Rohit Shetty: চুরি করা স্কুটি থেকেই রোহিতের বাড়িতে চালানো হয়েছিল গুলি, গোটা ঘটনার পুননির্মাণ করল পুলিশ
Rohit Shetty News: সূত্রের খবর, জানা গিয়েছে যে স্কুটি করে অভিযুক্তরা গুলি চালাতে এসেছিল, সেটি পুণে থেকে চুরি করা হয়েছিল

কলকাতা: সম্প্রতি রোহিত শেট্টির (Rohit Shetty)-র বাড়িতে গুলি চলার মতো ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। ভোর রাতে পরিচালকের বাড়ির সামনে ৫ রাউন্ড গুলি চলে। এই ঘটনার তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দলের সদস্যরা। পুলিশ এবার এই ঘটনার পুননির্মান করে দেখছে। যারা গুলি চালিয়েছিল, তারা স্কুটি কোথা থেকে চুরি করেছিল, কীভাবে পালিয়েছিল এবং গুলি চালানোর পরে কোন পথে পালিয়েছিল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
সূত্রের খবর, জানা গিয়েছে যে স্কুটি করে অভিযুক্তরা গুলি চালাতে এসেছিল, সেটি পুণে থেকে চুরি করা হয়েছিল। চুরি করা সেই স্কুটি চালিয়েই মুম্বই পর্যন্ত নিয়ে আসা হয়েছিল। এই ঘটনাটির পুননির্মান করেছে মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এই ঘটনা পুনর্গঠনের সময়, পুণে থেকে গ্রেফতার হওয়া চার অভিযুক্ত - স্বপ্নিল সাকাত, আদিত্য গায়কি, সিদ্ধার্থ যেনপুরে এবং সমর্থ পোমাজিকে ক্রাইম ব্রাঞ্চ তাদের সঙ্গে রেখেছিল। সূত্রানুসারে, ক্রাইম ব্রাঞ্চ পুণে থেকে স্কুটি কেনা থেকে শুরু করে, রাস্তা দিয়ে সেটি মুম্বইতে আনা, মুম্বইয়ে আনার সময় অভিযুক্তরা যে জায়গাগুলোতে ছিল, সেই জায়গা সহ মুম্বইয়ের ভিলে পার্লে স্টেশনের বাইরে স্কুটি পার্ক করা পর্যন্ত প্রতিটি দৃশ্য নতুন করে তৈরি করেছে।
এই পুনর্গঠনের সময়, ক্রাইম ব্রাঞ্চের দল ক্রমাগত অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এবং তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই করেছে। এই পুরো দৃশ্য পুনর্গঠনের ভিডিওগ্রাফি ক্রাইম ব্রাঞ্চের পক্ষ থেকে যথাযথভাবে করা হয়েছে, যা এই মামলায় ভবিষ্যতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি বড় প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে। মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চের দাবি এই দৃশ্য পুনর্গঠনের সময় অভিযুক্তরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে যে স্কুটি মুম্বইয়ে পৌঁছে দেওয়ার পরে মূল অভিযুক্ত শুভম লোনকার তাদের ১১ হাজার টাকা দিয়েছিল। এর আগে, মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্তদের ৪০ হাজার টাকা পাওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু তদন্ত আরও এগোতে জানা যায়, ৪০ নয়, মোট ৫১ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে ৩০ হাজার টাকার স্কুটি কেনা হয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে আরও খবর, এই মামলায় ৬ নম্বর অভিযুক্ত প্রবীণ লোনকার জেল থেকে হেফাজতে আসার পরে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ঘটনার ২ সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও মূল শ্যুটার এখনও পুলিশের নাগালের বাইরে। তাকে ধরার জন্য খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।























