Uttar Pradesh News: দাদাকে ঘুম থেকে তুলে চা করে দিতে বলেছিলেন ভাই ! রাজি না হওয়ায় মরতে হল যুবককে
Younger Brother Killed Elder Brother: জানা গিয়েছে, দাদার মাথায় ছোট ভাই কুড়ুল দিয়ে এত জোরে আঘাত করেছিলেন যে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের।

Uttar Pradesh News: ঘুম থেকে দাদাকে ডেকে তুলেছিলেন ভাই। বলছিলেন তাঁর জন্য চা বানিয়ে দিতে। ভাই কেন ঘুম থেকে তুলে চা করতে বলেছে, এই নিয়ে শুরু হয় বচসা। আর এই সামান্য কারণ নিয়ে হওয়া বচসার জেরে ভাইয়ের হাতে খুন হতে হয়েছে দাদাকে। কুড়ুল জাতীয় জিনিস দিয়ে কুপিয়ে দাদাকে খুন করেছে ভাই, এমনই অভিযোগ উঠেছে। খুনের পর দাদার দেহ বাড়িতে থাকা ৬ ফুট গভীর কুয়োতে পুঁতে দিয়েছিলেন অভিযুক্ত ভাই। উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসিতে ঘটেছে এই সাংঘাতিক ঘটনা। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ঘটেছে এই কাণ্ড। সেই সময় ওই ২ ভাইয়ের মা ছিলেন না বাড়িতে। তিনি গিয়েছিলেন তাঁর বাপের বাড়িতে। মা না থাকার কারণে ছোট ভাই দাদাকেই ঘুম থেকে ডেকে তুলেছিল চা করে দেওয়ার জন্য। রাজি হননি দাদা। উল্টে ঘুম থেকে তুলে ভাই কেন তাঁকে চা করতে বলেছে, সেই নিয়ে দু'জনের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। আর তার পরেই ঘটে যায় এই মর্মান্তিক কাণ্ড। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, দাদার মাথায় এত জোরে কুড়ুল দিয়ে তিনি আঘাত করেছিলেন যে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের।
জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ছোট ভাইয়ের নাম মুসারিব বেগ। যে ঘরে তাঁর দাদা ঘুমিয়েছিলেন, সেই ঘরের দরজায় ধাক্কা মেরে দাদাকে ঘুম থেকে তুলেছিলেন মুসারিব। বলেছিলেন চা বানিয়ে দিতে। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় ভাইয়ের উপর ক্ষেপে গিয়ে চোটপাট করেন দাদা তারিক। দুই ভাইয়ের মধ্যে শুরু হয় তুমুল ঝগড়া। খানিকক্ষণের মধ্যেই মুসারিবের রাগ এতটাই বেড়ে যায় যে, ঘরে রাখা একটা কুড়ুল নিয়ে সটান দাদার মাথায় বসিয়ে দেয় যে। তখনই মৃত্যু হয় তারিকের। এরপর উঠোনে ৬ ফুট গভীর একটা গর্ত খোঁড়েন অভিযুক্ত মুসারিব। দাদার দেহ সেখানেই পুঁতে দেন। ইট দিয়ে ঢেকে দেন ওই জায়গা। তার উপর বসিয়ে দেন একটি কুলার মেশিন। অপরাধ লুকানোর জন্য দাদাকে খুনের কয়েকদিন পর থানায় গিয়ে দাদার নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন মুসারিব। তদন্ত চলাকালীন এক আত্মীয়ের সন্দেহ হয় মুসারিবের উপর। সম্পর্কে মুসারিবের মামা হন তিনি। সন্দেহ হওয়ায় পুলিশকে সেকথা জানান তিনি। এরপর প্রথমে আটক করা হয় মুসারিবকে। শুরু হয় জেরা। পুলিশের দাবি, জেরায় অপরাধ স্বীকার করেন তিনি। এরপর গ্রেফতার করা হয় মুসারিবকে।























