Suvendu Adhikari : সই জালের অভিযোগ করেছেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক, সেই অভিযোগেই FIR, বড় তথ্য দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
তৃণমূলের ২ বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই FIR। 'যাঁর বিরুদ্ধে সই জালের অভিযোগ, তাঁকেই জবাব দিতে হবে। বিধানসভার সই জাল বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

কলকাতা : বিধানসভার সই-বিতর্কে প্রকাশ্যে এল তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য। বিধানসভার সই জাল-কাণ্ডে সোমবার দুপুরে নবান্ন থেকে বড় তথ্য জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাই লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন স্পিকারকে। তার ভিত্তিতেই বিধানসভার সচিবালয় হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা হবেন--- এই মর্মে একটি প্রস্তাব নিয়েছিল তৃণমূল। দলের বিধায়কদের সই-সহ সেই প্রস্তাব জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। সূত্রের খবর, সেখানে কয়েকজন তৃণমূল বিধায়কের সই নিয়ে বিধানসভার অফিসারদের সন্দেহ হয়। তারপরই তা নিয়ে পুলিশে অভিযোগ হয় ও তদন্ত শুরু হয়। এই তদন্তে ইতিমধ্যেই একাধিক হেভিওয়েট এমএলএ-দের বাড়িতে পৌঁছে যায় পুলিশ ও সিআইডির হ্যান্ড রাইটিং এক্সপার্ট। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়কেও তলব করেছে সিআইডি। এবার এই বিষয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর এই সাংবাদিক বৈঠকের পরই দলবিরোধী কাজের অভিযোগে দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করে তৃণমূল।
মুখ্যমন্ত্রী এ দিন বলেন, এই বিষয়ে বিরোধী দল তৃণমূল অনেক সময় দাবি করছে, এটা নাকি বিজেপি সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। কিন্তু সেই অভিযোগ উড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাই এই বিষয়ে অভিযোগ জামান। আর তাঁদের করা অভিযোগের ভিত্তিতেই হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তে CID-র হ্য়ান্ডরাইটিং এক্সপার্টদের সাহায্য নেয় পুলিশ।
আরও পড়ুন : বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ৩৫ নতুন মন্ত্রীর শপথ, কারা কোন দায়িত্বে?
আইনজীবীর চিঠিতে কী জানানো হয়েছে?
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া ভাষায় বলেন, “এরা প্রতিষ্ঠিত চোর। নিজেদের দলের বিধায়কের সই জাল করেছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, দলের তিন বিধায়ক আবার সেই অভিযোগ স্বীকারও করেছেন।” মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভার সই জাল বিতর্কে নিশানা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তদন্তের স্বার্থে আঞ্চলিক দলের সাধারণ সম্পাদককে হাজিরার নোটিস দিয়েছিল CID। কিন্তু তিনি নির্ধারিত দিনে হাজিরা দেননি। “এত বড় দুর্নীতিগ্রস্ত একটা দল তদন্তের মুখোমুখি হতেও ভয় পাচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, 'হারের পরেও চুরির অভ্যাস যায়নি, দলের বিধায়কদেরই সই জাল। সই জালিয়াতির কথা স্বীকার করেছেন তৃণমূলেরই ৩ বিধায়ক। ১৩জন তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে কথা হয়েছে'।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার, অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের 188A হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়ি ও তারপর তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে যান CID আধিকারিকরা। নিজের হাতে নোটিস নেন অভিষেক। তারপর তিনি নির্ধারিত দিয়ে হাজিরা দেননি।





















