না, আমরা আছি, ছিলাম এবং থাকব। আমি চেয়ারের পরোয়া করি না, কর্মী এবং মানুষের পরোয়া করি। সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
যিনি আজ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, আমার অনেক শুভেচ্ছা থাকবে। কিন্তু এটা আমি নিশ্চয়ই বলব না যে, আপনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন বলে তৃণমূলটা করেননি! আপনিও কংগ্রেস করতেন একদিন। আপনিও নির্বাচনে অনেক বার হেরেছেন। আপনার জন্য আমি বার বার যেতাম আপনার কেন্দ্রে। সেটা আমার কর্তব্য় ছিল। এর জন্য আমি কৃতিত্ব নিচ্ছি না। আপনিও ১০-১১ বছর তৃণমূলের বিধায়ক হিসেবে মন্ত্রী ছিলেন। কখনও পরিবহণ মন্ত্রী, কখনও সেচমন্ত্রী, কখনও ৬টি জেলার দায়িত্বে ছিলেন, কখনও জেলা পরিষদ, গ্রামসভা, পঞ্চায়েত তৈরিতে সাহায্য় করেছেন। সাহায্যের হাতও বাড়িয়েছেন, নাড়িয়েওছেন। আমি কিন্তু সবটাই জানি। হলদিয়া থেকে দিঘা ডেভলপমেন্ট বোর্ড, আমাদের সরকার আপনাদের দিয়ে চালিয়েছে। হঠাৎ আজ তিন-চার বছরের মধ্যে যারা সাধু, তারা আপনাদের সঙ্গে গিয়ে সাধু হয়ে গেল। আর যারা কোনও দিন কিছু পায়নি, লড়াই করেছে, তাদের পিছনে লেগে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস করাচ্ছেন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
যিনি আজ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, আমার অনেক শুভেচ্ছা থাকবে। কিন্তু এটা আমি নিশ্চয়ই বলব না যে, আপনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন বলে তৃণমূলটা করেননি! আপনিও কংগ্রেস করতেন একদিন। আপনিও নির্বাচনে অনেক বার হেরেছেন। আপনার জন্য আমি বার বার যেতাম আপনার কেন্দ্রে। সেটা আমার কর্তব্য় ছিল। এর জন্য আমি কৃতিত্ব নিচ্ছি না। আপনিও ১০-১১ বছর তৃণমূলের বিধায়ক হিসেবে মন্ত্রী ছিলেন। কখনও পরিবহণ মন্ত্রী, কখনও সেচমন্ত্রী, কখনও ৬টি জেলার দায়িত্বে ছিলেন, কখনও জেলা পরিষদ, গ্রামসভা, পঞ্চায়েত তৈরিতে সাহায্য় করেছেন। সাহায্যের হাতও বাড়িয়েছেন, নাড়িয়েওছেন। আমি কিন্তু সবটাই জানি। হলদিয়া থেকে দিঘা ডেভলপমেন্ট বোর্ড, আমাদের সরকার আপনাদের দিয়ে চালিয়েছে। হঠাৎ আজ তিন-চার বছরের মধ্যে যারা সাধু, তারা আপনাদের সঙ্গে গিয়ে সাধু হয়ে গেল। আর যারা কোনও দিন কিছু পায়নি, লড়াই করেছে, তাদের পিছনে লেগে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস করাচ্ছেন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আমি কিন্তু কখনও উতলা হই না। হাসিমুখে সঙ্কট কাটিয়ে যাওয়ার লোক আমি। ছাত্র রাজনীতিতে আমার হাতেখড়ি। সংগ্রামই আমার জীবন সংগ্রামী লগ্নে আমার জন্ম। যতদিন থাকব, এই সংগ্রামী লগ্ন থেকেই লড়াই করব। শুনছি কেউ কেউ আমার মৃত্য়ুও কামনা করছেন! ফোন করে বলছেন, 'ক'দিন আর বাঁচবে!' আরে আমি এখন অনেকদিন বেঁচে আছি। আর আমার পরের প্রজন্ম, তার পরের প্রজন্মও বাঁচবে। কেউ কেউ মাথানত করতে পারে, কেউ কেউ আবার দলের পতাকাটাকে আঁকড়ে ধরতেও পারে। আমরা যেমন তৈরি করি, আমরা নতুন করে গড়ি। এটা আমাদের অনেক বেশি শক্তি। এই মানসিক শক্তি আমরা পেয়েছি মানুষের কাছ থেকে। আমি ছোট্টবেলা থেকে রাজনীতি করি। বাংলা ছেড়ে কোনও দিন যাইনি। জেনে