Crude Oil Shortage : তেল শোধনাগার বন্ধ করল MRPL, খবর সূত্রের! তবে কি অপরিশোধিত তেলের অভাব এবার প্রকট?
Crude Oil News: সূত্রের খবর, এবার অপরিশোধিত তেলের অভাবে তৈল শোধনাগার বন্ধ করে দিল ভারতের সংস্থা MRPL বা ম্যাঙ্গালোর রিফাইনারি অ্যান্ড পেট্রোকেমিক্যাল লিমিটেড।

ইরান ও ইজরায়েলের (Iran Israel War) দ্বন্দ্ব সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে। এই যুদ্ধে জড়িয়ে রয়েছে আমেরিকাও (USA)। আর এই যুদ্ধ শুরুর পর একের পর এক ঘটনার কারণে চাপে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধ করে দিয়েছে ইরান (Iran)। আর ইরানের এই সিদ্ধান্তে চাপে পড়েছে সেই সব দেশ যারা ওই হরমুজ দিয়েই নিজেদের প্রয়োজনীয় তেল আমদানি করে। গোটা বিশ্বের যা তেলের লেনদেন হয় তার ২০ থেকে ২৫ শতাংশ তেল বিকিকিনি হয় ওই হরমুজ প্রণালী দিয়েই।
ভারত তেল আমদানিকারক দেশগুলোর মধ্যে পড়ে। কারণ আমাদের দেশ প্রয়োজনের প্রায় ৮৫ শতাংশ তেল আমদানি করে। আর ভারতের আমদানিকৃত তেলের প্রায় ৫০ শতাংশ তেল আসে ওই হরমুজ প্রণালী দিয়েই। সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ইরাক সহ একাধিক দেশের কাছে থেকে তেল কেনে আমাদের দেশ। যদিও এর বাইরেও রাশিয়া, আমেরিকা বা ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল কেনে ভারত। ফলে, একেবারে জলে পড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা ভারতের না হলেও চাপ একটু বেড়েছে ভারতেরও।
সূত্রের খবর, এবার অপরিশোধিত তেলের অভাবে তৈল শোধনাগার বন্ধ করে দিল ভারতের সংস্থা MRPL বা ম্যাঙ্গালোর রিফাইনারি অ্যান্ড পেট্রোকেমিক্যাল লিমিটেড। সূত্রের খবর ম্য়াঙ্গালোর রিফাইনারি অ্যান্ড পেট্রোকেমিক্য়াল লিমিটেডের (Mangalore Refinery and Petrochemicals Limited) ওই শোধনাগারে দৈনিক ৩ লক্ষ ব্যারেল তেল শোধন করা হত। আর এই খবর যদি সত্যি হয় তাহলে দৈনিক প্রয়োজনীয় তেলের চাহিদা মেটাতে পারবে না আমাদের দেশ।
ইতিমধ্যেই বাড়ছে ক্রুড অয়েলের দাম। ইন্টার কন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে বেঞ্চমার্ক ক্রুড অয়েলের এপ্রিল কন্ট্র্যাক্টের দাম ইতিমধ্যেই বেড়ে গিয়েছে ২.৪৩ শতাংশ। আপাতত এই ক্রুড অয়েল ব্যারেল প্রতি ৮৩.২৬ ডলারে ট্রেড করছে। শুধুমাত্র এটা নয় নিউ ইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়টের এপ্রিলের কন্ট্র্যাক্টের দামও বেড়েছে ২.৬৩ শতাংশ। ইতিমধ্যেই এই তেলের ব্যারেল প্রতি দাম ছুঁয়ে ফেলেছে ৭৬.৬৩ ডলার।
তবে ক্রুড অয়েলের দাম এই ভাবে বাড়তে থাকলে ভারতের খরচ বাড়বে হু হু করে। উদাহরণ দিয়ে বললে, প্রতি বছর যদি ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ১ ডলার করে বাড়ে, তাহলে ভারতের তেল আমদানির খরচ বেড়ে যেতে পারে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা।
























