Tsunami Swing Collapse: মার্চে অবসর নেওয়ার কথা ছিল, পুলিশের চাকরির ৩৬ বছর পূর্ণ করতেন জগদীশ প্রসাদ, তার আগেই সব শেষ...
Haryana Faridabad Fair: হরিয়ানা পুলিশে ১৯৮৯ সালে যোগ দিয়েছিলেন জগদীশ প্রসাদ। এবছর মার্চ মাসে চাকরি জীবনের ৩৬ বছর পূরণ করে অবসর নেওয়ার কথা ছিল তাঁর।

Tsunami Swing Collapse: ফরিদাবাদের সূর্যকুণ্ড মেলায় ঘটে গিয়েছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। মেলার মাঠেই ভেঙে পড়েছে 'সুনামি দোলনা'। সেই সময় অনেকেই চড়ে বসেছিলেন ওই দোলনায়। আহত হয়েছেন প্রচুর মানুষ। আর মেলার মাঠে এই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার জেরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এক পুলিশ আধিকারিকের। মাথায় চোট পেয়েছিলেন জগদীশ প্রসাদ। ৫৭- তেই থেমে গিয়েছে এই পুলিশকর্তার জীবন। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অনেকে। ১৩ জনের গুরুতর ভাবে জখম হওয়ার কথা পাওয়া গিয়েছে এখনও পর্যন্ত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মেলার মাঠে দোলনা ভেঙে বিপর্যয়ের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও বহুবার বহু জায়গায় হয়েছে। তাও কেন সঠিক ভাবে নিরাপত্তাজনিত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয় না, সাধারণ মানুষকে বলি হতে হয় এই অবহেলার তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
উত্তরপ্রদেশের মথুরার বাসিন্দা ছিলেন তিনি। ৩১ জানুয়ারি থেকে ফরিদাবাদের এই মেলার মাঠে ডিউটি পড়েছিল তাঁর। সহকর্মীদের মধ্যে কাজের প্রতি নিষ্ঠা, একাগ্রতা, মনযোগের জন্যই জনপ্রিয় ছিলেন জগদীশ প্রসাদ। একজন দায়িত্ববান পুলিশ আধিকারিক ছিলেন তিনি। এবছর মার্চ মাসেই অবসর নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তার একমাস আগেই ঘটে গেলে মারাত্মক ঘটনা। শনিবার সন্ধ্যায় যখন মেলার মাঠে বিশালাকার ওই 'নাগরদোলনা' জাতীয় জিনিসটি ভেঙে পড়েছিল, নিমেষের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় চারপাশে। ২ জন মহিলা কনস্টেবলকে নিয়ে আহতদের বাঁচাতে ছুটে গিয়েছিলেন জগদীশ প্রসাদ। আর সেই সময়েই মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি।
Inspector Dies, 13 Hurt as Tsunami Ride Collapses at Surajkund Mela
— Sumit (@SumitHansd) February 7, 2026
When the Tsunami ride jammed at its peak, tilted, and crashed with 15 to 19 people aboard. Veteran officer Prasad, 59, from Palwal Police and a 36-year Haryana Armed Police member, died helping evacuate victims pic.twitter.com/KikOrfCbfA
হরিয়ানা পুলিশে ১৯৮৯ সালে যোগ দিয়েছিলেন জগদীশ প্রসাদ। এবছর মার্চ মাসে চাকরি জীবনের ৩৬ বছর পূরণ করে অবসর নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। হরিয়ানা সরকারের তরফে ২০১৯-২০ সালে বিশেষ সম্মান (মেডেল) পেয়েছিলেন তিনি। এমন নিষ্ঠাবান পুলিশ আধিকারিকের এ হেন অকাল মৃত্যুতে শোকগ্রস্ত গোটা পুলিশ বিভাগ। স্ত্রী, দুই কন্যা এবং এক ছেলেকে নিয়ে ছোট পরিবার ছিল জগদীশ প্রসাদের। তাঁর ছেলেমেয়েরা সকলেই ছাত্রছাত্রী। পড়াশোনা করছেন। আচমকাই পরিবারের উপর থেকে সরে গিয়েছে বাবার ছায়া। বলা ভাল পুলিশকর্তার মৃত্যুতে তাঁর পরিবারের সদস্যরা এক লহমায় হারিয়ে ফেলেছেন ভরসার সবচেয়ে পোক্ত জায়গাটা।























