Iran Missile Strike: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষ, বিশ্ব জুড়ে চড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম ! ব্যারেলপ্রতি কোথায় দাঁড়াল দাম ? কতটা প্রভাব পড়বে সেনসেক্স-নিফটিতে, নজর দিল্লির
Iran vs Israel War : মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষ, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের বাড়তি দামের দিকে নজর রাখছে ভারত।

নয়াদিল্লি: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষ, বিশ্ব জুড়ে চড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। ব্যারেলপ্রতি অপরিশোধিত তেলের দাম হল ৭০ ডলার। হরমুজ প্রণালিতে তৈলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় থাকলে, মহার্ঘ হবে তেল, আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের বাড়তি দামের দিকে নজর রাখছে ভারত। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে কতটা প্রভাব পড়বে সেনসেক্স-নিফটিতে, নজর দিল্লির।
ইরান-ইজরায়েলের সংঘর্ষের মধ্য়েই বিশ্বজুড়ে চড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। অপরিশোধিত তেলের ব্যারেলপ্রতি দাম হল ৭০ ডলার। এই আবহে বৈঠকে বসছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ইরানে হামলার নিয়ে দুশ্চিন্তাপ্রকাশ রাশিয়া, চিনের। অতীতে ইজরায়েলের সঙ্গে গভীর অর্থনৈতিক, প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল ইরানের। দ্বন্দ্বের শুরু ইসলামিক বিপ্লবের মাধ্যমে আয়াতোল্লাহ খামেনেই ক্ষমতায় আসার পর। তিনি ইজরায়েলকে ‘শয়তান রাষ্ট্র’ বলে ঘোষণা করে, তাকে ধ্বংস করা শাসনের মূল মতাদর্শ করে তোলেন। এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধেও হামাস, হিজ়বুল্লা-সহ পশ্চিম এশিয়ায় বিভিন্ন দেশে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীকে মদত দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি, পরমাণু প্রকল্পকে কেন্দ্র করে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে সংঘাত তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। ইরান যদি পরমাণু প্রকল্প বন্ধ না করে, তা হলে ফল ভুগতে হবে বলে তেহরানকে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেই হুঁশিয়ারির মধ্যেই আমেরিকার মদতে তেহরানে হামলা চালাল ইজ়রায়েল।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপেই কাটে জট। ভারত আমেরিকার বাণিজ্য় চুক্তি চূড়ান্ত হল। সোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। এও জানালেন, নরেন্দ্র মোদি রাজি হন, রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করে, আমেরিকা থেকে আরও বেশি করে তেল কিনতে! সম্পর্কের নতুন দরজা খুলে যাওয়ায়, আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে ধন্য়বাদ জানান প্রধানমন্ত্রী মোদিও। দেওয়া-নেওয়ার মধ্য়ে দিয়েই বাণিজ্য় চুক্তিতে রাজি হল ভারত-আমেরিকা। এবং সেজন্য় ভারত নিজের অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসেছে বলেও দাবি করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। এনিয়ে দুই দেশের মধ্য়ে দীর্ঘ টানাপোড়েন চলছিল। অবশেষে সেই গুরুত্বপূর্ণ শর্তে সম্মত হয়েছে দু'দেশ।
নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে নরেন্দ্র মোদিকে খুব ভাল বন্ধু বলে জানিয়ে, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের যে অবস্থানে তিনি সবচেয়ে বেশি অসন্তুষ্ট ছিলেন, সেই অবস্থান থেকে ভারত সরে এসেছে। অর্থাৎ, তারা রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে! দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়া থেকে তেল কিনছিল ভারত। বেশ কম দামেই তেল পাচ্ছিল নয়াদিল্লি। কিন্তু, ট্রাম্প বারবার দাবি জানাচ্ছিলেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে হবে ভারতকে। এই শর্ত আরোপের জন্য় ভারতের ওপর বিপুল শুল্কও চাপিয়েছিলেন তিনি। লাগাতার চাপ দিচ্ছিলেন। অবশেষে মোদি সরকার সেই শর্ত মানতে রাজি হয়ে গেছে বলে সোশাল মিডিয়ায় দাবি করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ ভারত আর রাশিয়ার থেকে অপরিশোধিত খনিজ তেল কিনবে না।























