শ্রীনগর: কাশ্মীরে সৈয়দ আলি গিলানির গোষ্ঠী থেকে সাসপেন্ড বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা। নঈম খান নামে ওই নেতা জম্মু কাশ্মীর ন্যাশনাল ফ্রন্ট সংগঠনের চেয়ারম্যান। তিনি গিলানির নেতৃত্বাধীন তেহরিক-ই-হুরিয়তে ছিলেন। দিনকয়েক আগে একটি টিভি চ্যানেলে দেখানো হয়, ২০১৬-য় কাশ্মীর উপত্যকায় অশান্তি ছড়াতে পাকিস্তান থেকে পাঠানো টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন নঈম। তারপরই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল সংগঠন।

এদিন সকালে নঈম সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, তাঁকে যে ফুটেজে পাকিস্তান থেকে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করতে দেখা গিয়েছে, সেটি জাল, বানানো। ওই চ্যানেল 'কাশ্মীরের স্বাধীনতা আন্দোলনকে' হেয় করার লক্ষ্যেই তাঁর বিবৃতিকে বিকৃত করে কোনও প্রসঙ্গ ছাড়াই ব্যবহার করেছে বলে দাবি করেন নঈম। বলেন, আমরা স্থানীয় স্তরে চাঁদা তুলি কাশ্মীর সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষজনকে সাহায্য করতে। তবে এই ব্যাখ্যায় ফল হয়নি। হুরিয়তের এক নেতা জানান, পরবর্তী তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সাসপেন্ড থাকবেন নঈম।

চ্যানেলটির করা স্টিং অপারেশনের ফুটেজে নঈম ছাড়াও দেখা যায় তেহরিক-ই-হুরিয়তের নেতা গাজি জাভেদ বাবা ও জম্মু কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ দারকে। ফুটেজে নঈম বলেছেন, বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সকলেই পাকিস্তান থেকে টাকা পায়।
প্রসঙ্গত, কাশ্মীরে অশান্তি ছড়াতে পাকিস্তান থেকে টাকা পাঠানো হয়েছে শীর্ষস্থানীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের, টাকা দিয়েছে লস্কর-ই-তৈবা, এমন অভিযোগ ওঠায় তার সত্যতা খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে এনআইএ। গতকালই এনআইএ গোয়েন্দারা শ্রীনগর এসেছেন। গিলানি সহ শীর্ষ ৪ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে জেরা করবেন তাঁরা। যদিও এ ব্যাপারে কোনও নোটিস এখনও তাঁরা পাননি বলে জানিয়েছেন হুরিয়তের জনৈক মুখপাত্র।