Purulia: পুরুলিয়ায় নদীতে উল্টে গেল বাস, বরাতজোরে রক্ষা চালক ও খালাসির
Purulia News: তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে বাসের ভেতরে আটকে থাকা চালক ও খালাসিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন। ঘটনার পর ওই কজওয়ে উপর থেকে সমস্ত রকমের যান চলাচল বন্ধ করে দেয় প্রশাসন।

হংসরাজ সিংহ, পুরুলিয়া: বুধবার সকালে পুরুলিয়ার বরাবাজার ব্লকের কুমারী নদীর ফতেপুর-তসরবাঁকি নদীঘাটে ঘটল এক ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা।নদীর ওপর থাকা একটি কজওয়ে (ভাসাপুল) পার হওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীচে উল্টে পড়ে একটি বেসরকারি বাস। তবে যাত্রী না থাকায় বড়সড় বিপদের হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন বাসের চালক ও খালাসি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় নদীর জল ভাসাপুলের ওপর দিয়ে বইছিল। সেই বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই বাসটি পারাপারের চেষ্টা করায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন ও গাড়িটি পুল থেকে নীচে উল্টে যায়। ঘটনার পরমুহূর্তেই স্থানীয় বাসিন্দারা তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে বাসের ভেতরে আটকে থাকা চালক ও খালাসিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন। ঘটনার পর ওই কজওয়ে উপর থেকে সমস্ত রকমের যান চলাচল বন্ধ করে দেয় প্রশাসন।
গত মাসে বর্ধমান-তারকেশ্বর রুটে একটি বাস দুর্ঘটনা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, বর্ধমান-তারকেশ্বর রুটের বাসটি বর্ধমান থেকে আসছিল। আদমবাঁধ এলাকায় বাসের পাতি ভেঙে নিয়ন্ত্রণ হারায়, তার পরেই রাস্তার পাশে নয়ানজুলিতে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে প্রচুর স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে জড়ো হন। স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাস থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থলেই দুই মহিলার মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের নাম লক্ষ্মী মুর্মু (৬৫) ও শর্মিলা সরেন(৩৫)। তাঁদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ধাড়ান এলাকায়। তাঁরা তারকেশ্বরে জল ঢালার জন্য যাচ্ছিলেম। জখমদের উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। বাসটিতে ৪০ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে এলাকার মানুষের দাবি। স্থানীয় বাসিন্দারা এই দুর্ঘটনার জন্য রাস্তার বেহাল অবস্থাকেই দায়ী করছেন। পাশাপাশি উদ্ধার কাজে দেরিতে ক্রেন ও অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছানোয় ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। আলিপুরদুয়ার জেলার হাসিমারায় ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের তোর্ষা সেতুতে সাতসকালে ঘটেছিল মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা। একটি কন্টেনার ট্রাক ও একটি টিপার ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের জেরে হঠাৎ পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেয়। সংঘর্ষের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, কন্টেনার ট্রাকটি শেষে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতু থেকে নিচে নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় কন্টেনার ট্রাকের চালকের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় । এদিকে ওই ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় থানা পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল। যদিও ততক্ষণে সব শেষ।