রাখুন, দুর্দিনে যাঁরা আছেন, তাঁরাই তৃণমূলের সোনার খনি। আর আপনারা যাঁরা বেইমানি করে, লাগেজ-ব্যাগেজ নিয়ে বিজেপির আশ্রয়ে গিয়েছেন, মানুষের সঙ্গে বেইমানি করবেন না। আপনারা এই সিম্বলে জিতে এসেছেন। আর আজ বিদ্রোহী। কিসের বিদ্রোহী? নির্বাচনের আগে পর্যন্ত বিদ্রোহ ছিল না! ১৫ বছর আপনারাই বিধায়ক, সাংসদ, মন্ত্রী ছিলেন। সবটাই পেয়েছেন। কই আমাকে তো কখনও কিছু বলেননি! আমি তো নাকই গলাইনি। এমন ঘটনাও ঘটেছে যে বিজেপি অ্যারেস্ট করবে ভয়ে মধ্যরাতে আমার বাড়ি এসেছে। আমি ১০ দিন আমার এখানে খাইয়েদাইয়ে রেখেছি, যাতে কোর্টে বিচার পায়। আমার কোনও রাগ, ক্ষোভ নেই। তারা ভাল থাকুক, তাদের পরিবার ভাল থাকুক। আমাদেরও একটা পরিবার আছে, স্বার্থপর নয়, স্বার্থত্যাগ করা পরিবার : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিজেপি-র নিজের সংগঠন নেই বলে...আইসিদের দিয়ে ব্লক প্রেসিডেন্টের কাজ করাচ্ছেন। এসপি-দের দিয়ে জেলা সভাপতির কাজ করাচ্ছেন। এটা তাদের কাজ নয়। মানুষকে ভরসা দেওয়া কাজ। আপনারা কী করছেন? সন্ত্রাস। কেন পুলিশ গিয়ে বলবে, 'গাড়ি নিয়ে এসেছি চলুন। যার নাম বলছি তার সঙ্গে গিয়ে যোগ দিন, নাহলে লকআপে চলুন'। যারা সহ্য করতে পারেনি, তাদের দোষ দিই না। তাদের সম্পত্তি আছে, পরিবার আছে, সম্পদ আছে, লাগেজ আছে, ব্যাগেজ আছে, তাদের নান রকম ব্যাপার আছে! যার যার পরিবার ভাল থাকুক। মনে রাখবেন আমাদেরও পরিবার আছে। তৃণমূলের পরিবারটা বৃহত্তর পরিবার, মা-মাটি-মানুষের পরিবার। তাদের ছেড়ে আপনাদের মতো আমি মাথানত করব না, আমার দলও করবে না। আর বিজেপি-কেও বলিহারি, লুঠ করে এত আসন পাওয়ার পরও আপনারা এত সন্ত্রাস করছেন! আর কত সন্তান করবেন! অন্য উৎসব করতে দেন না, অন্য কাউকে রেড রোডে প্রোগ্রাম করতে দেন না। এই তো রামমন্দির, কত টাকা দিয়ে মানুষ বানালেন, কত সোনা, কত রূপো, কত দান, আর আজ রামের নাম বদনাম করে দিয়েছে। হিন্দুত্বের নামে খলা করেছে। প্রণামী বাক্স থেকে শুরু করে, সবটাই নাকি ওদের সম্পদ! একটু বিরোধিতা করলেই অ্যারেস্ট, এফআইআর। যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন ২ কোটি ৪৬ লক্ষ প্রায়। আজ শুনছি দেড় কোটি মানুষের নাম কেটে দিয়েছে শুনছি। তাঁরা হাহাকার করছেন। মিড ডে মিলে যাঁরা রান্না করতেন, হেল্পার ছিলেন, তাঁরাও হাহাকার করছেন। ডিম বন্ধ করে দিয়েছে। বগটুইয়ের পরিবার এসেছিল আমার কাছে। যাদের চাকরি দিয়েছিলাম, কেড়ে নিয়েছে। যারা কাল তালা মেরে দিয়ে এলেন, ভাড়া দেওয়া ছিল ২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত। কোনও ব্যক্তি চলে যেতে পারেন, প্রতিষ্ঠান চলে যেতে পারে না। এটা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি। আমরা না দিলে চেকগুলো কে দিয়েছে, এত নথি কোথা থেকে এল?: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিজেপি-র নিজের সংগঠন নেই বলে...