Assam News : পুলিশে ১৫-২০ হাজার নিয়োগ, প্রায় ৫ হাজার প্রোমোশন দেওয়ার ঘোষণা অসমে
Himanta Biswa Sarma : তিনি পুলিশকে নির্দেশ দেন, যেন কোনও অবস্থাতেই অসমের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে।

গুয়াহাটি : রাজ্যের পুলিশ বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ। ১৫ থেকে ২০ হাজার পুলিশকর্মী নিয়োগ করতে চলেছে অসমের বিজেপি-শাসিত সরকার। সঙ্গে প্রোমোশন দেওয়া হবে ৫ হাজার পুলিশকর্মীকে। মঙ্গলবার এমনই ঘোষণা করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। পুলিশ আধিকারিকদের দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের পর সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবেই বিবেচিত হবে। তিনি পুলিশকে নির্দেশ দেন, যেন কোনও অবস্থাতেই অসমের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে।
তিনি জানান যে, অসম পুলিশের অপরাধী সাব্যস্ত করার হার ২০২০ সালের প্রায় ৮ শতাংশ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে বর্তমানে ২৯.৩০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই অগ্রগতির আংশিক কারণ হিসেবে সময়মতো চার্জশিট দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন এবং জানান যে, সরকার এই হার আরও বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। অসম পুলিশকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দু'টি নতুন ব্যাটেলিয়ন গঠন করা হবে--যার একটি ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের জন্য এবং অন্যটি অয়েল ইন্ডিয়া ও ওএনজিসি (ONGC)-র নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রয়োজনে নিয়োজিত হবে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পুলিশ বাহিনীতে পদোন্নতি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে এবং প্রায় ৫ হাজার পদোন্নতির পরিকল্পনা করা হয়েছে। লাচিত বরফুকন পুলিশ অ্যাকাডেমিকে উন্নত করা হবে এবং এটিকে জাতীয় পর্যায়ের মর্যাদা দেওয়া হবে। পুলিশ সুপারদের পরবর্তী সম্মেলন ফেব্রুয়ারিতে বঙ্গাইগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হবে এবং জানানো হয়েছে যে, বর্তমান সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলি আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
পুলিশের আবাসন ব্যবস্থার বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান যে, সরকার কর্মীদের জন্য আবাসনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় ৯০ হাজার সদস্যের পুলিশ বাহিনীর বিপরীতে বর্তমানে মাত্র ১০ হাজার পুলিশ আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে এবং এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০ হাজারে উন্নীত করা হবে। মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করার লক্ষ্যে একটি মাদকবিরোধী টাস্ক ফোর্স গঠনের পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছেন শর্মা। আশা করা হচ্ছে, এক মাসের মধ্যেই এই বাহিনী গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
সরকার মাদক কারবারিদের জন্য কঠোরতর শাস্তির-যার মধ্যে শাস্তির মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত-ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মাদক পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার উদ্যোগ নেবে। প্রস্তাবিত এই বাহিনী অর্থনৈতিক অপরাধের বিষয়েও তদন্ত পরিচালনা করবে।
Before You Go
Hangla Hesel: ১০০টি আবাসনে ঘুরে ঘুরে ভোগের স্বাদ চেখে দেখবে টিম 'হ্য়াংলা হেঁশেল'






















