Aparajita-Debdoot: শিশুসুরক্ষার গুরুত্ব নিয়ে আসছে অপরাজিতা-দেবদূতের নতুন সিনেমা
Tollywood New Film: পরিচালক ও প্রযোজকের তরফ থেকে জানানো হচ্ছে, 'শিহরণ' সিনেমাটি এমন একটা ঘটনা নিয়ে তৈরি, যা একটি শিহরণ জাগানোর মতন ঘটনা নিয়ে তৈরি

কলকাতা: নতুন সিনেমায় অপরাজিতা আঢ্য (Aparajita Auddy)। আসছে নতুন সিনেমা 'শিহরণ'। ছবিটি পরিচালনা করছেন, বাপ্পা বন্দ্যোপাধ্যায় (Bappa Bandyopadhyay)। স্কোয়্যার ওয়ান এন্টারটেনমেন্টের প্রযোজনায় এই সিনেমাটি করছেন 'বিশ্বজিৎ বালটি'। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন, অঞ্জনা বসু, দেবদূত ঘোষ, এলসা ঘোষ, ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায়, রুমকি চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বরূপ বিশ্বাস, দীপঙ্কর পাল, রাহুল গোস্বামী, সুস্মিতা চন্দ্র, সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়, কৌশানী মজুমদার ও অন্যান্যরা।
পরিচালক ও প্রযোজকের তরফ থেকে জানানো হচ্ছে, 'শিহরণ' সিনেমাটি এমন একটা ঘটনা নিয়ে তৈরি, যা একটি শিহরণ জাগানোর মতন ঘটনা নিয়ে তৈরি। বর্তমানে মানুষ অনেক শিক্ষিত, সমাজ ও অনেক উন্নত। তবে তারপরেও মাঝেমধ্যেই খবরের শিরোনামে জায়গা করে নেয় শিশুদের ওপর নির্যাতনের বিভিন্ন ঘটনা। দৈনন্দিন জীবনের এই ঘটনাগুলো শুনলে, ভয়ে শিউরে উঠবেন যে কোনও সাধারণ মানুষ। এই ছবি বিশেষ করে বাবা মায়েদের জন্য তৈরি। এই সিনেমা বাবা মায়েদের কাছে একটি শিক্ষণীয় বিষয় হবে। সন্তানকে শুধু শিক্ষিত করে তোলাই নয়, সুরক্ষার সমস্ত দিকগুলি দিয়ে তাকে সচেতন করাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানকে এটাও শেখাতে হবে যে কীভাবে সে সুরক্ষিত থাকবে। সন্তানের ভবিষ্যৎ যাতে সুরক্ষিত হয়, সেই দিকে বাবা মাকেই নজর রাখতে হবে। তার সঙ্গে বন্ধুর মতো হয়ে উঠতে হবে যাতে সে সমস্ত বিষয় বাবা মাকে বলতে পারে। ছোটদের জীবনের নানা ছোট ছোট দিক বুঝে নিতে হবে। কোথায় আনন্দ, কোথায় দুঃখ সবটা জানতে হবে। ছোট ছোট প্রশ্ন করে বুঝতে হবে, কেমন আছে তারা? তাদের মনের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করতে হবে। তাদের জীবন সুরক্ষিত করতে হবে। এই বিষয়গুলি নিয়েই আসছে নতুন ছবি 'শিহরণ'।
সিনেমাটির সঙ্গীত পরিচালক দেবাশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবির গানগুলি লিখেছেন, গৌতম ও সুস্মিত। ছবির ক্যামেরার দায়িত্বে রয়েছেন বাদল সরকার। ছবির রূপটান শিল্পী কিশোর দাস। ছবির আর্ট ডিরেক্টর সম্রাট চন্দ্র।
সদ্যই 'বানসারা' বলে একটি সিনেমার শ্যুটিং শেষ করেছেন অপরাজিতা। শহর থেকে অনেকটা দূরেই এই ছবির একটা বড় অংশের শ্যুটিং হয়েছে। অপরাজিতা আঢ্যের ১২ দিনের শিডিউল ছিল। শ্যুটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে অপরাজিতা বলেছিলেন, 'বানসারা-র শ্যুটিং করতে যেখানে গিয়েছিলাম, সেখানে কোনও নেটওয়ার্ক ছিল না। ফলে কেউ আমায় বিরক্ত করতে পারেনি। এটা আমার ভীষণ ভাল লেগেছে। আর ওখানে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা ছিল। সবাই কার্যত জমে যাচ্ছে। পরিচালক থেকে শুরু করে সবাই পালাতে পারলেই বাঁচে। কেউ কেউ তো দেখছি গায়ে কম্বল ও জড়িয়ে নিচ্ছে। আর তার মধ্যে একটা পাতলা শাড়ি পড়ে সারা রাত ধরে, জলে ভিজে প্রায় প্রত্যেকটা দিন শ্যুটিং করেছি। সব মিলিয়ে খুব মজা করেছি।' প্রথমে নাকি এই সিনেমাটা করতে রাজি হননি অপরাজিতা। পরে চিত্রনাট্য শুনে অভিনেত্রীর ভীষণ পছন্দ হয়। আর তার পর থেকেই শ্যুটিংয়ের পরিকল্পনা শুরু।






