আইসিদের দিয়ে ব্লক প্রেসিডেন্টের কাজ করাচ্ছেন। এসপি-দের দিয়ে জেলা সভাপতির কাজ করাচ্ছেন। এটা তাদের কাজ নয়। মানুষকে ভরসা দেওয়া কাজ। আপনারা কী করছেন? সন্ত্রাস। কেন পুলিশ গিয়ে বলবে, 'গাড়ি নিয়ে এসেছি চলুন। যার নাম বলছি তার সঙ্গে গিয়ে যোগ দিন, নাহলে লকআপে চলুন'। যারা সহ্য করতে পারেনি, তাদের দোষ দিই না। তাদের সম্পত্তি আছে, পরিবার আছে, সম্পদ আছে, লাগেজ আছে, ব্যাগেজ আছে, তাদের নান রকম ব্যাপার আছে! যার যার পরিবার ভাল থাকুক। মনে রাখবেন আমাদেরও পরিবার আছে। তৃণমূলের পরিবারটা বৃহত্তর পরিবার, মা-মাটি-মানুষের পরিবার। তাদের ছেড়ে আপনাদের মতো আমি মাথানত করব না, আমার দলও করবে না। আর বিজেপি-কেও বলিহারি, লুঠ করে এত আসন পাওয়ার পরও আপনারা এত সন্ত্রাস করছেন! আর কত সন্তান করবেন! অন্য উৎসব করতে দেন না, অন্য কাউকে রেড রোডে প্রোগ্রাম করতে দেন না। এই তো রামমন্দির, কত টাকা দিয়ে মানুষ বানালেন, কত সোনা, কত রূপো, কত দান, আর আজ রামের নাম বদনাম করে দিয়েছে। হিন্দুত্বের নামে খলা করেছে। প্রণামী বাক্স থেকে শুরু করে, সবটাই নাকি ওদের সম্পদ! একটু বিরোধিতা করলেই অ্যারেস্ট, এফআইআর। যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন ২ কোটি ৪৬ লক্ষ প্রায়। আজ শুনছি দেড় কোটি মানুষের নাম কেটে দিয়েছে শুনছি। তাঁরা হাহাকার করছেন। মিড ডে মিলে যাঁরা রান্না করতেন, হেল্পার ছিলেন, তাঁরাও হাহাকার করছেন। ডিম বন্ধ করে দিয়েছে। বগটুইয়ের পরিবার এসেছিল আমার কাছে। যাদের চাকরি দিয়েছিলাম, কেড়ে নিয়েছে। যারা কাল তালা মেরে দিয়ে এলেন, ভাড়া দেওয়া ছিল ২০২৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত। কোনও ব্যক্তি চলে যেতে পারেন, প্রতিষ্ঠান চলে যেতে পারে না। এটা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি। আমরা না দিলে চেকগুলো কে দিয়েছে, এত নথি কোথা থেকে এল?: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মনে রাখবেন, আপনার পক্ষে সরকার আছে বলে, তাকে দিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করিয়ে প্রতীক কেড়ে নিতে পারেন...যদিও আমরা জানি প্রতীকচিহ্ন আপনার পক্ষে যাবে না। তবুও ধরে নিলাম, যদি ভ্যানিশ কুমার বাবু আমাদের পার্টিকে ফিনিশ করার জন্য় যদি প্রতীক দিয়েও দেন, তাতে কী যায় আসে! প্রতীক সেটাই হয়, যেটা সাধারণ মানুষ গ্রহণ করেন, তৃণমূল গ্রহণ করে। আমি এই প্রতীকচিহ্ন নিয়ে এক মাস ২২ দিনের মাথায় আমি কিন্তু লড়াই করেছিলাম। তখন প্রতীক চেনাতে পারিনি কাউকে। এখন দরকারে আমি গলায় সিম্বলটা ঝুলিয়ে মানুষের কাছে যখন বেরোব, আপনারা কি আমার কণ্ঠরোধ করতে পারবেন! অত সস্তা নয়! কণ্ঠ রোধ করতে হলে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলতে হবে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
'সাহস থাকলে, বুকের পাটা থাকলে বিজেপিতে যোগ দিন। আমাদের কোনও আপত্তি নেই। বুঝব যে বিজেপি-তে গিয়েছেন। বিজেপি-তে থেকে দল ভাঙার চক্রান্ত... ভাবেন কি আমি মরে গিয়েছি! ভাবেন কি আমাদের কর্মীরা মরে গিয়েছে! ভাবেন তৃণমূল মরে গিয়েছে?', তীব্র আক্রমণে মমতা।
