UP News : স্বামী মৃত, প্রসব যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে নিজেই নিজের কাটলেন পেট! তারপরও...
এক গর্ভবতী মহিলা প্রসব যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে রান্নাঘরের ছুরি দিয়ে নিজের পেটটাই কেটে ফেললেন। গর্ভবতী মহিলার বয়স ৩৫ বছর।

নয়া দিল্লি: এ ব্যথা কী যে ব্যথা। প্রসব যন্ত্রণা সহ্য করা খুবই কঠিন। আর সেই যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে এক ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটিয়ে বসলেন এক মহিলা। উত্তর প্রদেশের বাহরাইচ জেলায় বৃহস্পতিবার এক গর্ভবতী মহিলা প্রসব যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে রান্নাঘরের ছুরি দিয়ে নিজের পেটটাই কেটে ফেললেন। গর্ভবতী মহিলার বয়স ৩৫ বছর।
জানা গিয়েছে, প্রসব যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে রান্নাঘরের ছুরি দিয়ে নিজের পেট কেটে ফেলেন তিনি। তারপর সুস্থ কন্যা সন্তানের জন্ম দেন । এরপর ওই মহিলার চিৎকার শুরু করেন। প্রতিবেশীরা তাঁকে তড়িঘড়ি ফখরপুর কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। এরপর তাঁর নর্ম্যাল ডেলিভারি হয়। সূত্রের খবর, সন্তান সুস্থই আছে।
তবে ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। পরে নানকাইকে জেলা হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর চিকিৎসকরা পেটের গভীর ক্ষতটির চিকিৎসা শুরু করেন। হাসপাতাল কর্মীর বক্তব্য অনুসারে, বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটে নাগাদ তাঁকে হাসপাতালে আনা হয়। তার অন্ত্র বেরিয়ে এসেছিল এবং সঙ্গে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।" তাঁর আঘাত একটাই বেশি ছিল যে, আরও ভাল চিকিৎসার জন্য মহিলাকে লখনউয়ের একটি বড় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশেও অভিযোগ জানানো হয়। কারণ, মহিলার পেটে অস্বাভাবিক ক্ষত ছিল।
এই বিষয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিও থেকে মনে হচ্ছে, মহিলা নিজেই নিজের পেট কেটে ফেলেন। ভিডিওয় মহিলাকে স্ট্রেচারে নিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে। সেখানেই ওই মহিলা বলছিলেন, তীব্র ব্যথার জন্যই তিনি তার পেট কেটে ফেলেন। প্রতিবেশীদের মতে,ওই মহিলার স্বামী প্রায় ছয় মাস আগে মারা গিয়েছেন এবং তিনি একা থাকতেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে যখন তার প্রসববেদনা শুরু হয়, যখন ব্যথা অসহনীয় হয়ে ওঠে, তখন সবজি কাটার জন্য ব্যবহৃত ছুরি দিয়ে তিনি পেট কেটে ফেলেন । শীঘ্রই,প্রতিবেশীরা তাঁকে অ্যাম্বুলেন্স করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানেই তাঁর সন্তান প্রসব হয়।























