Tollywood News: অঙ্গদানে এগিয়ে নারী, পিছিয়ে পুরুষেরা! বাস্তব গল্পকেই পর্দায় নিয়ে আসবে শিবপ্রসাদের সিনেমা, কলমে জিনিয়া
Tollywood Update: ছবির বিষয়বস্তু নিয়ে, ছবির চিত্রনাট্য লেখিকা জিনিয়া সেন (Zinia Sen) বলছেন, 'সমীক্ষা বলছে, ভারতবর্ষে অন্তত ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ অঙ্গদাতা হলেন নারীরা'

- শিবপ্রসাদ-নন্দিতা আগামী ছবিতে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের বার্তা দেবেন।
- বিশ্ব বৃক্ক দিবসে শিবপ্রসাদ পুরুষদের চেয়ে নারীদের অঙ্গদানে এগিয়ে রাখেন।
- সমীক্ষা বলছে, ভারতবর্ষে ৭০-৮০% অঙ্গদাতা নারী, ৮০% অঙ্গপ্রাপক পুরুষ।
- অঙ্গদান নিয়ে লিঙ্গবৈষম্য 'ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড' ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে।
কলকাতা: সিনেমার মাধ্যমে সমাজের গল্প বলা.. এই নীতিতে চিরকালই বিশ্বাস করে এসেছেন নন্দিতা রায় (Nandita Roy) আর শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shiboprosad Mukherjee)। 'রামধনু' থেকে শুরু করে 'মুক্তধারা', 'অ্যাক্সিডেন্ট', 'গোত্র', 'কন্ঠ'... একের পর এক ছবিতে সমাজের প্রতিচ্ছবিকেই তুলে ধরার চেষ্টা করেছে উইন্ডোজ়। তাঁদের আগামী ছবি, 'ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড', আর সেই ছবিতেই এবার অঙ্গ প্রতিস্থাপনের বার্তা দেবেন শিবপ্রসাদ-নন্দিতা।
আজ বিশ্ব বৃক্ক দিবস (world kidney day)। এই দিনই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন পরিচালক শিবপ্রসাদ। সেখানে তিনি লিখেছেন, অঙ্গদানে পুরুষদের চেয়ে এগিয়ে নারীরা, অথচ অঙ্গপ্রাপক হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন পুরুষেরাই। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, আগামী ছবিতে এই গল্পই তুলে ধরবেন শিবপ্রসাদ নন্দিতা। তাঁদের আগামী ছবিতে, সোহিনী সেনগুপ্ত (Sohini Sengupta), রাইমা সেন (Raima Sen), অনামিকা সাহা (Anamika Saha), অনন্যা চট্টোপাধ্যায় (Ananya Chatterjee), শ্যামৌপ্তি মুদলি (Shyamoupti Mudli) সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্র রয়েছে। আর সেখানেই নাকি পাওয়া যাকে অঙ্গদানের বার্তা!
ছবির বিষয়বস্তু নিয়ে, ছবির চিত্রনাট্য লেখিকা জিনিয়া সেন (Zinia Sen) বলছেন, 'সমীক্ষা বলছে, ভারতবর্ষে অন্তত ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ অঙ্গদাতা হলেন নারীরা। অথচ ৮০ শতাংশ অঙ্গপ্রাপকই হলেন পুরুষ। অঙ্গদান নিয়ে লিঙ্গবৈষম্য রয়েছে। 'ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড' গল্পের একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশে এই লিঙ্গবৈষম্যের কথা আমি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। গল্পে কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টের একটি অংশ রয়েছে। বাস্তব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই ওই অংশটা আমার লেখা। আমরা জানি, কিছুদিন আগে লালুপ্রসাদ যাদব কন্যা মোহিনী আচার্য পার্টি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁকে অনেক কুকথা শুনতে হয়েছিল। তাঁকে শুনতে হয়েছিল, তিনি তাঁর অপবিত্র কিডনি বাবাকে দিয়েছেন। যে সমস্ত মেয়েরা কিডনি দিতে রাজি হন বা হন না, ২ ক্ষেত্রেই তাঁদের অনেক কথা শুনতে হয়। এই ছবিতে রহস্য যেমন রয়েছে, পাশাপাশি রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও। ছবির গল্প আবর্তিত হবে এই কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টের ঘটনাকে ঘিরেই। বাস্তবের ছোঁয়াচ রেখেই গল্পটা লেখার চেষ্টা করেছি।'
প্রসঙ্গত, সদ্য আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে, সেটের অজানা গল্প বলেছিলেন পরিচালক নন্দিতা রায়। তিনি বলেছিলেন, সেটে অন্যান্য কলাকুশলীদের মধ্যে সবচেয়ে দুষ্টু ছিলেন রাইমা। পাশাপাশি পরিচালক এ ও বলেন, তিনি নাকি শ্যুটিং করতে গিয়ে হামেশাই সংলাপ ভুলে যেতেন। তবে রাইমার অভিনয়ের প্রশংসা করেন তিনি।























