Mumbai News: অবশেষে থামল মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়াই, দুর্ঘটনার ১০ দিন পর মৃত্যু গুরুতর জখম যুবকের, আশঙ্কাজনক তাঁর স্ত্রী
Road Accident: গত ৫ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ের বিদ্যাবিহার এলাকার সোমাইয়া কলেজের কাছে ধ্রুমুলের স্কুটারে ধাক্কা মারে তীব্র গতিতে ধেয়ে আসা একটি এসইউভি গাড়ি। অভিযোগ, এক নাবালক ওই গাড়ি চালাচ্ছিল।

Mumbai News: ১০ দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন যুবক। প্রাণপণ প্রার্থনা করেছিলেন তাঁর প্রিয়জনরাও। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। মৃত্যু হয়েছে ৩৩ বছরের মুম্বইয়ের বাসিন্দার। অভিযোগ, ১০ দিন আগে একটি এসইউভি গাড়ি ওই যুবকের স্কুটারে ধাক্কা মেরেছিল। ওই গাড়িটি একজন নাবালক চালাচ্ছিল বলে অভিযোগ। দুর্ঘটনার দিন যুবকের সঙ্গে স্কুটারে ছিলেন তাঁর স্ত্রী-ও। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ওই যুবতী, জানিয়েছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম ধ্রুমুল প্যাটেল। আর সেদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মৃণাল।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি ঘটেছিল দুর্ঘটনা। মুম্বইয়ের বিদ্যাবিহার এলাকার সোমাইয়া কলেজের কাছে ধ্রুমুলের স্কুটারে ধাক্কা মারে তীব্র গতিতে ধেয়ে আসা একটি এসইউভি গাড়ি। অভিযোগ, এক নাবালক ওই গাড়ি চালাচ্ছিল। বিনা লাইসেন্সে একজন নাবালক কীভাবে মুম্বইয়ের রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছিল তা নিয়ে স্বভাবতই উঠেছে প্রশ্ন। প্রচণ্ড গতি ছিল গাড়ির। অত্যন্ত বেপরোয়া ভাবে এসে ধ্রুমুলের স্কুটারে ধাক্কা মারে ওই এসইউভি গাড়িটি। পুলিশ সূত্রে খবর, নাবালকের বাবা ভালজি রাজা ভূষণ এই গাড়ির আসল মালিক বলে জানা গিয়েছে। বেপরোয়া গতির জেরে সাধারণ মানুষকে প্রাণ দিতে হচ্ছে, এই ঘটনা নতুন নয়। শুধু মুম্বই নয়, কলকাতা-দিল্লি-বেঙ্গালুরু, বাদ নেই কেউই। দেশের প্রথম সারির তাবড় তাবড় মেট্রোপলিটান শহরে বেপরোয়া গতির বলি হওয়া এখন পরিচিত ঘটনা।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় আগেই এফআইআর দায়ের হয়েছিল। ধ্রুমুলের মৃত্যুর পর তা আপডেট করা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারা অনুসারে আপডেট হয়েছে আগের এফআইআর। তিলক নগর থানায় দায়ের হয়েছে মামলা। ওই নাবালক এবং তার বাবার বিরুদ্ধে উঠেছে অভিযোগ। একজন নাবালককে কীভাবে গড়ি চালানোর অনুমতি দিলেন তার বাবা, এই অভিযোগেই আটক করা হয়েছে গাড়ির মালিক ভালজি রাজা ভূষণকে। ঘটনাস্থলে গিয়েও পরিদর্শন করেছে পুলিশ। আশপাশের এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ। গাড়ির গত কত ছিল তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। কেন ওই এসইউভিটি গাড়িটি স্কুটারে এসে ধাক্কা মারল, শুধুই কি গাড়ির গতি বেশি ছিল, চালক বেপরোয়া ছিল, নাকি এর পিছনে আরও কোনও কারণ রয়েছে - সবটাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্ত চলছে। অভিযুক্ত বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় অনেক অভিযোগ এসেছে।























