Ritabrata Banerjee : 'তৃণমূল পার্টিটা প্রায় উঠে যাওয়ার পথে', বহিষ্কৃত হয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন ঋতব্রত
TMC News : দলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হলেন ঋতব্রত।

আশাবুল হোসেন, কলকাতা : 'দল থাকবে না এটা আমি নিশ্চিত।' বহিষ্কৃত হওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জাল বিতর্কে তাঁকে ও সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। দল-বিরোধী কাজের অভিযোগে উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এরপরই দলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হলেন ঋতব্রত।
তিনি বললেন, "তৃণমূল পার্টিটা প্রায় উঠে যাওয়ার পথে। উঠে যাবে। থাকবে না। এই দুর্নীতি নিয়ে একটা ফোর্স চলতে পারে না। চলবে না। মিলিয়ে নেবেন। এ পার্টি থাকবে না। পরিকল্পনার তো বিষয় নয়। আমি উলুবেড়িয়ার ভোটারদের কাছে দায়বদ্ধ। স্বাভাবিকভাবে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করব কী করব। দল থাকবে না এটা আমি নিশ্চিত। আমি শুধু কেন, আমাদের দলের অনেক প্রবীণ সাংসদও বলেছেন, দল থাকবে না। অনেক নেতা-নেত্রী বলেছেন। আমি হয়তো প্রকাশ্যে বলছি। কেউ কেউ প্রকাশ্যে বলেছেন। সবাই এটা বিশ্বাস করেন, দলটা থাকবে না।" তাঁর সংযোজন, "পুষ্পা কেন বহিষ্কৃত হল না, পুষ্পাকে কেন গার্ড করা হচ্ছে, কেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক গেলেন না প্রচারে এগুলো নিয়ে সরব হয়েছিলাম। অনেকে সেদিন বলেছিলেন, ভাই বহিষ্কার হয়ে যেতে পারো। স্বাভাবিকভাবে এটা আমার কাছে ক্লিয়ার নয় যে কী কারণে বহিষ্কার করা হয়েছে।"
চিঠি নিয়ে কিছু অভিযোগ করেছিলেন ? এই প্রশ্নের উত্তরে ঋতব্রত বলেন, "আমাদের বক্তব্য ছিল, ৬ তারিখ যে মিটিং হয় সেই মিটিংয়ে কোনও রেজ্যুলিউশন নেওয়া হয়নি। ১৯ তারিখ অ্যাটেনডেন্স দেওয়ার সময় বলা হয় যে, তারিখটা লিখুন ৬ তারিখ। ১৯ তারিখ সই করা হচ্ছে। এত নৈতিকতার কথা ! ১৯ তারিখে সই করতে বলছে। বলে বলছে, ৬ তারিখে সই করুন। যখন সই করছি দেখছি অনেকে নেই, তাঁদের নাম লেখা হয়েছে। আমি এবং সন্দীপন আমরা দুজনে আলোচনা করেছিলাম। আমাদের মনে হয়েছিল। এখানে বলার তো কোনও জায়গা নেই। ১৯ তারিখেই তো বলতে গিয়েছিলাম। বলছে, ট্যুইট দেখে নাও।" প্রসঙ্গত, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা হবেন--- এই মর্মে একটি প্রস্তাব নিয়েছিল তৃণমূল। দলের বিধায়কদের সই-সহ সেই প্রস্তাব জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। সূত্রের খবর, সেখানে কয়েকজন তৃণমূল বিধায়কের সই নিয়ে বিধানসভার অফিসারদের সন্দেহ হয়। এনিয়ে বিধানসভার সচিবের তরফে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ জানানো হয়। তদন্তে CID-র হ্য়ান্ডরাইটিং এক্সপার্টদের সাহায্য় নেয় পুলিশ। বিধানসভার সই বিতর্কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে নোটিস ধরিয়েছে CID.






















