Iran Israel War: খামেনেইয়ের মৃত্যুতে 'প্রতিশোধের প্রতিশ্রুতি', দুবাই-দোহা-কাতারে ইরানের পরপর হামলা
Iran Israel Conflict: খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর মধ্যপ্রাচ্যের ২৭টি আমেরিকার সেনাঘাঁটিতে ইরানের হামলা। বাহরিন, কাতার, জর্ডান, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ইরানের হামলা।

Iran Israel War: ইরানের প্রধান শাসকের মৃত্যু হয়েছে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায়। আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরই ইরান জানিয়েছিল প্রতিশোধ নেওয়া হবে। সেই প্রতিশ্রুতি মতোই পশ্চিম এশিয়ায় থাকা একাধিক আমেরিকান এবং ইজরায়েলি সেনাঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের সংবাদমাধ্যম খামেনেই- র মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করার পরই শুরু হয়েছে আক্রমণ। দুবাই, দোহা, কাতার, মানামা - এইসব শহরে হামলা চালানো হয়েছে ইরানের তরফে। সক্রিয় করা হয়েছে সাইরেন।
খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর মধ্যপ্রাচ্যের ২৭টি আমেরিকার সেনাঘাঁটিতে ইরানের হামলা। বাহরিন, কাতার, জর্ডান, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ইরানের হামলা। দোহাতেই সকাল থেকে পরপর ১১টি বিস্ফোরণ। ইরানের পাল্টা মিসাইল হানা, তেল আভিভে ধ্বংসের ছবি। দুবাইয়ের CIA দফতরেও হামলা ইরানের। দুবাইয়ের এয়ারপোর্ট, হোটেলে আছড়ে পড়ল ইরানের মিসাইল, বন্ধ এয়ারপোর্ট। খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরান যেমন একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার একের পর এক ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে, তেমনই টার্গেট করেছে ইজরায়েলকেও। তেল আভিভে শনিবার রাত থেকেই একের পর এক মিসাইল আছড়ে পড়েছে। খামেনেইয়ের মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের পাশাপাশি ৭ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছেন প্রশাসন।
অপরাশেন 'লায়ান্স রোর'-এ নিহত ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। আর তারপরেই পাল্টা প্রত্যাঘাত আনল ইরান। ২৭টির বেশি আমেরিকার সেনাঘাঁটিতে কখনও ক্ষেপণাস্ত্র। কখনও ড্রোন দিয়ে হামলা চালাল ইরান। রাতের আকাশ ভরে গেল একের পর এক মিসাইল ও বিস্ফোরণের আলোয়। দুবাইয়ে বুর্জ খালিফার কাছ দিয়েই উড়ে গেল তেহরানের মিসাইল। আতঙ্কে খালি করে দেওয়া হল পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু বিল্ডিংটি। শুধুমাত্র দোহাতেই রবিবার সকাল থেকে পরপর ১১টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সব মিলিয়ে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধে উত্তপ্ত হয়ে উঠল গোটা পশ্চিম এশিয়া।
ইরানে নিহত আয়াতোল্লা খামেনেই। আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলার মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ শাসকের। এই ঘটনার প্রতিবাদে করাচির আমেরিকান কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন অনেকেই। ৮-৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। করাচির সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আহতদের। সেখানেই রয়েছে মৃতদের দেহ। Edhi Foundation রেসকিউ সার্ভিসের মুখপাত্র মহম্মদ আমিন নামের এক ব্যক্তি সংবাদ সংস্থার এএফপি- কে এইসব তথ্য জানিয়েছেন। আহত এবং নিহতদের অনেকের শরীরের বুলেটের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।























