South 24 Paragana News : 'কয়েক হাজার কোটি টাকা কাটমানি, ক্যামাক স্ট্রিটে পাঠানো হত', জাহাঙ্গিরের অফিসের সামনে বিক্ষোভ ঠিকাদারদের
Cutmoney Allegation : তাঁদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা কাটমানি হিসাবে নেওয়া হত, তারপরেই তাঁরা কাজ পেতেন বলে অভিযোগ তুলেছেন ঠিকাদাররা।

হিন্দোল দে, আলিপুর : বৃহস্পতিবার ফলতায় পুনর্নির্বাচন। তার আগে আগে ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। এই পরিস্থিতি আরও বিপাকে পড়েছেন তিনি। এবার কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন ঠিকাদাররা। অন্যদিকে, জাহাঙ্গির খান পূর্ত ও পরিবহন দফতরের কর্মাধ্যক্ষ। তাঁদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা কাটমানি হিসাবে নেওয়া হত, তারপরেই তাঁরা কাজ পেতেন বলে অভিযোগ তুলেছেন ঠিকাদাররা। বিক্ষোভকারী বক্তব্য, "আমরা কাটমানির টাকা ফেরত চাই। সেই টাকা ফেরতের দাবিতে আমরা পোস্টার মেরেছি।" ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় সেখানে।
পোস্টারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের অধীন বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত ঠিকাদারদের তরফে লেখা হয়েছে, গত প্রায় সাত বছর ধরে টেন্ডারের কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের নানা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়েছে।
তাঁদের অভিযোগ, জাহাঙ্গির খানের পিএ প্রবীর হাজরার মাধ্যমে কাটমানির টাকা না দিলে তাঁদের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হত না এবং কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রেও বাধার সৃষ্টি করা হত। এই কাটমানির পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকা। এই টাকা ক্যামাক স্ট্রিটে পাঠানো হত।
বিক্ষোভকারী নিমাই নস্কর নামে এক ঠিকাদার আরও বলেন, "আমাদের দীর্ঘদিন...সাত বছর ধরে ৭ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ টাকা কাটমানি দিতে হয়। প্রবীর হাজরার কাছে জমা করলে তারপরে...। প্রবীর হাজরা জাহাঙ্গির খানের পিএ। প্রবীর হাজরার কাছে জমা দিলে তারপরে আমাদের কাজ এন্ট্রি হবে। হতে পারে, না হতে পারে। আবার বলবে পরের বারে। টাকা দেওয়ার পরেও। সাত বছর ধরে কোটি কোটি টাকা আমাদের কন্ট্রাক্টরদের কাছ থেকে নিয়েছেন।" অপর এর ঠিকাদার বলেন, "আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, আমাদের টাকা ফেরত দেওয়া হোক। জাহাঙ্গির খান যে টাকা নিয়েছেন। কাটমানি হিসাবে । ১০ পারসেন্ট, ৭ পারসেন্ট, আবার কারো কাছে ১২ পারসেন্ট নিয়ে কাজ দিয়েছেন এবং টাকা নিয়ে অনেক সময় কাজ দেননি। পরের বছর দেব বলেছে। এভাবে আমাদের হেনস্থা করে গেছেন।" এদিকে ২১ মে, বৃহস্পতিবার, ফলতা বিধানসভার ২৮৫টি বুথেই পুনর্নির্বাচন হবে। তার ঠিক ২ দিন আগে নির্বাচনে লড়া থেকে সরে দাঁড়িয়ে জাহাঙ্গির খান বলেছেন, তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন কারণ তিনি ফলতার উন্নয়ন চান। চান, ফলতায় অনেক উন্নয়নমূলক কাজ হোক। ফলতা খুব শিগগিরি 'সোনার ফলতা' হয়ে উঠুক ।






















