Prosenjit Chatterjee: 'ওঁকে রাজনীতিতে জড়াবেন না, শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলাম', প্রসেনজিতের বাড়ি থেকে বেরিয়ে বললেন সুকান্ত
Sukanta Majumdar: প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে এদিন শাল আর ফুলের তোড়া দিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন সুকান্ত মজুমদার আর রুদ্রনীল

কলকাতা: প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee) সদ্যই পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছেন, ২৫ জানুয়ারি এই খবর পাওয়া মাত্রই শুভেচ্ছার বন্য়ায় ভাসছেন নায়ক। টলিউডের বহু সহ অভিনেতা অভিনেত্রী থেকে শুরু করে ছোটরা, সবাই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। আর এবার, তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের 'উৎসব' বাড়িতে হাজির হলেন সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে গিয়েছিলেন, রুদ্রনীল ঘোষ ও।
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে এদিন শাল আর ফুলের তোড়া দিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন সুকান্ত মজুমদার আর রুদ্রনীল। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়, রামলালার মূর্তি। ভোটের মুখে বিজেপির কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে আসা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। অনেকেই মনে করছেন, তবে কী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পাড়িতে বিজেপির প্রতিনিধি গিয়েছিলেন বিশেষ কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে?
এই প্রসঙ্গে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সুকান্ত মজুমদার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম মহীরুহ বলা হয়। বুম্বাদার পদ্ম পুরস্কার প্রাপ্তি উপলক্ষ্যে আমি আর আমাদের কালচারাল সেলের অন্যতম প্রধান রুদ্রনীল ঘোষ, আমাদের সভাপতি অনুপম ভট্টচার্য সহ অন্যান্যরা আজকে মাননীয় বুম্বাদাকে শুভেচ্ছা জানালাম, অভিনন্দন জানালাম। প্রায় ৪০ বছর ধরে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সেবা করে গিয়েছে এই মানুষটি। তাঁর এই কাজকে, পদ্ম পুরস্কারের মধ্যে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে স্বীকৃতি দিলেন, এই প্রাপ্তি বাংলার জন্য অত্যন্ত আনন্দের। আমাদের জন্য খুব আনন্দের। বুম্বাদা রাজনীতির ঊর্ধ্বে, আশা করি আপনারা ওঁকে রাজনীতিতে জড়াবেন না। আশা করব, আগামীদিনেও বুম্বাদা বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এইভাবেই ওঁর অবদান রেখে যাবেন। বাংলা সিনেমা এইভাবে উত্তর উত্তর শ্রীবৃদ্ধি হোক। ওঁর একটা সিনেমা ইতিমধ্যেই হলে চলছে, সেই ছবির জন্য ও ওঁকে শুভেচ্ছা জানালাম।'
সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, 'আমরা রাজনীতি করতে আসিনি। আমরা এসেছিলাম ওঁকে সম্বর্ধনা দিতে, শুভেচ্ছা জানাতে। সব কিছুতে রাজনীতি আনবেন না। শিক্ষাক্ষেত্র, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে রাজনীতি থাকা উচিত নয়। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে রাজনীতি ঢুকে গেলে তার ক্ষতিই হবে।' রুদ্রনীল ঘোষ সম্পর্কে এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, 'রুদ্রনীল ঘোষ আমাদের পার্টির নেতা, কিন্তু তিনি যখন কাজ করেন, তিনি অভিনেতা। সেখানে রাজনীতি থাকে না, থাকা উচিত না। প্রত্যেক অভিনেতার আলাদা মতামত, আলাদা মতাদর্শ থাকতে পারে। কিন্তু সিনেমার কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে যেন কোনও অভিনেতার রাজনৈতিক মতামত প্রাধান্য না পায়। টলিউডে রাজনীতির প্রভাব রয়েছে, মধু-কৈটভ রয়েছে। মধু কৈটভের যে অবস্থা হয়েছিল, ওঁদেরও সেই অবস্থাই হবে।'























