Suvendu Adhikari: নিহত আপ্তসহায়কের বাড়িতে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী, পরিবারের সঙ্গে কী কথা মুখ্যমন্ত্রীর?
West Bengal CM: চন্দ্রনাথ রথের পরিবারে তাঁর মা, ভাই, ভাতৃবধূর সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলেন শুভেন্দু।

চণ্ডীপুর: পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরই শোরগোল পড়ে গিয়েছিল এক ঘটনায়। মধ্যমগ্রামের কাছে রাস্তার ওপর গাড়ি দাঁড় করিয়ে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে।
রবিবার নিহত চন্দ্রনাথ রথের চণ্ডীপুরের বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু অধিকারী। নিহত চন্দ্রনাথের ছবিতে মাল্যদান করেন। মোমবাতি জ্বেলে ছবির সামনে বসিয়ে দেন। রবিবার চন্দ্রনাথের পারলৌকিক কাজ হচ্ছিল। সেই সময়ই তাঁর চণ্ডীপুরের বাড়িতে যান শুভেন্দু।
আরও পড়ুন: বাবাকে হারানোর ৯ মাসের মাথায় মায়ের মৃত্যু! তছনছ কিংবদন্তি অলিম্পিয়ানের পরিবার
চন্দ্রনাথ রথের পরিবারে তাঁর মা, ভাই, ভাতৃবধূর সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলেন শুভেন্দু। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চন্দ্রনাথ রথের বাড়িতেই রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁর কী কথা হয়েছে, তা জানতে আগ্রহী অনেকে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কিছু বলেন কি না, সেদিকেও রয়েছে নজর।
আরও পড়ুন: ১৮ কোটির ক্রিকেটার অভিষেকের রাতে ৮ বল করে মাঠের বাইরে! পাথিরানাকে নিয়ে শোরগোল
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণের ঠিক তিন দিন আগে প্রকাশ্য রাস্তায় গুলিতে ঝাঁঝরা করে খুন করা হয়েছিল তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। সেই ঘটনায় চার দিনের মাথায় বড়সড় সাফল্য পেয়েছিল তদন্তকারী দল। দুই ভিন্ন রাজ্য থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল তিন অভিযুক্তকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিক অপরাধমূলক কার্যকলাপের রেকর্ড রয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে ‘সুপারি কিলার’ ব্যবহার করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল।
গত রবিবার গভীর রাতে রাজ্য পুলিশের SIT উত্তরপ্রদেশের বালিয়া থেকে গ্রেফতার করে শার্প শ্যুটার রাজ সিংহকে। অন্যদিকে বিহারের বক্সার থেকে ধরা হয় আরও দুই অভিযুক্ত - ময়ঙ্ক রাজ মিশ্র এবং ভিকি মৌর্যকে। তদন্তকারীদের দাবি, এই তিনজনই চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
দিনটি ছিল ৬ মে, বুধবার। বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার মাত্র দু’দিন পর মধ্যমগ্রামের রাস্তায় চন্দ্রনাথ রথের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। তদন্তকারীদের মতে, পুরো অপারেশনটি ছিল অত্যন্ত নিখুঁত এবং পরিকল্পিত। প্রথমে গাড়ির রাস্তা আটকে দেওয়া হয়। তারপর দুই দিক থেকে বাইকে করে এসে ঘিরে ধরে নির্বিচারে গুলি চালায় আততায়ীরা। মাত্র ৫০ সেকেন্ডের মধ্যে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে একাধিক রাউন্ড গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তারা।
Before You Go
TMC News: শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের খেলার মাঠের ঘর থেকে উদ্ধার প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী





