দু'টো মাসও ধৈর্য ধরতে পারলেন না! এত তাড়াতাড়ি বেইমানি করে চলে গেলেন! বেইমানি করারও তো একটা সীমা থাকা উচিত! পার্টির সঙ্গে বেইমানি না করে, যে পার্টি আপনাদের জন্মদাত্রী মা! আপনারা তো সরাসরি বিজেপি করছেন এখন! বিজেপি করবেন আর তৃণমূল বলবেন, এটা তো হতে পারে না! তৃণমূলের আদর্শ বিজেপি বিরোধী। আমাদের একটা আদর্শ, নীতি আছে। আপনারা যারা বেইমান-গর্রারার বিজেপির কথায় চলছেন, যাঁরা বিজেপি স্পনসর্ড। সহস থাকলে, বুকে পাটা থাকলে বিজেপিতে গিয়ে জয়েন করুন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শিয়ালদায় প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে পোস্টার। তোলাবাজি, বেআইনি প্রোমোটিংয়ের অভিযোগে পোস্টার। ৪৯ নম্বরের ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়। শিয়ালদার বিভিন্ন এলাকায় মোনালিসার বিরুদ্ধে পোস্টার। ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড অধিবাসী বৃন্দ পরিচয়ে এলাকায় পোস্টার। তৃণমূলেরই ভাগ বাঁটোয়ারার গণ্ডগোল, কটাক্ষ সজল ঘোষের। এব্যাপারে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি মোনালিসার।
তিন দিনের সময় দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুলিশের নোটিস। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কালীঘাট থানার নোটিস। 'ফুটবোর্ডে দাঁড়িয়ে ঝুলতে ঝুলতে কীভাবে যেতে পারেন নিরাপত্তারক্ষী?'
নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কালীঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের। অভিযোগ পেয়েই ২ জুলাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস। 'কেন গাড়িতে এভাবে ফুটবোর্ডে ঝুলে যাতায়াত? গাড়ির মালিক কে?',
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জানতে চায় কালীঘাট থানার পুলিশ। নোটিসের উত্তরের জন্য কালীঘাট থানার দেওয়া সময়সীমা আজই শেষ। এখনও পর্যন্ত আসেনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জবাব, দাবি পুলিশের।
"সৌরভ নভোটেলের বৈঠকে যাওয়ার পর থেকে সৌরভের সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। কালীঘাটে কী হয়েছে, তাও জানাইনি আমি। সৌরভের বয়স ৪৭ বছর বয়স। তার নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আছে। সৌরভ নভোটেলে যাওয়ার পর আমি নেত্রীকে বলেছিলাম, ছেড়ে দিন। নেত্রী বলেছিলেন, 'ও গিয়েছে তো গিয়েছে, তুমি থাকো'। গতকাল উনি যা বলেছেন, তার পর আর কথা হয়নি। আমাকে ফোনে বলেছেন, আমি হাতে ভবন তুলে দিয়েছি। আমি ভবন তুলে দেওয়ার কে? আমার সঙ্গে দেখাও হয়নি। আমি বেরিয়ে যাওয়ার পর ঢুকেছে। তাতেই আমি মর্মাহত হয়েছি। হয়ত আমার ব্যর্থতা," বললেন চন্দ্রিমা।
'বৈঠকও নয়, শিবিরের কোনো ব্যাপার নেই। বিধানসভায় এসেছি কিছু নথিপত্র দিতে হবে পেনশনের জন্য। সেগুলো জানতে একটা ঘরে বসতে হবে আমাকে! নিশ্চয়ই সরকারপক্ষের ঘরে গিয়ে বসব না! বিরোধীপক্ষের ঘরে গিয়ে বসব! তাই বসেছি', ঋতব্রত-তৃণমূলের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে চন্দ্রিমা।
'কালের নিয়মে চলতে হয় সকলকে। পথ যেখানে নিয়ে যায়, যেতে হয়। সবাই দেখবে, আমিও দেখব, কাল কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। আমার দফতর ছিল সবাই দেখেছে। সেগুলো চালানোর কতটা ক্ষমতা ছিল আমার, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন।', বললেন চন্দ্রিমা ভট্টাটার্য।
