Ritwick Chakraborty on Swarup Arrest: 'ওঁরা নিশ্চয়ই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণাতেই..', স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হতেই কটাক্ষ ঋত্বিক চক্রবর্তীর
Ritwick Chakraborty reacts on Swarup BIswas arrest: ঋত্বিক বলেন, 'তারা যখনই কিছু করতেন সেখানে লিখতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় করেছে'

কলকাতা: দিনের পর দিন টালিগঞ্জে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস (Swarup Biswas)। ফেডারেশন চালানোর নামে কার্যত হাতে মাথা কেটেছেন বলে অভিযোগ। এবার তোলাবাজি, শ্লীলতাহানির মতো অভিযোগে সেই স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হতেই, বেরোতে শুরু করেছে জমে থাকা দীর্ঘদিনের ক্ষোভ। মুখ খুলেছেন জিতু কমল (Jeetu Kamal), ঋত্বিক চক্রবর্তী (Ritwick Chakraborty)-র মতো অভিনেতারা। এর আগে, সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের মতামত শেয়ার করে নিয়েছিলেন জিতু আর ঋত্বিক ২ জনেই। এদিন স্বরূপ বিশ্বাসকে নিয়ে মুখ খুললেন, ঋত্বিক। কী বললেন তিনি?
স্বরূপ বিশ্বাস প্রসঙ্গে ঋত্বিক চক্রবর্তী
এদিন ঋত্বিক বলেন, 'তারা যখনই কিছু করতেন সেখানে লিখতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় করেছেন। স্বস্তির নিঃশ্বাস্ত বটেই, কারণ ভয়ের পরিবেশ একটা তো ছিল বটেই। এবং তার সাথেই ছিল থ্রেট কালচার। আমি মনে করি, স্বরূপ বিশ্বাস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকেই অনুপ্রাণিত হয়েই করেছেন। কারণ ওঁরা তো সব জায়গাতেই লিখতেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায়..' আমার বিশ্বাস ওঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণা ছাড়া কিছুই করতেন না।' সোশ্যাল মিডিয়াতে হামেশাই ঋত্বিকের পোস্টে রাজনৈতিক ছোঁয়া থাকে। বিভিন্ন সময়ে, নাম না করে বিভিন্ন মজার পোস্ট করেন ঋত্বিক। তবে এবার, স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হওয়ার পের সাফ জবাব দিলেন তিনি।
স্বরূপ বিশ্বাস সম্পর্কে জিতু কমল
আজ এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জিতু কমল বলেন, 'এ তো ইন্ডাস্ট্রির লোকেরাই জানে.. কোথা থেকে কত টাকা নিয়ে কাজ দেওয়া হত.. শিল্পীদের সঙ্গে প্রযোজকদের সমস্যা তৈরি করা হত ইচ্ছাকৃত। ফেডারেশনের সভাপতি এবং ইমপার সভাপতি, তাঁরা প্রযোজকের কাছে টাকা চাইতেন। বলতেন, মিটিয়ে দেব গন্ডোগোল। আর্টিস্টদের ফোন করে বলতেন, 'ডেটটা দিয়ে দাও।' তাঁরা প্রোগ্রামার না ডিরেক্টর যে তাঁরা ডেট দেওয়ার কথা বলতেন? আমার সঙ্গেই হয়েছে।' জিতু আরও বলেন, 'অনেক ছবি নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। 'অরণ্যের প্রাচীন প্রবাদ' বলে আমার একটি সিনেমা নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। জয়ব্রতর ছবি নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফোরামের মিটিংয়ে মাইক্রোফোন কেড়ে নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে! একজন কথা বলছেন.. তাঁর কথার মধ্যে যদি এতটুকু আভাস থাকে যে, এই কথাটা স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে যেতে পারে বা তৃণমূলের বিরুদ্ধে যেতে পারে.. মাইক্রোফোনটা কেড়ে নিত। তাঁরা আজ উত্তর দেবেন না? তাঁরা তো ফোরামের মেম্বার। অন্যান্য গিল্ডের মেম্বার। এইরকম অহরহ.. প্রচুর ঘটনা রয়েছে।'























