Bangladesh News: বাংলাদেশে ৮১ ফুট রাম মূর্তি প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, গ্রেফতার হলেন হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস
Bangladesh Lord Ram Statue Organiser Arrested : বাংলাদেশে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে, গ্রেফতার ৮১ ফুট রাম মূর্তি করতে চাওয়া হিন্দু উদ্যোক্তা।

নয়াদিল্লি: বাংলাদেশে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে, গ্রেফতার ৮১ ফুট রাম মূর্তি করতে চাওয়া হিন্দু উদ্যোক্তা। বাংলাদেশের গাইবান্ধা জেলা থেকে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)।। মূলত তাঁর বিরুদ্ধে ৯ কোটি ৩৫ লক্ষ মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ উঠেছে।
চারদিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক, গ্রেফতারের পিছনে কী অভিযোগ ?
সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, বাংলাদেশ হিন্দু-বুদ্ধিস্ট-খ্রীষ্টান ইউনিটি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ গ্রেফতারের এই খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমি, গাইবান্ধার পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেছি। পুলিশ সুপার আমাকে জানিয়েছেন যে, হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি তার কাছে, গ্রেফতারের পিছনে কী অভিযোগ রয়েছে, জানতে চাইলে, তিনি আমাকে বলেছেন, আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে ওই উদ্যোক্তাকে ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ' তবে এর পাশাপাশি তিনি এই গ্রেফতারের তীব্র নিন্দাও করেছেন। এদিন তাঁকে আদালতে তোলা হলে , চারদিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
গাইবান্দার বাসিন্দা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ ?
সিআইডি অভিযোগে জানিয়েছে, গাইবান্দার বাসিন্দা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস, ২০১০ সালে শিক্ষা প্রশিক্ষণ সম্পর্কিত কারণে অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিলেন। তাঁরাও আরও দাবি করেছেন, ২০১৯ সালে তিনি আবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের তদন্তকারী সংস্থার আরও দাবি, হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস, তাঁর প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা গড়ে তোলার জন্য পূর্বতন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আধিকারিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন বলেও অভিযোগ।
হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস ৮১ ফুট রাম মূর্তি করার প্রস্তাব রেখেছিলেন
সম্প্রতি গাইবান্দার বাসিন্দা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস ৮১ ফুট রাম মূর্তি করার প্রস্তাব রেখেছিলেন। গত মাসেই একটি বিক্ষোভের পর এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এদিকে জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশে আরও একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল। ২৫ বছর বয়সী এক যুবক অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছিল। ইতিমধ্যেই ভারত, বাংলাদেশের একাধিক সংগঠনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে, দেশের সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে হিন্দু-দেবদেবীর অবমাননা করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকার এই সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে এবং বাংলাদেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা দেবে।'






















