Ramayana: চিরকাল বয়ে নিয়ে গেলেন বাবার ঐতিহ্যকেই, প্রয়াত ছোটপর্দার রামায়ণ-এর এক কান্ডারী
Ramayana News: মুম্বইতেই প্রয়াত হয়েছেন আনন্দ রামানন্দ সাগর

কলকাতা: ছোটপর্দায় প্রথমবার 'রামায়ণ' তৈরি কার্যত হইচই ফেলে দিয়েছিলেন যিনি, তিনি রামানন্দ সাগর। সেই রামানন্দ সাগরের পুত্র, আনন্দ রামানন্দ সাগর চোপড়া প্রয়াত হয়েছেন। চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি তিনি প্রয়াত হয়েছেন মুম্বইতে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর, বাবার মতো তিনিও যুক্ত ছিলেন রুপোলি পর্দার সঙ্গেই। তাঁর মৃত্যুতে বলিউড আর ছোটপর্দায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকেই দুঃখপ্রকাশ করেছেন তাঁর চলে যাওয়াতে।
মুম্বইতেই প্রয়াত হয়েছেন আনন্দ রামানন্দ সাগর। তাঁর শেষকৃত্য মুম্বইয়ের পরমহংস শ্মশানঘাটে বিকেল ৪:৩০ মিনিটে সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর প্রয়াণের খবরটি তাঁর পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট শেয়ার করা হয়েছে, যেখানে আনন্দ সাগরের ছবির সঙ্গে লেখা ছিল, 'অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আমরা আমাদের প্রিয় পিতা আনন্দ রামানন্দ সাগর চোপড়ার প্রয়াণের খবর জানাচ্ছি।' এই পোস্টের সঙ্গে তাঁর শেষকৃত্যের বিষয়েও তথ্য দেওয়া হয়েছে। পরিবার সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন থেকেই বয়সজনিত অসুস্থতা ছিল না। ভুগছিলেন পারকিনসনের মতো রোগে।
আনন্দ সাগর ১৯৮৭ সালে তাঁর বাবার তৈরি 'রামায়ণ'-এ সহকারী প্রযোজক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পরেও আনন্দ সাগর পৌরাণিক এবং ভক্তিমূলক প্রকল্পগুলির নির্মাণ, সৃজনশীল তত্ত্বাবধান এবং ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৫ ভাইবোনের মধ্যে আনন্দ সাগরই ছিলেন, যিনি তাঁর বাবার ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছিলেন। তিনি 'রামায়ণ'-এর পরে 'আলিফ লায়লা', 'জয় জয় বজরংবলী', 'জয় শিবশংকর'-এর মতো ধার্মিক সিরিয়াল প্রযোজনা করেছেন। বাবার ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনিই। এছাড়াও তিনি 'আঁখে', 'আরমান'-এর মতো সিনেমাও বানিয়েছেন। এছাড়াও, আনন্দ সাগর লকডাউনের সময় পরিবারের সঙ্গে মিলিতভাবে পুনরায় 'রামায়ণ'-এর সম্প্রচার করেন, যা আবারও রেকর্ড সংখ্যক দর্শকের মন জয় করে।
অন্যদিকে, 'রামায়ণ' নিয়ে তৈরি হচ্ছে বড়পর্দায় ছবি, মুখ্যভূমিকায় অভিনয় করছেন রণবীর কপূর। দশরথের চরিত্রে অভিনয় করছেন অরুণ গোভিল। এই চরিত্র সম্পর্কে অরুণ গোভিল এই ছবি মুক্তির আগে বলেছেন, এই সিনেমাকে কী কী পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতে পারে? অরুণ গোভিল বলছেন, 'যখন কোনও মানুষ ঈশ্বরের চরিত্রে অভিনয় করছেন, তাঁকে এইরকমই দেখতে হবে, ওইরকমই দেখতে হবে। তবে হ্যাঁ, যিনি এমন একটা চরিত্রে অভিনয় করবেন, তাঁকে সবসময় মাথায় রাখতে হবে যে সমালোচনা হবেই। তবে হ্যাঁ, লুকটাকে একেবারে মাথায় না রাখলে চলবে না। একজনকে ঈশ্বরের মতো দেখতে লাগতে হবে, তবে মানুষ তাঁকে বিশ্বাস করবেন। কিন্তু এই ধরণের চরিত্রে অভিনয় করলে, সবসময় সমালোচনার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।























