Abhishek On Budget 2026: "অন্তঃসারশূন্য বাজেট ! নেই বাংলার উল্লেখ", কেন্দ্রকে নিশানা অভিষেকের, শিল্প নিয়ে কী বার্তা ?
Abhishek Attacks BJP Government Nirmala Sitharaman : পদেপদে GST, এদিকে "বাজেটে নেই বাংলার উল্লেখ", কেন্দ্রকে জোর নিশানা, ক্ষোভ উগরে কী বললেন অভিষেক ?

কলকাতা: ছাব্বিশের ভোটের বছরের যখন শিল্প-কর্মসংস্থানের আশায় তাঁকিয়ে বাংলা, ঠিক তখনই কেন্দ্রীয় বাজেটের পর অনেকটাই চাওয়া-পাওয়ার সমীকরণ বদলেছে। বলাইবাহুল্য, বাজেট নিয়ে এবার কেন্দ্রকে তোপ দাগলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কটাক্ষ, 'অর্থমন্ত্রী মনে হয় গরীব মানুষদের ক্রয় ক্ষমতা পরীক্ষা করছেন ' !
আরও পড়ুন, স্ক্রুটিনিতে আরও ৭দিন, ১৪ ফেব্রুয়ারি নয় চূড়ান্ত তালিকা, কী নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের ?
"বাজেটে নেই বাংলার উল্লেখ" !
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "এবারের বাজেট একেবারেই অন্তঃসারশূন্য। ৮৫ মিনিট ধরে বক্তব্য রেখেছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মল সীতারমণ, সেখানে বাংলার নাম একবারের জন্য উঠে আসেনি। এমন কি ডানকুনি যে থেকে ফ্রেট করিডরের কথা যেটা বাজেটে টানা হয়েছে, সেটা কিন্তু আসলে রেলমন্ত্রী থাকাকালীন ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পাশাপাশি অভিষেক মনে করিয়ে দেন, সংবিধান সমবন্টনের প্রতিশ্রুতির কথা বলে। কিন্তু কেন্দ্রের এই সরকার তা মেনে চলে না " , বলেই অভিযোগ তুলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
" বাংলার টাকা আটকে রাখা হয়"
তিনি বলেন, এটা কখনওই কোঅপারেটিভ ফেডারেলিজমের মডেল (শাসনব্যবস্থা) হতে পারে না। এটা মূলত সাবস্ক্রিপশন বেসড ফেডারেলিজম। অভিষেকের সংযোজন, আমরা এমন এক ভারতবর্ষে বসবাস করি, যেখানে বাংলার টাকা আটকে রাখা হয়। বাংলা গত ৭ বছরে সাড়ে ৬ লক্ষ কোটি কর দিয়েছে, কিন্তু সেখান থেকে কোনও শেয়ার পায় না রাজ্য। "
"পদেপদে GST, এদিকে উন্নতিতে নেই"
অভিষেকের কথায়, 'চাকরিজীবীরা আয়কর দেয়, বিস্কুট-চা থেকে চিনি, বাথরুম সব জায়গাতেই জিএসটি। ভারত রেকর্ড পরিমাণে জিএসটি আদায় করে, কিন্তু উন্নতির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় না। স্কুল ফি থেকে বাড়ি ভাড়া, শিশুদের এডুকেশনে টাকা খরচ হয়ে যায় চাকরিজীবীদের'। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ফ্যান্সি ট্রেনের কথা বলা হয়, অথচ রেলের সুরক্ষায় কবচ মাত্র ৪ শতাংশ। সাধারণ মানুষ আয়কর দেয়, রোড ট্যাক্স আবার টোল ট্যাক্সও দেয়, এই হচ্ছে ট্রিপল ট্যাক্সেশন। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প হচ্ছে ভারতের শিরদাঁড়া, অথচ এই শিল্পের জন্য খাতায়-কলমে কর ছাড়ের কথা হয়, কার্যকর হয় না। '
"প্রতিষ্ঠানে পোস্ট খালি, স্ক্রুটিনি হয় না"
তিনি আরও বলেন, 'প্রতিষ্ঠানে পোস্ট খালি, স্ক্রুটিনি হয় না। স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলিকে নজর দেওয়া হয় না, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিজেপিতে ২০ থেকে ২৫ জন যোগদান করেছেন, যাঁরা দুর্নীতিতে জড়িত, অথচ প্রধানমন্ত্রী বলেন খাবও না, কাউকে খেতেও দেব না। বিজেপির ওয়াশিং মেশিনে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্তরা।'























