R G Kar Scam Case : '১২ বছর ধরে আখতার আলিই ওখানে দুর্নীতি করতেন, সুবিধা না হওয়ায় আবেদনকারী', দাবি সন্দীপ ঘোষের আইনজীবীর
Akhtar Ali : আর জি কর মেডিক্যালে ডেপুটি সুপার থাকাকালীন দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন আখতার।

কলকাতা : '১২ বছর ধরে আখতার আলি ওখানে দুর্নীতি করতেন। সেই দুর্নীতিতে যখন পরবর্তীকালে ওঁর সুবিধা হল না, তখন উনি অভিযোগকারী হয়ে গেলেন। এর থেকে বেঁচে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেন।' আর জি কর হাসপাতালের দুর্নীতি মামলায় এমনই মন্তব্য করলেন সন্দীপ ঘোষের আইনজীবী। আর জি কর হাসপাতালের দুর্নীতিকাণ্ডে আজ আখতার আলিকে অবিলম্বে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে CBI-এর বিশেষ আদালত। তাঁর নামে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তলব সত্ত্বেও আজও আদালতে হাজিরা দেননি আখতার আলি।
এর পরিপ্রেক্ষিতে এদিন শুনানি শেষে সন্দীপ ঘোষের আইনজীবীকে প্রশ্ন করা হয়, দেড় বছর ধরে সন্দীপ ঘোষরা...৫ জন জেলে রয়েছেন। তাহলে আখতার আলি কেন ঘুরে বেড়াবে ? কেন এই কথা আপনি বললেন ? এর উত্তরে সন্দীপ ঘোষের আইনজীবী বলেন, "আমরা প্রথম দিন থেকেই বলে আসছি, আর জি কর নিয়ে যে দুর্নীতির কথাটা বলা হচ্ছে, যে দুর্নীতি নিয়ে এত কিছু হয়ে গেল, সেরকম কিছু দুর্নীতি যদি হয়ে থাকে, তাহলে এখন যেটা আমরা সেই সময় দেখিয়েছিলাম, আজ সেটা প্রমাণ হচ্ছে...তখন সন্দীপ ঘোষ যাননি ওখানে। ১২ বছর ধরে আখতার আলি ওখানে দুর্নীতি করতেন। সেই দুর্নীতিতে যখন পরবর্তীকালে ওঁর সুবিধা হল না, তখন উনি অভিযোগকারী হয়ে গেলেন। এর থেকে বেঁচে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেন। সন্দীপ ঘোষ এবং অন্যরা অপ্রয়োজনীয় জেলের মধ্যে রয়েছেন। সেই পয়েন্টটা আমরা প্রথম থেকে বিভিন্ন ডকুমেন্ট দেখিয়েছি। সিবিআই মানেনি এবং বিচার-প্রক্রিয়া থমকে ছিল। উনি বিভিন্ন অজুহাতে আদালতকে এড়াচ্ছিলেন। এরপরে যখন সিবিআই যখন বাধ্য হল আমাদের এই সমস্ত এভিডেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে আসামি করতে, তারপর থেকে উনি আর আসছেন না।"
তাঁর সংযোজন, "আজ হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল। এরপরে আজ না এসে আবার দুটো মেডিক্যাল ডকুমেন্ট দিয়ে বললেন উনি হসপিটালাইজড। অসুস্থ। আসতে পারবেন না। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই মেডিক্যাল এভিডেন্স ইন্সপায়ারিং নয়। এটা আমার সঠিক মনে হচ্ছে না। তাছাড়া ওঁর পুরো কন্ডাক্ট দেখা গেলে বোঝা যাবে, উনি ইচ্ছাকৃত আদালতকে এড়াচ্ছেন। সুতরাং এই ধরনের লোককে ছেড়ে রাখা যায় না। জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলেন।"
প্রসঙ্গত, আর জি কর মেডিক্যালে ডেপুটি সুপার থাকাকালীন দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন আখতার। তাঁর অভিযোগের প্রেক্ষিতেই সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হন। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে চাকরি ছাড়ার জন্য পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু, সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ না করে তাঁকেই সাসপেন্ড করা হয়। আখতার আলিকে সাসপেন্ড করে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর ।