'কালের নিয়মে চলতে হয় সকলকে। পথ যেখানে নিয়ে যায়, যেতে হয়। সবাই দেখবে, আমিও দেখব, কাল কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। আমার দফতর ছিল সবাই দেখেছে। সেগুলো চালানোর কতটা ক্ষমতা ছিল আমার, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন।', বললেন চন্দ্রিমা ভট্টাটার্য।
'কালের নিয়মে চলতে হয় সকলকে। পথ যেখানে নিয়ে যায়, যেতে হয়। সবাই দেখবে, আমিও দেখব, কাল কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। আমার দফতর ছিল সবাই দেখেছে। সেগুলো চালানোর কতটা ক্ষমতা ছিল আমার, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন।', বললেন চন্দ্রিমা ভট্টাটার্য।
কালীঘাট-তৃণমূল ছেড়ে 'ঋতব্রত তৃণমূল'-এ ছেলে সৌরভ। এবার ছেলের পথেই 'ঋতব্রত তৃণমূল'-এ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মমতার হাত ছেড়ে ঋতব্রত তৃণমূল-এ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও?
দলের হয়ে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের সই করার দায়িত্ব থেকে ইস্তফা। কমিশনে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাক্ষরকারীর পদও ছাড়লেন চন্দ্রিমা।
ছেলে সৌরভ আগেই ঋতব্রত-তৃণমূলে গিয়েছিলেন। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের হাত ছাড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও। ছেলের ঋতব্রত-শিবিরে যাওয়া নিয়ে কালীঘাট-তৃণমূলে তাঁকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছিল বলে জানালেন চন্দ্রিমা। মেট্রোপলিটন তৃণমূল ভবন দখল নিয়ে কাজিয়া। ছেলের সঙ্গে বিধানসভায় পৌঁছলেন কাজিয়া। স্বাগত জানালেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়।
মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের হাত ছাড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। পাল্টা কটাক্ষ করে কুণাল ঘোষ বললেন, "অনেক কিছু পেয়েছেন, এখন তো অভিমান হবেই। ওঁর মন্ত্রিত্বের সময়কালও দীর্ঘতম ছিল। তখন অভিমান হয়নি।"
এবার মমতার হাত ছাড়লেন চন্দ্রিমাও। ১ মাসের মধ্যেই রাজ্য সভানেত্রীর পদে ইস্তফা। পদ ছাড়তেই চন্দ্রিমাকে 'ঋতব্রত তৃণমূল'-এর স্বাগত। বিধানসভায় গেটে চন্দ্রিমাকে স্বাগত জানালেন সন্দীপন সাহা। মমতাকে শুধুমাত্র প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করে সব পদে ইস্তফা। কালীঘাট-তৃণমূল ছেড়ে 'ঋতব্রত তৃণমূল'-এ ছেলে সৌরভ। এবার ছেলের পথেই 'ঋতব্রত তৃণমূল'-এ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মমতার হাত ছেড়ে ঋতব্রত তৃণমূল-এ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও? দলের হয়ে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের সই করার দায়িত্ব থেকে ইস্তফা। কমিশনে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাক্ষরকারীর পদও ছাড়লেন চন্দ্রিমা। বললেন, "বিশ্বাসযোগ্যতা যখন প্রশ্নের মুখে পড়ে, ফেরার প্রশ্ন নেই। আমার অনুগত্যের প্রশ্নের মুখে বলে মনে হয়েছে। আমি ব্যর্থ। নেত্রী ফোন করে বললেন, আমি নাকি ওদের হাতে ভবন তুলে দিয়েছি। কার কী হবে না হবে, কে প্রতীক পাবে, সেসব বিচারাধীন। আমার সঙ্গে আলোচনা করে বাজেয় হয়েছে এমন নয়। আপনারা যখন জেনেছেন, তার কিছু ক্ষণ আগে আমি জেনেছি।" পাল্টা কুণাল ঘোষ বললেন, "অনেক কিছু পেয়েছেন, এখন তো অভিমান হবেই।"