সরকারি সূত্রের খবর, ওই আদালত ৯০ দিনে বিচার শেষ করবে। রাজ্যে এ ধরনের প্রথম কোর্ট হবে এটাই।
রাজ্য সরকার এই মামলায় অভিযুক্ত পুলিশকর্মীদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে বলে খবর ওই সূত্রের।
মুখ্যমন্ত্রী এদিন জম্মুর বাসিন্দাদের প্রশংসা করেছেন। তাঁরা সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলিকে প্রত্যাখ্যান করে নির্যাতিতা শিশুর ন্যয়বিচারের দাবির প্রতি স্পষ্ট সমর্থন জানানোয় উচ্ছ্বসিত মেহবুবা বলেছেন, যেভাবে জম্মুর লোকজন সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলিকে খারিজ করে একটি বাচ্চা মেয়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাকে বাহবা দিচ্ছি। এতে আমার এই ধারণাই জোরদার হল যে জম্মু সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে চলার একটা মডেল তুলে ধরল এবং জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষ একসঙ্গে দেশের ধর্মনিরপেক্ষতা ও সঠিক রাস্তায় চলায় অনুপ্রেরণা দিলেন।
আগের এক ট্যুইটে মেহবুবা সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকায় সন্তোষ জানিয়ে লেখেন, কিছু আইনজীবী যে নৃশংস কাঠুয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ন্যায়বিচার দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন, ক্রাইম ব্রাঞ্চকে মামলায় চার্জশিট পেশে বাধা দিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্ট তা ধর্তব্যের মধ্যে রেখেছে দেখে ভাল লাগছে। এই দেশের মহানতার কথা ফের মনে করিয়ে দিল এটা। নানা সময়ে বিভিন্ন ধরনের আলোচনায় হতাশা তৈরি হলেও ভালবাসা, সহানুভূতির ডিএনএ কিন্তু একই থাকে।
প্রসঙ্গত, কাঠুয়ার শিশুকন্যা ধর্ষণ, খুনে অভিযুক্তদের সমর্থনে মিছিলে যোগ দেওয়ায় সমালোচনার মুখে মেহবুবা সরকারের দুই বিজেপি মন্ত্রী চৌধুরি লাল সিংহ ও চন্দ্র প্রকাশ গতকালই দলের রাজ্য সভাপতি সত্ শর্মার কাছে ইস্তফাপত্র দেন।
এ ব্যাপারে আগামীদিনের কর্মপন্থা ঠিক করতে আজই জম্মুতে বসছে বিজেপি পরিষদীয় দল। অন্যদিকে 'পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে' বৈঠকে বসছে তাদের জোট শরিক পিডিপি-ও।