TMC :“RG কর মুভমেন্টের সময়, মমতার সরকারকে ফেলে দেওয়ার জন্য, অভিষেকের নেতৃত্বে ষড়যন্ত্র হয়েছিল..”, বিস্ফোরক তৃণমূলের সাসপেন্ডেড মুখপাত্র
Kohinoor Majumdar On Mamata Abhishek TMC: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তৃণমূলের সাসপেন্ডেড মুখপাত্র কোহিনুর মজুমদার।

কলকাতা: গেরুয়া ঝড়ে ধরাশায়ী তৃণমূল। এবার ক্ষোভ উগরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তৃণমূলের সাসপেন্ডেড মুখপাত্র কোহিনুর মজুমদার। তাঁর দাবি, তৃণমূলকে শেষ করার পিছনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্ধ স্নেহ। গত ৪ বছর ধরে তৃণমূলের চরিত্র পাল্টেছে। তৃণমূল রাতারাতি কর্পোরেট হয়ে গিয়েছে। আর জি কর আন্দোলনের সময় অভিষেকের নেতৃত্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ফেলে দেওয়ার জন্য অন্তর্ঘাত হয়েছিল। এই তৃণমূলকে শেষ করেছে প্যারাসুট থেকে নামা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তোলাবাজির অভিযোগেও সরব তৃণমূলের সাসপেন্ডেড মুখপাত্র কোহিনুর মজুমদার।
এদিন কোহিনুর মজুমদার বলেন, এই তৃণমূলকে শেষ করার পিছনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তার প্রতি অন্ধ স্নেহ। জানেন তো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের কাছের হতে গেলে আপনাকে তন্ত্রমতে পুজো করতে হবে। প্রপার মন্ত্র, প্রপার তন্ত্র, প্রপার নৈবেদ্য এবং কিছু সময় প্রপার দক্ষিণা না হলে, ভগবান একেবারেই খুশি হতেন না। গত চার বছর ধরে তৃণমূলের যে ক্যারেকটার , সেই ক্যারেকটারের একটা বড় পরিবর্তন হয়েছে। যে তৃণমূল , তৃণমূল স্তরের দল ছিল, ঘাসফুল দল ছিল, সেই দল রাতারাতি কর্পোরেট চলে গেছে। আগে তৃণমূল ভবনে অবাধ বিচরণ ছিল সবার। সবাই আসতেন। আজকে, আমরা দেখেছি, তৃণমূল ভবনে, ..একমাত্র বক্সিদা বসে থাকেন। দূর থেকে আসা তৃণমূলের ব্লকস্তরের নেতা বলুন, বুথস্তরের নেতা বলুন, পঞ্চায়েত সমিতির প্রতিনিধি বলুন বা সাধারণ কর্মী যার সমস্যা, ..দলকে জানাবে, নেত্রীকে জানাবে, …সেখানে এসে ক্যামাক স্ট্রিটে সিড়ির তলায় বসে থাকে, দিনের পর দিন চলে যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো ছেড়ে দিন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তিনটের সময় ক্যামাক স্ট্রিট ঢোকে। ছটার সময় ক্যামাক স্ট্রিট বেরিয়ে যায়। ওই সময় ক্যামাকস্ট্রিটে মাছি ঢুকতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, ‘অভিষেকের বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটা সাবোটাজ হয়েছিল, মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে ফেলে দেওয়ার। সেটা আরজিকর মুভমেন্টের সময়। ..এরপর কসব ল্য কলেজের যখন ঘটনা ঘটে, আমি একটা ফেসবুকে প্রটেস্ট করি, যে ফ্রেশব্লাড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ বলবে, সেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোক হয়ে যাবে ? তৃণমূলের ফ্রেশ ব্লাড হয়ে যাবে ? সেই নেতা হয়ে যাবে ? তখন আমাকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস থেকে বলা হয়, না এটা করা যাবে না, ডিলিট করে দাও। এই তৃণমূলকে শেষ করেছে, আমাদের তৈরি করা তৃণমূল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি করা তৃণমূল, সিপিএমের কাছে মার খাওয়া তৃণমূল, এই তৃণমূলকে শেষ করেছে, হঠাৎ করে প্যারাশ্যুট থেকে নেমে, তার নাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
কোহিনুরের সংযোজন, তোলাবাজির প্রশ্ন নিয়ে আজকে সবাই প্রশ্ন করছে, কেউ একটা জলের লাইন দিয়ে দশ হাজার টাকা নিয়েছে। কেউ একটা আগে জলের লাইন দিয়ে কোনও একটা কাউন্সিলর, সিসি করিয়ে…৫ হাজার নিয়েছে…১০ হাজার নিয়েছে। কিন্তু যেটা ১০ লাখ, ২০ লাখ, ৫০ লাখ, ব্লকের সভাপতি হবে বলে, জেলার সভাপতি হবে বলে, প্রার্থী হবে বলে, সেইটা অত্যন্ত উচ্চ স্তরে গিয়েছে। ওটা তো ফিল্টারেশন প্রসেস। তাঁকে তো ওটা অনৈতিকভাবে কালেক্ট করতে হবে। সো দিস ফিল্টারেশন প্রসেস, এটা তৃণমূল কংগ্রেসকে তো প্রশ্নচিহ্নের মধ্যে ফেলেছে।
Before You Go
CM Suvendu Adhikari News: জেলে মোবাইল ব্যবহার, কড়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী; তদন্তভার CID-কে



















