Mpox : এমপক্স ভাইরাসের নয়া স্ট্রেইনের থাবা এবার ভারতেও! কতটা ভয়ঙ্কর? জানাল WHO
এমপক্স ভাইরাসের এই স্ট্রেইন মূলত দুটি পরিচিত স্ট্রেইনের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য বহন করছে। এই স্ট্রেইনের সম্পূর্ণ চরিত্র বুঝতে, WHO জিনোমিক সিকোয়েন্সিং-এ নজর রাখছে।

ফের শিরোনামে এমপক্স ভাইরাস। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) দুজনের রিকম্বিন্যান্ট এমপক্স ভাইরাস স্ট্রেইনে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নিশ্চিত করেছে। প্রথম কেসটি United Kingdom এ ধরা পড়ে। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি কিছু দিন আগেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশে বেড়াতে গিয়েছিলেন। দ্বিতীয়জন ভারতের। তাঁরও কিছুদিন আগেই বিদেশে বেড়াতে যাওয়ার ইতিহাস রয়েছে।
এমপক্স ভাইরাসের এই স্ট্রেইন মূলত দুটি পরিচিত স্ট্রেইনের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য বহন করছে। এই স্ট্রেইনের সম্পূর্ণ চরিত্র বুঝতে, WHO জিনোমিক সিকোয়েন্সিং-এ নজর রাখছে। WHO-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভাইরাসের জিনোমিক সিকোয়েন্সিং করে দেখা গিয়েছে, এই দুই ব্যক্তিই কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে একই রিকম্বিন্যান্ট স্ট্রেইনে আক্রান্ত হন এবং দু'ক্ষেত্রেই উপসর্গ সংক্রান্ত মিল পাওয়া গেছে।
এমপক্স কী?
এমপক্স অতীতে মাঙ্কিপক্স নামেই বেশি প্রচলিত ছিল। এটি মূলত ভাইরাল সংক্রমণ। মূল লক্ষণগুলি হল, ত্বকে ফুসকুড়ি, র্যাশ ও ফ্লু। ত্বকের ফুসকুড়ি বা র্যাশের সঙ্গে গুটিবসন্তের ফুসকুড়ির বেশ মিল পাওয়া যায়।
কীভাবে ছড়ায়?
এমপক্স বেশ ছোঁয়াচে। সংস্পর্শের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। আবার কখনও কখনও এমপক্স আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা কোনও জিনিস থেকেও রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে।
এমপক্স কত রকমের
এমপক্স সাধারণত দুই রকমে। ক্লেড ১ এবং ক্লেড ২। ক্লেড ১ মধ্য আফ্রিকায় বেশি দেখা যায় । এটি কিন্তু ক্লেড ২ এর তুলনায় অনেক বেশি বিপজ্জনক। অন্যদিকে, ক্লেড ২ মূলত পূর্ব আফ্রিকায় বেশি হয়, তবে ২০২২ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এর প্রকোপ বেশি দেখা যাচ্ছে।
এমপক্সের লক্ষ্মণ কী কী?
- ঠাণ্ডা লাগা
- মাথাব্যথা
- ফুসকুড়ি (র্যাশ)
- ত্বকের আলসার বা ফোসকা
- জ্বর
- পেশীতে ব্যথা
- ক্লান্তি
- শরীরের লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়া
Cleveland Clinic এর মত অনুসারে, এমপক্সে আক্রান্ত সকলের ক্ষেত্রে সবরকম লক্ষ্মণ না-ও দেখা দিতে পারে। কারও শুধু ত্বকে র্যাশ হতে পারে, কারও শুধু ফ্লুয়ের উপসর্গ দেখা দিতে পারে আবার কারও কারও ত্বকে র্যাশের কোনও সমস্যা হয়তো হলই না।
বর্তমান পরিস্থিতিঃ
WHO বলছে, এমপক্স ভাইরাসের সবরকমের সংক্রমণ এখনও হয়। দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা না হলে এটি গোষ্ঠী সংক্রমণের রূপ নিতে পারে। জানুয়ারি মাসে WHO-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, WHO অন্তর্গত ৫ অঞ্চলের (ইউরোপীয় অঞ্চল বাদে) ৩১টি দেশে মোট ১০৪০টি নতুন এমপক্স আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নভেম্বর ২০২৫ এর তুলনায় ডিসেম্বরে চারটি অঞ্চলে আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। কিন্তু পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে আগের মাসের তুলনায় বেশিজন আক্রান্ত হয়েছে।
Check out below Health Tools-
Calculate Your Body Mass Index ( BMI )























