West Bengal Assembly Election 2026: ভোটের কাজে সিভিক পুলিশে না কমিশনের, বুথের ক্যামেরা বন্ধ দেখলেই পুনর্নিবাচন
Election Commission of India: ভোটের কাজে সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশকে নিষিদ্ধ করল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে লেখা চিঠিতে ECI-এর পক্ষ থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

West Bengal Assembly Election 2026: বিধানসভা ভোটের কাজে লাগানো যাবে না সিভিক পুলিশ, গ্রিন পুলিশ বা স্টুডেন্ট পুলিশকে। ২০২১, ২০২৪-এর কথা উল্লেখ করে নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি, পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে, কমিশন স্পষ্ট করে দিল, কোন কোন ক্ষেত্রে রিপোল করাতে হবে। কমিশনের নির্দেশিকা নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।
নজরে ভোট। ভোটের রাজ্যে ফের কড়া পদক্ষেপ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। এবারও ভোটের কাজে সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশকে নিষিদ্ধ করল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে লেখা চিঠিতে ECI-এর পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটের কাজে সিভিক পুলিশ, গ্রিন পুলিশ বা স্টুডেন্ট পুলিশকে কোনওভাবেই মোতায়েন করা যাবে না। এমনকী, ভোটের ৩ দিন আগে ও পরের দিন ইউনিফর্ম পরে কোনও ধরনের ডিউটি করতে পারবেন না সিভিক ভলান্টিয়াররা।
এই প্রথম নয়, এর আগেও সিভিক পুলিশে আপত্তি জানিয়েছিল কমিশন
এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও এই নির্দেশ দেয় জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটের মুখেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের অ্য়াড-হক বোনাস ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। ২৭ ফেব্রুয়ারি অর্থ দফতরের নির্দেশিকার ভিত্তিতে জারি হয় বিজ্ঞপ্তি। এ নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্টও তলব করে নির্বাচন কমিশন। এই আবহে ফের ভোটের কাজে গ্রিন পুলিশ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন।
কোথায়, কোন ক্ষেত্রে হবে পুনর্নিবাচন ? জানাল নির্বাচন কমিশন
বুধবার, ভার্চুয়াল মাধ্যমে রাজ্যের সমস্ত পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। সেই বৈঠকে পর্যবেক্ষকদের কাছে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়- কোন কোন ক্ষেত্রে রিপোল হবে। সূত্রের খবর, জ্ঞানেশ কুমার বলেন, কমিশনের ৩ হাজার ক্যামেরা বুথের ভিতর-বাইরে, রাস্তায়, নাকা চেকিং-এর কাজ করছে। বুথের ক্যামেরায় কালো কাপড় বা বুথের ক্যামেরা বন্ধ দেখলে অবিলম্বে সেখানে পুনর্নিবাচন ঘোষণা করতে হবে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, অতীতে এই নজির আছে এরাজ্যে, তাই নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে এবিষয়ে সতর্ক করবেন পর্যবেক্ষকরা। ক্যামেরায় গলদ দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এবার পশ্চিমবঙ্গে নিরাপদে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন করাতে তৎপর জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসেছে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিভিন্ন জায়গায় চলছে নাকা চেকিং। এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোট ২ দফায়। প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল। সেদিন ভোটগ্রহণ হবে ১৫২টি আসনে। দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল। সেদিন ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। আর ভোট গণনা হবে আগামী ৪ মে। ২৯৪টি বিধানসভা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে।





















