নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া আয়-ব্যয়ের হিসেব অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে অজানা সূত্র থেকে বিজেপি-র আয় প্রায় ৪৬১ কোটি টাকা। একইভাবে কংগ্রেসের আয় ১৮৬.০৪ কোটি টাকা। ২০ হাজার টাকার নীচে চাঁদার ক্ষেত্রে দাতার নাম উল্লেখ করতে হয় না। এই ধরনের আয়ের মধ্যে রয়েছে কুপন বিক্রি, ত্রাণ তহবিল, বিবিধ আয়, স্বেচ্ছায় অনুদান এবং মিছিল থেকে আয়। ২০১৬ অর্থবর্ষে বিজেপি স্বেচ্ছা অনুদান বাবদ আয় করেছে ৪৫৯.৫৬ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ২০ হাজারের বেশি স্বেচ্ছা অনুদান চাঁদা বা অনুদান থেকে বিজেপি-র মোট আয় ৫৩৬.৪১ কোটি টাকা। এই সময় কংগ্রেস কুপন বিক্রি বাবদ আয় করেছে ১৬৭.৯৬ কোটি টাকা।
এডিআর-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে সাতটি জাতীয় দলের মধ্যে বিজেপি-র আয়ই সবচেয়ে বেশি। আয়ের হিসেবে তৃতীয় স্থানে থাকা সিপিএমের মোট আয় ১০৭.৪৮ কোটি টাকা। বহুজন সমাজ পার্টির আয় ৪৭.৩৯ কোটি টাকা। তৃণমূল কংগ্রেসের আয় ৩৪.৫৮ কোটি টাকা। এনসিপি-র আয় ৯.১৪ কোটি টাকা। সিপিআই-এর আয় ২.১৮ কোটি টাকা। তবে বিজেপি ও কংগ্রেসের আয় কমে প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে বিজেপি-র আয় ছিল ৯৭০.৪৩ কোটি টাকা। সেটা ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ৪১ শতাংশ কমে গিয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে কংগ্রেসের আয় ছিল ৫৯৩.৩১ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে সেটা ৫৬ শতাংশ কমে গিয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে বিজেপি-র ঘোষিত সূত্র থেকে আয় ৭৬.৮৫ কোটি টাকা। এই সময় ঘোষিত সূত্র থেকে কংগ্রেসের আয় ২০.৪২ কোটি টাকা।