Debraj Chakraborty: অভিষেক ঘনিষ্ঠ দেবরাজকে জেরার পর নাগেরবাজারের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে পুলিশ, লকার থেকে বেরিয়ে এল কোন বড় তথ্য ?
Police On Debraj Chakraborty : তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীকে পুলিশি জেরায় উঠে এল বড় তথ্য..

কলকাতা: আয় বহির্ভূত সম্পত্তি মামলায় গ্রেফতার হন তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী। এবার বিধাননগরের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরকে পুলিশি জেরায় প্রকাশ্যে এল বড় তথ্য।
আরও পড়ুন, 'ফিরহাদ হাকিমের সুপারিশ করা ৬ চাকরিপ্রার্থীদের...', নিতাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চাঞ্চল্যকর দাবি ED-র
তোলাবাজি সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় বিধাননগরের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরকে। পুরুলিয়া-ঝাড়খণ্ড সীমানা থেকে অভিষেক ঘনিষ্ঠ দেবরাজকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। এবার জেরা করতেই বেরিয়ে এল বড় তথ্য। মূলত দেবরাজকে জেরার পরপরই , নাগেরবাজারে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে পৌঁছয় বাগুইআটি থানার পুলিশ। এবং ব্যাঙ্কে দেবরাজ চক্রবর্তীর নামে থাকা লকার থেকে মোট ১৫০ গ্রাম ওজনের ৪টি সোনার চেন উদ্ধার হয়।
দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তোলাবাজি-সহ সমস্ত অভিযোগের তদন্তে এবার বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের SIT. ৮ সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল খতিয়ে দেখবেন অভিযোগের খুঁটিনাটি। পুলিশ সূত্রে খবর, দেবরাজকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফের নোটিস পাঠানো হতে পারে বিধাননগর পুরসভার ৬ প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর ও ছায়াসঙ্গী তৃণমূল নেতাকে। তৃণমূল আমলে তিনি ছিলেন বাগুইআটির বেতাজ বাদশা। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক স্ত্রী অদিতি মুন্সিকে সামনে রেখে, দেবরাজ চক্রবর্তী নাকি গড়ে তুলেছিলেন দুর্নীতির সাম্রাজ্য। অভিযোগ, বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পরিষদের এলাকায় উড়ত তোলাবাজির টাকা। সরকার বদলাতেই সেই দাপুটে তৃণমূল নেতার ঠাঁই হয়েছে এখন গারদে।
এবার দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে সমস্ত মামলার তদন্ত করবে SIT। রাজারহাট গোপালপুর বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন,যা ইস্যু আছে একটা PS-এর (থানা) পক্ষে সম্ভব না। মাল্টিপল PS (থানা) যুক্ত আছে এখানে। একই সাথে ED-রও উচিত বিষয়টার তদন্ত করা। আর্থিক তছরুপের অভিযোগের জন্য ED বেস্ট এজেন্সি। দেবরাজ চক্রবর্তী, অদিতি মুন্সি দু'জনের নামেই প্রপার্টি ছিল, দু'জনেই আর্থিক তছরুপ করেছে। কোথা থেকে এসেছে, কীভাবে এসেছে টাকা কেউ জানে না। '
অটোচালক থেকে প্রোমাটার, অভিযোগ, দেবরাজ চক্রবর্তীর বাহিনীর থেকে নিস্তার ছিল না কারও। পুলিশ সূত্রে খবর, ১০টি অভিযোগের মধ্যে ৮টি অভিযোগের ভিত্তিতে FIR দায়ের করা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে তোলাবাজির মামলা ছাড়াও বাকি সব মামলারই তদন্ত করবে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের বিশেষ তদন্তকারী দল। শনিবার, দেবরাজ চক্রবর্তী ঘনিষ্ঠ ৭ জনকে তলব করে SIT.ডেকে পাঠানো হয় ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর বিনু মণ্ডল, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মণীশ মুখোপাধ্যায়, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর গোপাল বাগুই, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মাইকেল নস্কর এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সম্রাট বড়ুয়াদের।






















