Abhishek Banerjee: জেসিবি দিয়ে মাটি কাটা দেখতে পরিবর্তন যাত্রার থেকে বেশি ভিড় হয়, কটাক্ষ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের!
Abhishek Banerjee on Amit Shah: এই সভা থেকে একাধিক পরিসংখ্যান তুলে ধরেন অভিষেক। তিনি বলেন, এই পরিসংখ্যান কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দেওয়া।

আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে সভা ছিল তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Trinamool MP Abhishek Banerjee)। সেই সভা থেকে বিজেপিকে (BJP) দ্বার্থ্যহীন ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। সেই সভা থেকে তিনি আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Women's Day) উপলক্ষ্যে সেই সভায় উপস্থিত প্রত্যেক মা, বোন, দিদিকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, "দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে ২ মহিলাকে সংসদে পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নারীশক্তি, মাতৃশক্তি যদি কারও সঙ্গে থাকে তাকে কেউ হারাতে পারে না।"
এরপর তাঁর কথায় উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্ণার প্রসঙ্গও। "আজ তৃতীয়দিন কলকাতার রাজপথে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকারের স্বার্থে ধর্নায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী", বলতে শোনা যায় ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে।
এদিনের সভায় অভিষেকের কথায় উঠে আসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ৫ দিন আগের সভার কথাও। তাঁর কটাক্ষ, "মথুরাপুরের এই মাঠে ৫ দিন আগে সভা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ৩০ মিনিট তিনি বক্তব্য রেখেছেন। এদের পরিবর্তন যাত্রায় যা ভিড় হচ্ছে, কোনও গ্রামে জেসিবি দিয়ে মাটি কাটা হলে, সেটা দেখতে এর থেকে বেশি ভিড় হয়।"
এই সভা থেকে একাধিক পরিসংখ্যান তুলে ধরেন অভিষেক। তিনি বলেন, এই পরিসংখ্যান কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দেওয়া। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরুদ্ধে একাধিক পরিসংখ্যান তিনি এই সভায় তুলে ধরেন। তারপরই তোপ দাগতে শোনা যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেন, "আপনি যে কথাগুলো বলেছেন, প্রত্যেকটা কথা মিথ্যা"। এর পর তাঁকে সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তেও শোনা যায়।
"মানুষ আমার সঙ্গে আছে, আপনার সঙ্গে যেমন ইডি-সিবিআই আছে। আপনি এজেন্সিকে কাজে লাগিয়ে কাঁচকলা করেছেন", মঞ্চ থেকে বলেন অভিষেক। এদিনের সভা থেকে ৩১-০ করার হুঙ্কার দেন তিনি। তিনি বলেন, "বাংলার মানুষের ভোটাধিকার কাড়তে গিয়ে নিজেদের কবর নিজেরাই খুঁড়েছে"। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সিট ৫০-এর নীচে নামানোর হুঙ্কারও দিয়েছেন অভিষেক।
মথুরাপুরের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলা বলা নিয়েও শোনা যায়। তিনি বলেন, "তাঁর দলের মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে বলছেন সুকান্ত মজমুদার! আর তিনি স্টেজে বসে হাসছেন। মজুমদারকে বলছেন মজমুদার। আপনি ভাবুন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলছেন রবীন্দ্রনাথ সান্যাল। সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে দেশের প্রধানমন্ত্রী বলছেন, বঙ্কিমদা। যেন আড্ডা মারতেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা হচ্ছে।"
























