Unnao Incident Update : 'যদি নির্ভয়ার মতো মারা যেতাম, সবাই বিশ্বাস করতেন', আক্ষেপ উন্নাওয়ের নির্যাতিতার
Kuldeep Singh Sengar : এর আগে, নির্যাতিতার বাবার হেফাজতে থাকাকালীন মৃত্যু মামলায় সাজা স্থগিত এবং জামিনের আবেদন করেছিলেন কুলদীপ সিং সেঙ্গার।

নয়াদিল্লি : তাঁর বাবার হেফাজতে থাকাকালীন মৃত্যুর ঘটনায় বিজেপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা কুলদীপ সিং সেঙ্গারের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যা নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করলেন উন্নাওয়ের নির্যাতিতা। একইসঙ্গে তাঁর আক্ষেপ, নির্যাতনের কথা প্রমাণ করতে আট বছর ধরে তিনি লড়াই করছেন। তোলেন নির্ভয়ার প্রসঙ্গও।
সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "আমি সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলাম। বিচারপতি যখন রায় দিলেন তখন আমি আদালতে ছিলাম। এই রায়ে আমি খুবই খুশি। আমি সন্তুষ্ট যে বিচারপতি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ৩ মাসের মধ্যে শুনানি শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। আমার বাবা আর ফিরে আসবেন না। তাঁর ভাই অতুল সিং সেঙ্গার এবং জয়দীপ সিং সেঙ্গার আমার বাবাকে হত্যা করেছেন। চিকিৎসার জন্য তাঁরা জেল থেকে বেরিয়ে এসেছেন। জড়িত সকল পুলিশ কর্মকর্তাই বাইরে। কুলদীপ সিং সেঙ্গার সম্পর্কে বলতে গেলে, উনি আমার বিরুদ্ধে জঘন্য কাজ করেছেন। আমাকে ধর্ষণ করেছেন। আমি কীভাবে এটা প্রমাণ করব ? আমি কি বেঁচে আছি? আমাকে কি এটা করতে হবে?"
তিনি সুপ্রিম কোর্টের কাছে তাঁর বাবার জন্য ন্যায়বিচারের আর্জি জানান। কুলদীপ সিং সেঙ্গারের মৃত্যুদণ্ডের দাবি তোলেন। নির্ভয়ার প্রসঙ্গ তুলে উন্নাওয়ের নির্যাতিতা বলেন, "আমি যদি নির্ভয়ার মতো মারা যেতাম, তাহলে সবাই বিশ্বাস করতেন যে আমাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। আমি বেঁচে আছি। আমার সঙ্গে যা ঘটেছে তা প্রমাণ করতে বছরের পর বছর লেগেছে। আমি ৮ বছর ধরে সংগ্রাম করছি। এখনও, আমাকে প্রমাণ করতে হবে যে আমি ধর্ষিত হয়েছি। তাঁর মেয়ে বলেছিলেন যে এটা একটা স্বাভাবিক দুর্ঘটনা ছিল। আমি জানতাম না দুর্ঘটনাটি স্বাভাবিক কি না। আমি ভেন্টিলেটরে ছিলাম। আমি সুপ্রিম কোর্টের কাছে আমার বাবার জন্য ন্যায়বিচারের আবেদন করেছি। তাঁকে ফাঁসি দেওয়া উচিত যাতে আমার বাবার আত্মা শান্তিতে থাকে এবং তাঁকে ন্যায়বিচার দেওয়া যায়।"
এর আগে, নির্যাতিতার বাবার হেফাজতে থাকাকালীন মৃত্যু মামলায় সাজা স্থগিত এবং জামিনের আবেদন করেছিলেন কুলদীপ সিং সেঙ্গার। তাঁর সেই আবেদনে স্বস্তি মেলেনি সুপ্রিম কোর্টে। আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়। দিল্লি হাইকোর্টকে এর শুনানি করে তিন মাসের মধ্যে নির্দেশ দিতে বলা হয়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ হাইকোর্টকে মামলাটি দ্রুত গ্রহণের জন্য বলে। এরপর হেফাজতে মৃত্যু মামলায় দিল্লি হাইকোর্টের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে সেঙ্গার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।























