Delhi News: স্বপ্নের কলেজে যাওয়ার ছিল ক'দিন পরেই, তার আগেই পথ দুর্ঘটনায় সব শেষ
Delhi Road Accident: ম্যাঞ্চেস্টারে নিজের স্বপ্নের কলেজে পড়াশোনা করতে যাওয়ার কথা ছিল ২৩ বছরের সাহিলের। চলছিল শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কিন্তু পথ দুর্ঘটনায় শেষ হয়ে গেল সবটা।

Delhi News: দিল্লিতে ঘটেছে মর্মান্তিক এক ঘটনা। ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে ২৩ বছরের সাহিল ধনেশরা নামে এক যুবকের। বাইক নিয়ে যাচ্ছিলেন সাহিল। দ্রুত গতিতে ছুটে আসা একটি স্করপিও গাড়ি ধাক্কা মারে তাঁকে। ঘাতক স্করপিও এসইউভি গাড়িটির গতি এতই বেশি ছিল যে সাংঘাতিক জোরে সাহিলের বাইকে ধাক্কা মেরেছিল সেটি। আর তার জেরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সাহিলের। জানা গিয়েছে, ঘাতক গাড়িটি চালাচ্ছিল অল্প বয়সী একটি ছেলে (teenager)। গত ৩ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম দিল্লির দ্বারকার কাছে ঘটেছে এই মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। বাইকে করে যাওয়ার সময় একটি বাসকে ওভারটেক করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন সাহিল। সেই সময়েই উল্টো দিক থেকে প্রবল গতিতে ধেয়ে আসে ওই স্করপিও এসইউভি গাড়িটি। সাহিলের বাইকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় ওই গাড়িটির। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ২৩ বছরের সাহিলের।
ইতিমধ্যেই একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে দুর্ঘটনার আগের মুহূর্তে ওই স্করপিও এসইউভি গাড়িটি দেখা গিয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, সাংঘাতিক গতি ছিল গাড়িটির। স্বাভাবিকের থেকে অনেক বেশি জোরে গাড়িটি চালাচ্ছিল চালক। অনুমান, অতিরিক্ত গতির কারণেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বেসামাল হয়ে সাহিলের বাইককে পিষে দিয়েছিল ওই স্করপিও এসইউভি গাড়িটি। ঘাতক গাড়ির চালক সম্পর্কেও প্রকাশ্যে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্রের খবর, ১৭ বছর বয়সী একটি ছেলে গাড়িটি চালাচ্ছিল। অর্থাৎ গাড়ির চালক ছিল নাবালক। ড্রাইভিং লাইসেন্সও থাকার কথা নয়। একজন নাবালক কীভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া দিল্লির রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছিল তা নিয়ে উঠছে প্রচুর প্রশ্ন। এর পাশাপাশ এও জানা গিয়েছে যে, ঘাতক গাড়িটির চালক ১৭ বছরের ওই ছেলেটি বর্তমানে অন্তর্বর্তী জামিনে ছাড়া পেয়েছে তার দশম শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষার জন্য।
জানা গিয়েছে, আর কয়েক মাসের মধ্যে স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে একধাপ এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল সাহিলের। ম্যাঞ্চেস্টারে নিজের স্বপ্নের কলেজে পড়তে যাওয়ার কথা ছিল যুবকের। কিন্তু স্বপ্নপূরণের আগেই, লক্ষ্যে পৌঁছনোর আগেই ঘটে গিয়েছে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। আর সেই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন সাহিল। দুর্ঘটনার দিন অফিসে যাচ্ছিলেন সাহিল। সেই সময়েই তাঁর বাইকে সজোরে ধাক্কা মারে উল্টো দিক থেকে ধেয়ে আসা তীব্র গতির একটি স্করপিও এসইউভি গাড়ি। মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় সব। বিবিএ ফাইনাল সেমিস্টারের ছাত্র সাহিল সুযোগ পেয়েছিলেন নিজের স্বপ্নের কলেকে মাস্টার ডিগ্রি পড়ার। এমএসসি করার জন্য ইউনাইটেড কিংডমের Luxury Fashion Management - এ যাওয়ার কথা ছিল সাহিলের। ওখান থেকে এসে গিয়েছিল চিঠি। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সাহিল। কিন্তু ৩ ফেব্রুয়ারি এক লহমায় শেষ হয়ে গিয়েছে সবটা।























