Prosenjit Chatterjee: প্রসেনজিতের সঙ্গে হঠাৎ সাক্ষাৎ অগ্নিমিত্রা-রাহুলের, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট! উদ্দেশ্য কী?
Prosenjit Chatterjee News: প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় যেদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, সেদিন থেকে নবান্ন থেকে বেরিয়েই জানিয়েছিলেন, যাবতীয় জল্পনাই ভুল

তোর্ষা ভট্টাচার্য্য, কলকাতা: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তীতে কলকাতা এসে, সটান তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এর কয়েকটা দিন পরেই, নবান্নে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। আর এবার, অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) আর রাহুল সিংহের সঙ্গে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ল প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের (Prosenjit Chatterjee) ছবি! সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজে এই ছবি ভাগ করে নিয়েছেন, রাহুল সিংহ। তবে কী নতুন কোনও সমীকরণ?
অগ্নিমিত্রা-রাহুলের সঙ্গে প্রসেনজিতের সাক্ষাৎ
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় যেদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, সেদিন থেকে নবান্ন থেকে বেরিয়েই জানিয়েছিলেন, যাবতীয় জল্পনাই ভুল। তিনি মোটেই রাজনীতির আঙিনায় পা রাখছেন না। কাজ ও টলিউড সংক্রান্ত বিভিন্ন কথা তিনি বলতে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। কোনও রাজনীতির কথা হয়নি। এর আগে, অমিত শাহ যখন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন, তখনও বিজেপি সরকার এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ২ তরফেই জানানো হয়েছিল, এটা নিছকই সৌজন্য সাক্ষাৎ। এর পিছনে কোনও রাজনীতি নেই। তবে আজ ফের অগ্নিমিত্রা পাল আর রাহুল সিংহের সঙ্গে ছবি প্রকাশ্যে আসতে, নতুন করে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। ঠিক কী ঘটেছে?
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সূত্র থেকে জানা গেল, বৈঠক নয়, বিমানবন্দরে দেখা হয়ে গিয়েছিল, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল এবং রাহুল সিংহের। সৌজন্য সাক্ষাতের পরে, সেখানেই এই ছবি তোলা হয়। এর পিছনে আদৌ কোনও রাজনীতি নেই। নিছকই হঠাৎ দেখা এবং সৌজন্য বিনিময় বলেই জানানো হয়েছে অভিনেতার তরফে। ব্যক্তিগত কাজে যাচ্ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবিটি পোস্ট করেছেন রাহুল সিংহ।
নবান্ন থেকে বেরিয়ে কী জানিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়?
এর আগে, নবান্ন থেকে বেরিয়ে, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা নস্যাৎ করে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, '১০ মিনিটের জন্য কিছু কথা হয়েছে। আজ আমি ৪০ বছর কাজ করছি। কিছু কিছু জিনিস আমারও দরকার হয়, আমার টিমের দরকার হয়। উনি মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী উনার কাছে এসে বলা, যাতে ওইটুকু সুযোগ সুবিধে আমরা আমরা পাই, যা আমরা গত ৪৫ বছর ধরে পেয়ে এসেছি। আমি বাইরে যাই একলা একলা অনেক সময় কাজ করতে। সেখানে আমার কিছু কিছু জিনিস প্রয়োজন হয়। আমি মনে করি এই চেয়ারটার সম্মান রয়েছে। যে কারণে আমার নিজে এসে ওঁকে সেই বিষয়ে বলা দরকার বা তাঁকে অনুরোধ করা দরকার। আর অবশ্যই যখন বসে গল্প করেছি কিছুক্ষণ, কফিও খেয়েছি। আর নানাবিধ কথা, ইন্ডাস্ট্রির কথা হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতে ভাল কাজ করতে পারি সেই বিষয়েও কথা বলেন উনি। সামনেই মহানায়ক উত্তম কুমারের ১০০ বছর। সেই জন্য আমাদের একটা বিরাট অনুষ্ঠান করা দরকার যাতে সারা দেশের মানুষ সেটা মনে রাখেন। এর বাইরে আমাদের কোন কথা হয়নি।'























