Iran Israel Conflict: ইরান বনাম আমেরিকা, সামরিক শক্তির নিরিখে কে কোথায়?
Iran Israel News: ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাৎজ দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি, সেদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

Iran Israel Conflict: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত আয়াতোল্লা খামেনেই (Ayatollah Ali Khamenei), দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)। ট্রাম্পের এই দাবির পরে ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের তরফে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। শনিবার সকাল থেকে ইরানে হামলা চালায় ইজরায়েল। হামলার একের পর এক ছবি-ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে ইতিমধ্যেই। পরে পাওয়া খবর অনুযায়ী, ইরানকে সহায়তা করেছে আমেরিকা। ইরানের সংবাদমাধ্যমের সূত্র অনুযারী, আয়াতোল্লা খামেনেই-এর সঙ্গে মৃত্যু হয়েছে তাঁর মেয়ে, জামাই এবং নাতনির। তেহরান-সহ ইরানের নাম করা শহরগুলিতে পরপর হামলা চালানো হয়।
এই হামলার পরেই নড়েচড়ে বসেছে ইজরায়েল। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাৎজ (Israel Katz) দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি, সেদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার (Drone Attack) বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। নাগরিকদের নিরাপদ এবং বাড়ি বা আশ্রয়স্থলের কাছাকাছি থাকার কথা বলা হয়েছে। এদিকে, ইজরায়েলের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়ার দরুন অসামরিক বিমান চলাচলে আপাতত ছেদ পড়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত সামরিক বাহিনীর সহায়তায় ইজরায়েলের শক্তি যে দ্বিগুণ হয়েছে তা বলাই বাহুল্য। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সামরিক শক্তির বিচারে ইরান ও আমেরিকা - এই দুই দেশের মধ্যে কে কোথায় দাঁড়িয়ে।
সক্রিয় সেনাবাহিনী
একাধিক রিপোর্ট সূত্রে জানা যাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৩ লক্ষ ৯০ হাজার সক্রিয় সেনাকর্মী রয়েছেন। পাশাপাশি, ওয়াশিংটনে অতিরিক্ত ৭৯৯,৫০০ জন রিজার্ভ কর্মী রয়েছেন। আবার অন্যদিকে, ইরানে ৬১০,০০০ জন সক্রিয় সেনাকর্মী রয়েছেন। তেহরানে ৩৫০,০০০ রিজার্ভ কর্মী রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
সামরিক বিমান
জানা যাচ্ছে, পেন্টাগনের কাছে ১৩,০০০-এরও বেশি বিমান রয়েছে। সংখ্যাটি ১৩,২০০ এর আশেপাশে। এর তুলনায় ইরানের সামরিক বিমানের সংখ্যা অনেক কম। ইরানের কাছে রয়েছে মাত্র ৫৫০টি বিমান।
সামরিক বাজেট
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি। ফলে তাদের প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের অঙ্ক অনেকটাই বেশি। এই দেশ প্রতিরক্ষা খাতে প্রায় ৮৯০ বিলিয়ন ডলার (সম্ভাব্য) পর্যন্ত ব্যয় করতে পারে। এদিকে, সংকটাপন্ন অর্থনীতির সঙ্গে যুঝতে থাকা ইরানের প্রতিরক্ষা বাজেটে ব্যয়ের পরিমাণ ১৫ বিলিয়ন ডলারের আশেপাশে।
সাবমেরিন
বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপথেও যথেষ্ট আধিপত্য রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। জানা যাচ্ছে, আমেরিকার ভাণ্ডারে রয়েছে ১১টি যুদ্ধবিমান ও ৬৮টি সাবমেরিন। আবার এদিকে, ইরানের রয়েছে ১৯টি সাবমেরিন।
ড্রোনের সংখ্যা
আলাদাভাবে দেখতে গেলে সামরিক ক্ষেত্রে ড্রোনের বিষয়ে ইরান শক্তিশালী। কিন্তু তা কখনোই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ড্রোনের সংখ্যার চেয়ে বেশি নয়। আমেরিকার ভাণ্ডারে রয়েছে প্রায় ৭৫০০টি UAV/ড্রোন, সেদিকে ইরানের রয়েছে প্রায় ২০০টি ড্রোন।
ট্যাঙ্ক ও মিসাইল
ট্যাঙ্কের সংখ্যার নিরিখে আমেরিকার ঝুলিতে রয়েছে ৫০০০টি ট্যাঙ্ক, ইরানে রয়েছে ২০০০টি ট্যাঙ্ক। এদিকে, ট্রাম্পের আমেরিকার অস্ত্র ভাণ্ডারে রুয়েছে ৫৫০০ টি মিসাইল এবং ইরানের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি ৩০০০।























