Iran-Israel Conflict : এবার নেতানিয়াহুর অফিস লক্ষ্য করে মিসাইল ছোড়া হয়েছে, বড় দাবি ইরানের
Iran Unrest : আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানে অন্তত ৫৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানিয়ান রেড ক্রেসেন্ট সোসাইটি।

তেল আভিভ : হামলা-পাল্টা হামলা চলছেই। এবার ইজরায়েল-আমেরিকা বাহিনীর সঙ্গে ইরানের সংঘর্ষে বড় খবর সামনে আসছে। তেল আভিভে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর অফিস এবং হাফিয়ায় অবস্থিত সিকিউরিটি ও মিলিটারি সেন্টারে টার্গেট করে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করল ইরানের ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ডস গ্রুপ। এর পাশাপাশি পূর্ব জেরুজালেমেও আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে দাবি তাদের। ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে রিপোর্ট করত এই বাহিনী। শনিবারই আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছেন খামেনেই। তারপর থেকে সমানে সংঘর্ষ চলছে উভয় পক্ষে। ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ডস গ্রুপের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইহুদি শাসনব্যবস্থার অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারি বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দফতরে টার্গেট করা হয়েছে। এই হামলায় খাইবার মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছে।
এফিপির রিপোর্ট অনুযায়ী, জেরুজালেম জুড়ে একাধিক নতুন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর আগেই ইজরায়েল মিলিটারি জানিয়েছিল, ইরান থেকে নতুন করে মিসাইল ছোড়া হয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলে, "কিছুক্ষণ আগে, আইডিএফ ইরান থেকে ইজরায়েল ভূখণ্ডের দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে। এই হামলা প্রতিহত করার জন্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে।"
এদিকে সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটি এবং সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার পর ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডের লেইন "ইরান এবং তার সহযোগীদের এই অঞ্চল জুড়ে বেপরোয়া এবং নির্বিচার আক্রমণের" নিন্দা করেছেন। তিনি ব্রাসেলসে সাংবাদিকদের বলেন, "উত্তেজনা কমাতে এবং সংঘাত ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করতে আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।" পাশাপাশি তিনি সতর্কবার্তা দেন, "এই অঞ্চলে স্থিতাবস্থা ফেরানো সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ।"
উল্লেখ্য, আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানে অন্তত ৫৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানিয়ান রেড ক্রেসেন্ট সোসাইটি। শনিবার যৌথভাবে অপারেশন এপিক ফিউরি/রোরিং লায়ন চালায় ইজরায়েল ও আমেরিকা। তাতে নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই। খামেনেইয়ের মৃত্য়ুকে 'মহা অপরাধ' বলে নিন্দা করেন ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান। পাশপাশি, এই হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, এই মহা অপরাধের জবাব দেওয়া হবে। যা ইসলামিক বিশ্বে নতুন ইতিহাস তৈরি করবে। সমস্ত শক্তি দিয়ে, দৃঢ়তার সঙ্গে ইসলামিক দেশ এবং বিশ্বের স্বাধীন জনগণের সমর্থন নিয়ে অনুতপ্ত করা হবে অপরাধীদের। তারপর থেকে হামলা-পাল্টা হামলা লেগেই রয়েছে।























