BJP No Violence: ২০১১ -এর মতো পরিবর্তন চান না, বিজেপি নেতাদের কেউ নরম সুরে আবার কেউ কড়া ভাষায় শান্তি বজায় রাখার আবেদন করলেন কর্মীদের কাছে!
West Bengal Assembly Election 2026: বীরভূমে এক তৃণমূল সমর্থককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ওই তৃণমূল সমর্থকের বাড়ি পৌঁছে যান ওই কেন্দ্রের জয়ী বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।

কলকাতা: ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে। আর তার পর থেকেই মানসিকতার বদলের জন্য সচেষ্ট বিজেপির নেতারা। ২০১১ সালে পরিবর্তনের পর জেলায় জেলায় বিরোধীদের উপর নেমে এসেছিল আক্রমণ। দখল হয়েছিল পার্টি অফিস। কিন্তু ২০২৬ -এর পরিবর্তনের পর তার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, সেই নিয়ে শুরু থেকেই কঠোর অবস্থানে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বিজেপির সরকার সব মামলা আবার খুলবে, ব্যবস্থা নেওয়া হবে, আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুন: সিংহ স্থির বলে কেউ লাথি মারবে ভাবলে ভুল করছে, আমরাও তৃণমূলের ভাষায় কথা বলতে জানি: শমীক ভট্টাচার্য
তিনি নিজের দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, "ওই পাপীদের অফিসে হাত দেবেন না। উপেক্ষা করুন।" বীরভূমের সিউড়িতে এক তৃণমূল সমর্থককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। আর সেই খবর পেয়েই ওই তৃণমূল সমর্থকের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন ওই কেন্দ্রের জয়ী বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সেখানে গিয়ে ওই কর্মী ও তাঁর বাড়ির লোকেদের সামনে হাত জোড় করে ক্ষমা চান তিনি। এর পরই তিনি পুলিশ আধিকারিকদের নির্দেশ দেন, এমন ঘটনা যে আর না ঘটে। তার জন্য প্রয়োজনীয় ফোর্স ব্যবহারের নির্দেশও দেন তিনি।
বরানগরে তৃণমূলের পার্টি অফিস আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যান সজল ঘোষ। সেখান থেকে কড়া বার্তা দেন তিনি। তিনি বলেন, "পার্টি অফিস আমাদের কাছে মন্দিরের মতো। আজ এই ভাঙচুরের ঘটনা যাদের উপর ঘটেছে, তারা হয়তো কখনও আমাদের মন্দিরে আঘাত করে থাকতে পারে। কিন্তু সে করেছে বলে আমিও করব, এটা কখনওই নয়। আমি পরিষ্কার বলে যাচ্ছি, প্রশাসনকে অনুরোধ করছি দলমত নির্বিশেষে এই ধরনের কাজ কড়া হাতে যেন দমন করা হয়।"
বুধবারই নবান্নে গিয়ে মুখ্যসচিব সহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি অভিযোগ করেন, অনেক তৃণমূলের লোক রাতারাতি মাথায় গেরুয়া আবির লাগিয়ে তৃণমূলের অফিস দখল করছে, তালা লাগাচ্ছে। শমীক বলেন, "আমাদের দলের যাঁরা এই কাজে জড়িত থাকবেন তাঁদের দলের বাইরে যেতে হবে।"
এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তপসিয়া। স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থীর অনুগামীদের বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর, হামলা ও ভয় দেখানোর অভিযোগ ওঠে। এর পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। তারপর লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়।





















