Prisoner Death: ফের পুলিশ হেফাজতে বন্দির মৃত্যুর অভিযোগ, তুলকালাম দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের বাখরাহাটে
South 24 Pargana News: স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভের জেরে সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায় বাখরাহাট–ঠাকুরপুকুর রোড। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। তারা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা : আবারও পুলিশ হেফাজতে থাকা বন্দির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এবার ঘটনাস্থল দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাখরাহাটে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের বাখরাহাটে তুলকালাম শুরু হয় চোখের নিমেষে। বাখরাহাট ফাঁড়িতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকার বাসিন্দারা। শুধু বিক্ষোভ দেখিয়েই থামেননি তাঁরা। রাস্তা অবরোধও করা হয়। বাখরাহাট মোড়ের কাছে রাস্তা অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভের জেরে সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায় বাখরাহাট–ঠাকুরপুকুর রোড। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। তারা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কয়েকদিন আগেই পুলিশ হেফাজতে এক তৃণমূলকর্মীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে। অভিযোগ ওঠে, পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওতের। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ৬ অগাস্ট তোলাবাজি, মারধর-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল বিরজু কেওত নামের ওই তৃণমূলকর্মীকে। তোলাবাজি, মারধর-সহ বিভিন্ন অভিযোগে এই বিরজু কেওতকে ব্যারাকপুর মহকুমা আদালত পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। সেখানেই বিরজুর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। গত ৮ অগাস্ট ভোররাতে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁকে। কল্যাণীতে জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিরজুকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃত তৃণমূলকর্মী বিরজু কেওত কাঁচরাপাড়া পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জিনি শর্মার স্বামী। পাশাপাশি, প্রাক্তন পুরপ্রধান ও তৃণমূল নেতা কমল অধিকারীর ছায়াসঙ্গী বলে পরিচিত ছিলেন বিরজু।
পুলিশ সূত্রে দাবি, শনিবার ৮ অগস্ট ভোরে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওত। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে কল্যাণীর JNM হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। হালিশহরে পুলিশ লকআপে তৃণমূলকর্মী বিরজু কেওতের মৃত্যুর তদন্তে নেমেছে সিআইডি। পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল যে পুলিশ লকআপে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে তাঁকে। ৯ অগাস্ট মৃত কর্মীর বাড়িতে দেখা করতে যান প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। হালিশহরে যাওয়ার পথে মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ-হামলা হয়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হয় জুতো, চটি, বোতল। ঠিক পরের দিনই হালিশহরে পৌঁছেছিলেন বর্তমান মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তাঁর স্ত্রীকে চাকরি ও ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য রাজ্য সরকারের তরফে ঘোষণা করেন। পাশাপাশি সুবিচারের আশ্বাসও দেন তিনি।
Before You Go
Durga Puja 2026: মণ্ডপে মণ্ডপে থিমের চমক, এবছর কেমনভাবে সেজে উঠেছে সুরুচি সঙ্ঘ আর বেহালা নূতন দল?






















